বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী   * ঢাকায় ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাচলে সতর্কতা জারি   * ৬৫ বছরের বেশি বয়সীরাও হজে যেতে পারবেন: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী   * ছাত্রলীগকে গুজবের জবাব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর   * বাংলাদেশ ৩০০ কোটির বেশি মানুষের বাজার হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী   * গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে ফের ভোট ৪ জানুয়ারি   * বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ করলো ইন্দোনেশিয়া   * সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ১২ ডিগ্রির নিচে নামলো তাপমাত্রা   * ছাত্রলীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী   * কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
‘সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা’ পুরস্কার পাচ্ছে ১২৯ প্রতিষ্ঠান

অনলাইন প্রতিবেদক : ভ্যাট প্রদানে উৎসাহ দিতে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়ে আসছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এরই ধারাবহিকতায় ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ভ্যাট পরিশোধকারী হিসেবে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে ১২৯ প্রতিষ্ঠানকে।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে তিন ক্যাটাগরিতে ৯টি ও জেলা পর্যায়ে তিন ক্যাটাগরিতে ১২০টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

সম্প্রতি এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (মূসক-প্রশিক্ষণ ও পুরস্কার) মো. ফয়সাল বিন রহমান সই করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম। ‘সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদান নীতিমালা, ২০০৫ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর জাতীয় মূসক দিবসের অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার দেয়া হবে বলে এনবিআর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদন, ব্যবসা ও সেবা খাতে সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) পরিশোধকারী ৯ প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এর মধ্যে উৎপাদন খাতের ৩টি প্রতিষ্ঠান হলো অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড এবং এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড।

ব্যবসায় খাতের ৩ প্রতিষ্ঠান হলো- ওয়ালটন প্লাজা, আগোরা লিমিটেড ও ইউনিমার্ট লিমিটেড।

সেবা খাতের তিন প্রতিষ্ঠান হলো- বিকাশ লিমিটেড, নগদ লিমিটেড এবং ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেড বা আইএফআইসি ব্যাংক।

নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে জেলা পর্যায়ে উৎপাদন, ব্যবসা ও সেবা খাতে সর্বোচ্চ মূসক পরিশোধকারী হিসেবে ১২০ প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে পুরস্কারের জন্য।

এর মধ্যে রয়েছে এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, হ্যামকো করপোরেশন লিমিটেড ও ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড।

ভ্যাট ঢাকা উত্তর কমিশনারেটের অধীনে রয়েছে ডেল্টা ফার্মা লিমিটেড, মাহবুব ট্রেডার্স ও মেসার্স লক্ষ্মীনারায়ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, বেনলি ইলেকট্রনিক এন্টারপ্রাইজ কোং লিমিটেড, এসসি জনসন প্রাইভেট লিমিটেড ও গ্রিন চিলিস রেস্টুরেন্ট, আইয়ুব আলী অ্যান্ড ব্রাদার্স, রাসেল ব্রেড অ্যান্ড কনফেকশনারি ও আলিশান রেস্টুরেন্ট।

ভ্যাট ঢাকা পশ্চিম কমিশনারেটের অধীন- আলফা অটো ব্রিকস লিমিটেড, মহিমা বাজাজ ও মেঘনা ইনোভা রাবার কোং লিমিটেড।

ভ্যাট ঢাকা পূর্ব কমিশনারেটের অধীনে পুরস্কার পাচ্ছে ফেয়ার ইলেকট্রনিকস লিমিটেড, মেসার্স কালাচাঁদ দাস ও হেরিটেজ রিসোর্ট লিমিটেড। এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ফেয়ার ইলেকট্রনিকস লিমিটেড ও রেডিয়েন্ট শিপ ইয়ার্ড লিমিটেড। ভ্যাট ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের অধীন মুন্সীগঞ্জ জেলার সুপার ফরমিকা অ্যান্ড ল্যামিনেশন লিমিটেড।

ভ্যাট সিলেট কমিশনারেটের অধীন সিলেট জেলার ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, ইফাত অ্যাসোসিয়েট, সিলেট ক্যাবল সিস্টেমস প্রাইভেট লিমিটেড, মৌলভীবাজার জেলার সুমা ফুড-১, এম বি ক্লথ স্টোর, স্বাদ অ্যান্ড কোং, সুনামগঞ্জ জেলার আকিজ প্লাস্টিকস লিমিটেড, মেসার্স পি কে ট্রেডিং এজেন্সি, পানসী রেস্টুরেন্ট, হবিগঞ্জ জেলার মেসার্স শরীফ ইলেকট্রনিকস, আল-আমিন ফুড ফেয়ার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট।

ভ্যাট চট্টগ্রাম কমিশনারেটের অধীন চট্টগ্রাম জেলার ইস্টার্ন মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ (চট্ট:) লিমিটেড, এসকরপ অ্যাপারেলস লিমিটেড, মেসার্স যমুনা ট্রেডার্স, কক্সবাজার জেলার সায়মন বিচ রিসোর্ট লিমিটেড, বান্দরবান জেলার ভেনাস রিসোর্ট অ্যান্ড কফি হাউস।

রংপুর ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন রংপুর জেলার মেসার্স মায়া বিড়ি ফ্যাক্টরি, আরিফিন মটরস, গ্রান্ড প্যালেস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড, কুড়িগ্রাম জেলার সানলাইট ট্রেডিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড, অন্তর বাজাজ, ঝন্টু মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, গাইবান্ধা জেলার ইউনাইটেড ফুটকেয়ার (বাংলাদেশ) লিমিটেড, মেসার্স ইরা বাজাজ, এস কে এস ইন, ঠাকুরগাঁও জেলার গ্রিন ফিল্ড টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মেসার্স কে এম মটরস, মেসার্স করতোয়া কুরিয়ার পার্সেল অ্যান্ড সার্ভিস, দিনাজপুর জেলার মেসার্স সুমাইয়া মটরস, নীলফামারী জেলার সানিটা সিরামিক (প্রা.) লিমিটেড, মেসার্স শাকিল মটরস, পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় মটরস, লালমনিরহাট জেলার মেসার্স স্বাধীন বিড়ি অ্যান্ড সফল বিড়ি ফ্যাক্টরি, এ আর মটরস।

যশোর ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন কুষ্টিয়া জেলার মডার্ন প্লাইউড অ্যান্ড উড প্রোসেসিং কোম্পানি লিমিটেড, গ্রিন এন্টারপ্রাইজ, সূচনা হেয়ার অ্যান্ড বিউটি কেয়ার, গোপালগঞ্জ জেলার মেসার্স কাজী সৈয়দ আলী, শরীফ ফার্নিচার, চুয়াডাঙ্গা জেলার মেসার্স বঙ্গ পিভিসি পাইপ ইন্ডাস্ট্রিজ, মেসার্স মাদানী এন্টারপ্রাইজ, হোটেল ভি আই পি, ঝিনাইদহ জেলার তুষার সিরামিকস লিমিটেড, ফসিয়ার মোটরসাইকেল সেন্টার, নড়াইল জেলার মেসার্স কাজ ট্রেডিং, ফরিদপুর জেলার রাজ্জাক ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, মেসার্স তাজ ইন্টারন্যাশনাল, বাগাট ঘোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, মাগুরা জেলার মেসার্স ভাই ভাই প্লাস্টিক, মেসার্স আলমগীর মটরস, চলন্তিকা হোটেল, মেহেরপুর জেলার মেসার্স বিশ্বাস মটরস, যশোর জেলার মেসার্স পানশাহী জর্দ্দা ফ্যাক্টরি, শুভ এন্টারপ্রাইজ, হোটেল জাবির প্যারাডাইস লিমিটেড।

খুলনা ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন খুলনা জেলার মেসার্স খোরশেদ মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ, সেভ এন সেভ, ঝালকাঠি জেলার মেসার্স সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস, পটুয়াখালী জেলার পাঞ্জা বিড়ি লিমিটেড, বরগুনা জেলার মেসার্স উজ্জল কেমিক্যাল ওয়ার্কস, বরিশাল জেলার এমইপি প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ, নিউ পার্ক বাংলা, নাদিয়া ফার্নিচার লিমিটেড, বাগেরহাট জেলার দুবাই বাংলাদেশ সিমেন্ট মিলস লিমিটেড, মাদারীপুর জেলার চাঁন বিড়ি ফ্যাক্টরি, মেসার্স সিগমা ট্রেডার্স, হোটেল সার্বিক ইন্টারন্যাশনাল, শরীয়তপুর জেলার বাজাজ ভিলেজ, সাতক্ষীরা জেলার বাজাজ সেলস পয়েন্ট, মেসার্স জায়হুন ডেইরি শপ।

কুমিল্লা ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন কুমিল্লা জেলার এস আর এন ইলেকট্রনিকস লিমিটেড, মালাই সুইটস অ্যান্ড বেকারি, চাঁদপুর জেলার মেসার্স চাঁদপুর লাইমস, এইচ পাওয়ার মটরস, হোটেল গ্র্যান্ড হিলশা, নোয়াখালী জেলার সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, প্রাইম ডিস্ট্রিবিউশন, লক্ষ্মীপুর জেলার পি টি কনজ্যুমার প্রোডাক্টস ইন্ডাস্ট্রিজ, মেসার্স হরিনারায়ণ মজুমদার অ্যান্ড সন্স, হোটেল নুরজাহান।

রাজশাহী ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাই-এগ্রো প্রোডাক্টস মার্কেটিং কোং লিমিটেড, মৃদুলা ট্রেডিং করপোরেশন, প্যাকেজ ক্যাবল নেটওয়ার্ক, জয়পুরহাট জেলার মেসার্স পি আর এগ্রো করপোরেশন, হোটেল সুইট ড্রিম, নওগাঁ জেলার মেসার্স হাসান ট্রেডার্স, নাটোর জেলার ব্রাদার্স স্টিল, মেসার্স বিসমিল্লাহ মটরস, জয়কালি বাড়ী মিষ্টির দোকান, পাবনা জেলার ফার্মা প্যাকেজ (প্রাইভেট) লিমিটেড, মেসার্স ফকির এন্টারপ্রাইজ, বনলতা সুইটস অ্যান্ড বেকারী, বগুড়া জেলার যমুনা স্পেসটেক জয়েন্ট ভেঞ্চার লিমিটেড, মেসার্স এশিয়া সুইটমিট অ্যান্ড কোল্ড ড্রিংকস, রাজশাহী জেলার টিম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, সপুরা সিল্ক মিলস লিমিটেড, সিরাজগঞ্জ জেলার মেসার্স কিছমত বিড়ি ফ্যাক্টরি ও সরকার এন্টারপ্রাইজ।

‘সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা’ পুরস্কার পাচ্ছে ১২৯ প্রতিষ্ঠান
                                  

অনলাইন প্রতিবেদক : ভ্যাট প্রদানে উৎসাহ দিতে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়ে আসছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এরই ধারাবহিকতায় ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ভ্যাট পরিশোধকারী হিসেবে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে ১২৯ প্রতিষ্ঠানকে।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে তিন ক্যাটাগরিতে ৯টি ও জেলা পর্যায়ে তিন ক্যাটাগরিতে ১২০টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

সম্প্রতি এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (মূসক-প্রশিক্ষণ ও পুরস্কার) মো. ফয়সাল বিন রহমান সই করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম। ‘সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদান নীতিমালা, ২০০৫ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর জাতীয় মূসক দিবসের অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার দেয়া হবে বলে এনবিআর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদন, ব্যবসা ও সেবা খাতে সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) পরিশোধকারী ৯ প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এর মধ্যে উৎপাদন খাতের ৩টি প্রতিষ্ঠান হলো অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড এবং এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড।

ব্যবসায় খাতের ৩ প্রতিষ্ঠান হলো- ওয়ালটন প্লাজা, আগোরা লিমিটেড ও ইউনিমার্ট লিমিটেড।

সেবা খাতের তিন প্রতিষ্ঠান হলো- বিকাশ লিমিটেড, নগদ লিমিটেড এবং ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেড বা আইএফআইসি ব্যাংক।

নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে জেলা পর্যায়ে উৎপাদন, ব্যবসা ও সেবা খাতে সর্বোচ্চ মূসক পরিশোধকারী হিসেবে ১২০ প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে পুরস্কারের জন্য।

এর মধ্যে রয়েছে এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, হ্যামকো করপোরেশন লিমিটেড ও ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড।

ভ্যাট ঢাকা উত্তর কমিশনারেটের অধীনে রয়েছে ডেল্টা ফার্মা লিমিটেড, মাহবুব ট্রেডার্স ও মেসার্স লক্ষ্মীনারায়ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, বেনলি ইলেকট্রনিক এন্টারপ্রাইজ কোং লিমিটেড, এসসি জনসন প্রাইভেট লিমিটেড ও গ্রিন চিলিস রেস্টুরেন্ট, আইয়ুব আলী অ্যান্ড ব্রাদার্স, রাসেল ব্রেড অ্যান্ড কনফেকশনারি ও আলিশান রেস্টুরেন্ট।

ভ্যাট ঢাকা পশ্চিম কমিশনারেটের অধীন- আলফা অটো ব্রিকস লিমিটেড, মহিমা বাজাজ ও মেঘনা ইনোভা রাবার কোং লিমিটেড।

ভ্যাট ঢাকা পূর্ব কমিশনারেটের অধীনে পুরস্কার পাচ্ছে ফেয়ার ইলেকট্রনিকস লিমিটেড, মেসার্স কালাচাঁদ দাস ও হেরিটেজ রিসোর্ট লিমিটেড। এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ফেয়ার ইলেকট্রনিকস লিমিটেড ও রেডিয়েন্ট শিপ ইয়ার্ড লিমিটেড। ভ্যাট ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের অধীন মুন্সীগঞ্জ জেলার সুপার ফরমিকা অ্যান্ড ল্যামিনেশন লিমিটেড।

ভ্যাট সিলেট কমিশনারেটের অধীন সিলেট জেলার ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, ইফাত অ্যাসোসিয়েট, সিলেট ক্যাবল সিস্টেমস প্রাইভেট লিমিটেড, মৌলভীবাজার জেলার সুমা ফুড-১, এম বি ক্লথ স্টোর, স্বাদ অ্যান্ড কোং, সুনামগঞ্জ জেলার আকিজ প্লাস্টিকস লিমিটেড, মেসার্স পি কে ট্রেডিং এজেন্সি, পানসী রেস্টুরেন্ট, হবিগঞ্জ জেলার মেসার্স শরীফ ইলেকট্রনিকস, আল-আমিন ফুড ফেয়ার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট।

ভ্যাট চট্টগ্রাম কমিশনারেটের অধীন চট্টগ্রাম জেলার ইস্টার্ন মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ (চট্ট:) লিমিটেড, এসকরপ অ্যাপারেলস লিমিটেড, মেসার্স যমুনা ট্রেডার্স, কক্সবাজার জেলার সায়মন বিচ রিসোর্ট লিমিটেড, বান্দরবান জেলার ভেনাস রিসোর্ট অ্যান্ড কফি হাউস।

রংপুর ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন রংপুর জেলার মেসার্স মায়া বিড়ি ফ্যাক্টরি, আরিফিন মটরস, গ্রান্ড প্যালেস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড, কুড়িগ্রাম জেলার সানলাইট ট্রেডিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড, অন্তর বাজাজ, ঝন্টু মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, গাইবান্ধা জেলার ইউনাইটেড ফুটকেয়ার (বাংলাদেশ) লিমিটেড, মেসার্স ইরা বাজাজ, এস কে এস ইন, ঠাকুরগাঁও জেলার গ্রিন ফিল্ড টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মেসার্স কে এম মটরস, মেসার্স করতোয়া কুরিয়ার পার্সেল অ্যান্ড সার্ভিস, দিনাজপুর জেলার মেসার্স সুমাইয়া মটরস, নীলফামারী জেলার সানিটা সিরামিক (প্রা.) লিমিটেড, মেসার্স শাকিল মটরস, পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় মটরস, লালমনিরহাট জেলার মেসার্স স্বাধীন বিড়ি অ্যান্ড সফল বিড়ি ফ্যাক্টরি, এ আর মটরস।

যশোর ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন কুষ্টিয়া জেলার মডার্ন প্লাইউড অ্যান্ড উড প্রোসেসিং কোম্পানি লিমিটেড, গ্রিন এন্টারপ্রাইজ, সূচনা হেয়ার অ্যান্ড বিউটি কেয়ার, গোপালগঞ্জ জেলার মেসার্স কাজী সৈয়দ আলী, শরীফ ফার্নিচার, চুয়াডাঙ্গা জেলার মেসার্স বঙ্গ পিভিসি পাইপ ইন্ডাস্ট্রিজ, মেসার্স মাদানী এন্টারপ্রাইজ, হোটেল ভি আই পি, ঝিনাইদহ জেলার তুষার সিরামিকস লিমিটেড, ফসিয়ার মোটরসাইকেল সেন্টার, নড়াইল জেলার মেসার্স কাজ ট্রেডিং, ফরিদপুর জেলার রাজ্জাক ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, মেসার্স তাজ ইন্টারন্যাশনাল, বাগাট ঘোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, মাগুরা জেলার মেসার্স ভাই ভাই প্লাস্টিক, মেসার্স আলমগীর মটরস, চলন্তিকা হোটেল, মেহেরপুর জেলার মেসার্স বিশ্বাস মটরস, যশোর জেলার মেসার্স পানশাহী জর্দ্দা ফ্যাক্টরি, শুভ এন্টারপ্রাইজ, হোটেল জাবির প্যারাডাইস লিমিটেড।

খুলনা ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন খুলনা জেলার মেসার্স খোরশেদ মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ, সেভ এন সেভ, ঝালকাঠি জেলার মেসার্স সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস, পটুয়াখালী জেলার পাঞ্জা বিড়ি লিমিটেড, বরগুনা জেলার মেসার্স উজ্জল কেমিক্যাল ওয়ার্কস, বরিশাল জেলার এমইপি প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ, নিউ পার্ক বাংলা, নাদিয়া ফার্নিচার লিমিটেড, বাগেরহাট জেলার দুবাই বাংলাদেশ সিমেন্ট মিলস লিমিটেড, মাদারীপুর জেলার চাঁন বিড়ি ফ্যাক্টরি, মেসার্স সিগমা ট্রেডার্স, হোটেল সার্বিক ইন্টারন্যাশনাল, শরীয়তপুর জেলার বাজাজ ভিলেজ, সাতক্ষীরা জেলার বাজাজ সেলস পয়েন্ট, মেসার্স জায়হুন ডেইরি শপ।

কুমিল্লা ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন কুমিল্লা জেলার এস আর এন ইলেকট্রনিকস লিমিটেড, মালাই সুইটস অ্যান্ড বেকারি, চাঁদপুর জেলার মেসার্স চাঁদপুর লাইমস, এইচ পাওয়ার মটরস, হোটেল গ্র্যান্ড হিলশা, নোয়াখালী জেলার সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, প্রাইম ডিস্ট্রিবিউশন, লক্ষ্মীপুর জেলার পি টি কনজ্যুমার প্রোডাক্টস ইন্ডাস্ট্রিজ, মেসার্স হরিনারায়ণ মজুমদার অ্যান্ড সন্স, হোটেল নুরজাহান।

রাজশাহী ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাই-এগ্রো প্রোডাক্টস মার্কেটিং কোং লিমিটেড, মৃদুলা ট্রেডিং করপোরেশন, প্যাকেজ ক্যাবল নেটওয়ার্ক, জয়পুরহাট জেলার মেসার্স পি আর এগ্রো করপোরেশন, হোটেল সুইট ড্রিম, নওগাঁ জেলার মেসার্স হাসান ট্রেডার্স, নাটোর জেলার ব্রাদার্স স্টিল, মেসার্স বিসমিল্লাহ মটরস, জয়কালি বাড়ী মিষ্টির দোকান, পাবনা জেলার ফার্মা প্যাকেজ (প্রাইভেট) লিমিটেড, মেসার্স ফকির এন্টারপ্রাইজ, বনলতা সুইটস অ্যান্ড বেকারী, বগুড়া জেলার যমুনা স্পেসটেক জয়েন্ট ভেঞ্চার লিমিটেড, মেসার্স এশিয়া সুইটমিট অ্যান্ড কোল্ড ড্রিংকস, রাজশাহী জেলার টিম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, সপুরা সিল্ক মিলস লিমিটেড, সিরাজগঞ্জ জেলার মেসার্স কিছমত বিড়ি ফ্যাক্টরি ও সরকার এন্টারপ্রাইজ।

দাম বাড়ল ১২ কেজি এলপিজির
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশে ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) মূল্য পুনর্নিধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বেসরকারি খাতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপিজির মূসকসহ সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১ হাজার ২৫১ টাকা থেকে বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২৯৭ টাকা। অর্থাৎ দাম বাড়ল ৪৬ টাকা।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এলপি গ্যাসের নতুন এ দাম ঘোষণা করেন।

আবদুল জলিল বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ৬ দশমিক ৫৫ ভাগ বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে অটোগ্যাসের দামও। নির্ধারিত নতুন দাম বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে।

তিনি বলেন, ১৬টি প্রতিষ্ঠানের এলসি সেটেলমেন্টের ভিত্তিতে ডলারের দাম ধরা হয়েছে ১০৫ টাকা ২২ পয়সা, যা গত মাসের তুলনায় ১ টাকা ৩ পয়সা কম, গত মাসে ছিল ১০৬ টাকা ২৫ পয়সা। আর ডিসেম্বর মাসের জন্য অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৬০ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করেছে কমিশন, যা গতমাসে ছিল ৫৮ টাকা ২৮ পয়সা।

বাসাবাড়িতে কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবহারকারীদের এলপিজির দাম প্রায় একই আছে। রেটিকুলেটেড এলপিজি গ্যাসীয় অবস্থায় নভেম্বরে প্রতি লিটারের দাম ছিল ২২ পয়সা। এবার তা এক পয়সা বাড়িয়ে করা হয়েছে ২৩ পয়সা।

১২ কেজি সিলিন্ডার ছাড়াও সাড়ে ৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত সব সিলিন্ডারের দামই বাড়ানো হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। তবে সরকারি পর্যায়ে সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দামের পরিবর্তন হয়নি। সেটি আগের দাম ৫৯১ টাকাই রয়েছে।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- সচিব খলিলুর রহমান খান, সদস্য মোকবুল-ই ইলাহি, আবু ফারুকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

চিনি আমদানিতে ডিউটি কমাতে এনবিআরকে অনুরোধ বাণিজ্যমন্ত্রীর
                                  

 

অনলাইন ডেস্ক : চিনি আমদানিতে ডিউটি কমানোর জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শিগগির একটি সমন্বয় কমিটি করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকেও একটি ক্রাইসিস সেল খোলা হবে বলে জানান তিনি।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সভাপতিত্বে আমদানি-রপ্তানিসহ সার্বিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে ‘বাণিজ্য সহায়ক পরামর্শক কমিটির’ সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে তিনি এসব কথা বলেন।

গত নভেম্বরে চিনির দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয় কিন্তু বাজারে এখনো ১২০ টাকা দরে চিনি বিক্রি হচ্ছে, এর কারণ কী জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, একটা কথা ঠিক বাজারে যারা ব্যবসায়ী তারা ফেরেশতা নয়। কিন্তু আমরা যে দাম নির্ধারণ করি সেটা সব সময় দিতে হবে তা কিন্তু নয়। আমরা শুধু দাম কতো হওয়া উচিত সেটা নির্ধারণ করি। তারপরও দেখি ব্যবসায়ীরা কোথাও কোথাও চিনিতে সুবিধা নিয়েছে। তবে আমাদের কাগজপত্র বলে প্রচুর পরিমাণ চিনি রয়েছে, পাইপ লাইনেও আছে৷ আপনারা দেখছেন আমাদের ভোক্তা অধিকার বিভিন্ন জায়গায় হানা দিচ্ছে, জরিমানা করছে৷ এখন আমরা চিন্তা করছি এর বাইরে যদি প্রয়োজন হয় জেলের ব্যবস্থা করে কারাগারে পাঠানোর যায় কি না।

তিনি বলেন, চিনির দামটা যেটুকু বেশি আছে সেটা কমে আসবে। আজকে একটু কথা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে যে আসছে তাকে বলেছি চিনির ওপর ডিউটি যদি একটু কমানো যায় বা কনসিডার করা যায় তাহলে দামের ওপর প্রভাব পড়বে বা দাম কমে যাবে।

চিনি আমদানিতে অনুমোদন দেবেন কি না জানতে চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ চিনি আছে। অন্য বছরের তুলনায় প্রচুর চিনি রয়েছে। আর আমদানিতো খোলা আছে৷ বাজারে যা মজুত আছে সেটা কোনো অবস্থায় দেশের জন্য বিপজ্জনক নয়। শুধু সাধারণ মানুষ যাতে কম দামে চিনি পায় সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বাজারে ঘাটতি আছে সেখানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কি করতে পারে আর পারে না সে বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটা ভোক্তা অধিকার আছে, তারা সেটা দেখছে। আমরা আমাদের মতো করে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। কে কি বলেছে সেটা আমার দেখার বিষয় নয়। আমার দেখার বিষয় যে দাম হওয়া উচিত, যেটা নির্ধারণ করা হয়েছে সেটা। আর যে বেপার রয়েছে সেটা হলো টেকনিক্যাল ব্যপার সেটা তো অস্বীকার করতে পারি না।

তিনি বলেন, যারা চিনি উৎপাদন করে তাদের নিয়মিত গ্যাস সাপ্লাই দরকার। সেখানে সমস্যা হলে তারা আর কাজ করতে পারবে না। আমরা সবাই জানি কোথাও কোনো না কোনো সমস্যা আছে। আজকে সব কিছু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আরও ভালো করে দেখার জন্য আমরা চিন্তা করেছি, কিছু নির্ধারিত নির্দেশনা দিয়ে একটি সমন্বয় কমিটি করা হবে। শিগগির এ কমিটি করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকেও বলেছি তারা যদি একটি ক্রাইসিস সেল খোলে। এ সেল দেখবে কোথায় কি সমস্যা হচ্ছে। কেন না আমরা লক্ষ্য করছি যতটা না সমস্যা হচ্ছে তার থেকে বেশি অপপ্রচার হচ্ছে।

তিনি বলেন, খবরে আসছে ১০০টি এলসি বন্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও বলেছে। এ দেশে প্রতিদিন হাজার হাজার এলসি হয়। এ ১০০টি এলসি বন্ধ হলো যে কারণে সেটা হলো প্রতিটিই ছিল অতিমূল্যের জন্য। এ ১০০টির নিউজ বেশি করে হলো। অথচ ৯০০টি যে ভালোভাবে হলো সেটা কেউ প্রচার করলো না। এখানে সচেতন হতে হবে।

ঝাঁজ বেড়েছে পেঁয়াজের, সবজিতে স্বস্তি
                                  

কুমিল্লার বাজারে শীতকালীন সবজির দামে স্বস্তি মিললেও নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের বাজার দরে অস্বস্তিতে রয়েছে ক্রেতারা। মুদিমালের কিছু কিছু পণ্যের দাম কমলেও সিংহভাগ পণ্যেরই দাম বেড়েছে। মূল্যবৃদ্ধির ফলে জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের পরিবার চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) নগরীর রাজগঞ্জ বাজারে গিয়ে একাধিক ক্রেতার ও বিক্রেতার সাঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এমন তথ্য।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৩৫ টাকা। তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে। ভোজ্যতেলের দাম লিটার প্রতি বেড়েছে ১২ টাকা। যা গত সপ্তাহে ১৭৮ টাকা দরে লিটার বিক্রি করা হয়। বর্তমানে তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা লিটার। চালও কেজি প্রতি বেড়েছে ৩ থেকে ৫ টাকা।

তবে দাম কমেছে ডিম, মাছের ও সবজির। হালিপ্রতি লাল ডিমে কমেছে পাঁচ টাকা। যা গত বাজারে বিক্রি হয়েছিল ৩৫ টাকা আর হাঁসের ডিমও পাঁচ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা হালি দরে। সিম বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, যা গত সাপ্তাহে ছিল ১০০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০ টাকা, লাউ আকার ভেদে ৪০-৫০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০-৮০টাকা। করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ৯০টাকা। নতুন আলু কেজি প্রতি কমেছে ২০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০টাকা কেজি, পুরাতন আলুতেও কমেছে পাঁচ টাকা। বর্তমানে ২৫-৩০ টাকা দরে কেজি বিক্রি হচ্ছে, ফুলকপি আকার গত সপ্তাহে ছিল ৫০-৬৫ টাকা পিস, এখন পিস প্রতি ১০-২৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪০-৫০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৬০ টাকায়। পেঁপে ৩০-৩৫ টাকায় কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া পটল ৬০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা, মানভেদে কাঁচা মরিচ ৪০-৬০ টাকা কেজি, মুলা ৪০ টাকা ও চিচিঙ্গা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরিবর্তিত রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও সোনালী মুরগির দাম। ব্রয়লার ১৫০ টাকা কেজি দরে, সোনালী ও লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা কেজি দরে। যা গত সপ্তাহেও একই দরে বিক্রি হয়েছিল।

তবে খাশির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা কেজি দরে। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৮৫০ টাকা ধরে। অপরিবর্তির রয়েছে গরুর মাংস। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা দরে।

বাজার করতে আসা ফজলুল হক নামের এক কলেজ শিক্ষক বলেন, প্রতিটি পণ্যের দাম অনেক বেশি। বিষয়টি সরকারের নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। সব পণ্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। মানুষ কষ্টে আছে। গুরুত্ব সহকারে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ না করলে দরিদ্র্য সীমার নীচে বাস করা মানুষের দুর্গতি আরও বাড়বে। প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এত বৃদ্ধির ফলে দরিদ্র্যর হার আরও বৃদ্ধি পাবে। তাই এখনই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

সাইফুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা বলেন, সবজির দাম কিছুটা সহনীয়, কিন্তু অন্যান্য পণ্যের দাম ক্রয় সীমার বাইরে। কসমেটিক থেকে শুরু করে তেল, পেঁয়াজ, লবন, মরিচ, হলুদ, রসুন আদা ইত্যাদি পণ্যের দাম নাগালের বাইরে। সরকারের উচিত এটি নিয়ন্ত্রণ করা।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে আমরা নিয়মিত তদারকি করছি। অসামঞ্জস্য কিছু পেলে জরিমানাসহ বিভিন্ন সাজা দেওয়া হচ্ছে। অসাধু পন্থায় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি করা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলেই অভিযান চালানো হচ্ছে।

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে সোনা
                                  

অনলা্ইন ডেস্ক : দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালোমানের সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নতুন দাম রোববার (৪ ডিসেম্বর) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

এর আগে গত ১৮ ও ১৩ নভেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। ফলে ২১ দিনের মধ্যে দেশের বাজারে তিন দফা বাড়লো সোনার দাম। এতে দেশের বাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছে গেছে দামি এ ধাতুটি।

এর আগে চলতি বছরের ১১ সেপ্টেম্বর সব থেকে ভালোমানের সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ২৮৩ টাকা বাড়ানো হয়। এতে ভালোমানের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকা। দেশের বাজারে এতদিন এটিই সোনার সর্বোচ্চ দাম ছিল।

এখন সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছালো সোনার দাম। ভালোমানের সোনার পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের সোনার দাম। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৩৩ টাকা পর্যন্ত। তবে রুপার দামে কোন অপরিবর্তিত আসেনি।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি শনিবার বৈঠক করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমেছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজুস সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ৪ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী— সব থেকে ভালোমানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭১ হাজার ৩৮৪ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ৭৯৯ টাকা বাড়িয়ে ৫৯ হাজার ৪৮৬ টাকা করা হয়েছে।

সোনার দাম বাড়লেও রুপার আগের নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৮ ও ১৩ নভেম্বর সোনার দাম বাড়ানো হয়। তার আগে ২৫ অক্টোবর এবং ২৭, ১৯ ও ১৫ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়। তার আগে ১১ সেপ্টেম্বর এবং ২২ আগস্ট সোনার দাম বাড়ানো হয়। এর আগে ১৮ আগস্ট সোনার দাম কিছুটা কমানো হয়েছিল। তবে ৪ ও ৭ আগস্ট এবং ২৭ ও ২৯ জুলাই সোনার দাম বাড়ানো হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে সোনার দাম বাড়া-কমার চিত্র
>> গত ১৮ নভেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫৭০ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ২১৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ৯৩৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ৬৮৭ টাকা করা হয়।

>> গত ১৩ নভেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৪৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৭৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৯২৪ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ৫২১ টাকা করা হয়।

>> গত ২৫ অক্টোবর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৮০ হাজার ১৩২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৫ হাজার ৫৫২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৮১৭ টাকা কমিয়ে ৫৪ হাজার ৩৫৪ টাকা করা হয়।

>> গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৮৬ টাকা কমিয়ে ৮০ হাজার ২৯৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৯১ টাকা কমিয়ে ৭৭ হাজার ৬২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকা করা হয়।

>> গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৮৭৫ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫৮৩ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা করা হয়।

>> গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা কমিয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৪৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৬৮ হাজার ১১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৫৬ হাজার ৪৫৪ টাকা করা হয়েছে।

>> ১১ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৬৯ হাজার ১৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৫৭ হাজার ৩৮৭ টাকা করা হয়।

>> ২২ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৯ হাজার ৪৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৯২ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ১১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ২২০ টাকা করা হয়।

>> ১৮ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২৭৫ টাকা কমিয়ে ৮২ হাজার ৫৬ টাকা করা হয়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৩২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৮৬৭ টাকা কমিয়ে ৬৭ হাজার ১২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৬৯২ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ২৮৭ টাকা করা হয়।

>> ৭ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৯৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকা করা হয়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৮৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৪৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ৯৯৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ৯৭৯ টাকা করা হয়।

>> ৪ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৫২৫ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ৬৯৬ টাকা করা হয়।

>> ২৯ জুলাই ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৭৪১ টাকা বাড়িয়ে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৫৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৭ হাজার ৫৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৯২৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকা করা হয়।

>> ২৭ জুলাই ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৫৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৮৪ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা করা হয়। সে সময় অপরিবর্তিত রাখা হয় সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম।

>> ১৭ জুলাই ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৭ হাজার ২১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৩ হাজার ২১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি সোনার দাম ৭৫৮ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ৭২১ টাকা করা হয়।

>> ৭ জুলাই ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৩৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৭৪ হাজার ৮৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৭৫৯ টাকা কমিয়ে ৫৩ হাজার ৪৭৯ টাকা করা হয়।

>> ২৬ মে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৭ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৫৪৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৭৯৯ টাকা কমিয়ে ৭৫ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪৯৯ টাকা কমিয়ে ৬৫ হাজার ৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৯৮২ টাকা কমিয়ে ৫৪ হাজার ২৩৮ টাকা করা হয়।

বিশ্ববাজারে বেড়েছে সোনার দাম
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গেল সপ্তাহে বিশ্বাবাজারে সোনার দামে বড় উত্থান হয়েছে। এক সপ্তাহেই প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪০ ডলারের ওপরে বেড়ে গেছে। সোনার পাশাপাশি বেড়েছে রুপা ও প্লাটিনামের দামে। এক সপ্তাহে রুপার দাম ৭ শতাংশের ওপরে বেড়েছে। আর প্লাটিনামের দাম বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের শুরুতে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ১ হাজার ৭৫৫ দশমিক ১১ ডলার। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসের লেনদেনের এক পর্যায়ে সোনার দাম বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৮০৩ দশমিক ৯৬ ডলারে উঠে যায়। তবে শেষ কার্যদিবসে দাম কিছুটা কমেছে।

এতে সপ্তাহ শেষে প্রতি আউন্স সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৯৭ দশমিক ৩৫ ডলার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সোনার দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ বা ৪২ দশমিক ২৪ ডলার। আর মাসের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েছে ১০ দশমিক ৩২ ডলার।

এদিকে দেশের বাজারে সম্প্রতি দুই দফা সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। গত ১৩ ও ১৮ নভেম্বর এই দাম বাড়ানো হয়। এর মধ্যে সর্বশেষ ১৮ নভেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ১ হাজার ৫৭০ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ২১৪ টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ৯৩৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ৬৮৭ টাকা করা হয়েছে।

তার আগে ১৩ নভেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৪৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৭৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৯২৪ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ৫২১ টাকা করা হয়।

এদিকে সোনার পাশাপাশি গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে রুপা ও প্লাটিনামের দামও বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে রুপার দাম ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ২৩ দশমিক ১৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১৪ দশমিক ৩২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

আরও বেড়েছে চালের দাম
                                  

অনলাইন ডেস্ক : এক সপ্তাহের ব্যবধানে নতুন করে বেড়েছে মোটা চালসহ প্রায় সব ধরনের চালের দাম। মোটা চাল ন্যূনতম কেজিপ্রতি বেড়েছে ২ টাকা। আর মাঝারি ও চিকন চালের দাম বেড়েছে ২-৫ টাকা পর্যন্ত।

অন্যদিকে বাজারে কমেছে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম। কিছুটা কমতি সবজির দামও। তেল, চিনি, আটা, ডাল ও অন্যান্য মুদি উপকরণের দাম আগের মতোই রয়েছে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র।

মালিবাগ রেলগেট বাজারে চাল বিক্রেতা সফি উদ্দিন বলেন, মৌসুম শেষ হওয়ার কারণে চালের দাম বাড়ছে। আমনের চাল কিছুদিনের মধ্যে বাজারে আসবে। তখন আবারও দাম কমতে পারে।

তার দেওয়া হিসাবে, বাজারে মোটা পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৬০ টাকা। মাঝারি মানের মিনিকেট ৭০-৭২ টাকা ও সরু নাজির চাল ৭৫-৮৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এরমধ্যে পাইজাম চালের দাম বেড়েছে ২ টাকা, মিনিকেট ২ টাকা ও ভালো মানের নাজিরশাইল চালের দাম বেড়েছে ৫ টাকা। চিকন চালের দাম কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে ৬৮ টাকা, মাঝারি বা পাইজাম চাল ২ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা এবং মোটা চাল কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বাজারে গত এক মাসে তিন দফা বেড়ে আটার দাম প্রতি কেজি ৭৫ টাকায় ঠেকেছে। বাজারে দুই কেজি ওজনের প্যাকেটজাত আটা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। খোলা আটা নিলে পাওয়া যাচ্ছে ৫-১০ টাকা কমে।


কারওয়ান বাজারে আবু হানিফ নামের একজন চাল বিক্রেতা বলেন, আটা-ময়দার দাম বাড়ার প্রভাব চালেও পড়ছে। দরিদ্র মানুষ রুটি খাওয়া বাদ দিয়ে এখন ভাত খাচ্ছে।

বাজারে কথা হয় বেশ কিছু ক্রেতার সঙ্গে। সে সময় উজ্জল হোসেন নামের একজন পরিবহন শ্রমিক বললেন, যখন চালের কেজি ৫০ টাকা ছিল তখন ৩২ টাকায় এককেজি আটা কেনা যেত। এখন লাগে ৬৫ টাকা। সেজন্য সকালে রুটি খাওয়া বন্ধ করেছেন তিনি।

অন্যদিকে বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে দুই সপ্তাহ আগে বেড়ে যাওয়া তেল ও চিনির দাম। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯০ টাকা এবং চিনির দাম ১০৭ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। তবে চিনি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা আর ১৯০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে তেল-চিনি।

এতসব বাড়তির মধ্যে শুধু কমেছে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম। রাজধানীর পাইকারি বাজার ও খুচরা পর্যায়ের ডিম ব্যবসায়ীরা জানান, এখন পাইকারিতে প্রতি ডজন বাদামি রঙের ডিমের দাম ১১০ টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীরা হালিপ্রতি ডিমের দাম রাখছেন এখন ৪০ টাকা। এতে প্রতি ডজনের দাম দাঁড়ায় ১২০ টাকা। এক মাসের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে কমেছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।

অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগি এখন প্রতিকেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এর প্রভাবে কিছুটা কমেছে সোনালি মুরগির দামও। কেজিপ্রতি সোনালি মুরগির দাম পড়ছে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা। যা গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২০ টাকা কম।

এছাড়া বাজারে শীতকালীন সবজি প্রচুর থাকলেও সে অনুযায়ী দাম কমেনি।

খুচরা বাজারে পেঁপে ৩০ আর মুলা ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। শীতকালীন অন্যান্য সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় কেনাবেচা চলছে। কিছু সবজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হচ্ছে, যেগুলো গ্রীষ্মের। এরমধ্যে শিম, পটলের তুলনায় অন্য সবজির দাম বেশি। পাকা বা আমদানি করা টমেটোর কেজি ১১০ থেকে ১২০, গাজর ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বিকাশ অ্যাপে ৫০ টাকা মোবাইল রিচার্জে ১৬ টাকা ক্যাশব্যাক
                                  

নিউজ ডেস্ক : বিকাশ অ্যাপ দিয়ে নিজের নম্বরে ৫০ টাকা মোবাইল রিচার্জ করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ১৬ টাকা ক্যাশব্যাক। বুধবার (১ ডিসেম্বর) চালু হওয়া এ অফার চলবে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। একজন গ্রাহক বিকাশ অ্যাপ থেকে একবারই এ ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন।

মোবাইল রিচার্জ করতে বিকাশ অ্যাপের হোমস্ক্রিন থেকে ‘মোবাইল রিচার্জ’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। পরের ধাপে মোবাইল নম্বর নির্বাচন করতে হবে। এরপর ৫০ টাকা টাইপ করে পিন নম্বর দিলে রিচার্জ হয়ে যাবে। রিচার্জের পরবর্তী কার্যদিবসের মধ্যে গ্রাহক তার বিকাশ অ্যাকাউন্টে ১৬ টাকা ক্যাশব্যাক পেয়ে যাবেন।

এয়ারটেল, বাংলালিংক, গ্রামীনফোন, রবি এবং টেলিটকের সব নম্বরের ক্ষেত্রেই অফারটি প্রযোজ্য হবে।

যেকোনো সময় দেশের যেকোনো স্থান থেকে নিজের বা প্রিয়জনের মোবাইলে রিচার্জ করার সুযোগ থাকায় বিকাশের এ সেবা গ্রাহকদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিকাশ অ্যাপ থেকে মোবাইল রিচার্জে বিভিন্ন অপারেটরের সাথে বিভিন্ন ধরনের অফার রয়েছে।

গ্রাহক তার ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী- নিজস্ব মোবাইল অপারেটরের ভয়েস, ডাটা প্যাক অথবা বান্ডেল কিনতে পারেন। এমনকি সেরা অফার তুলনার সুযোগও রয়েছে বিকাশ অ্যাপে।

যেমন- একজন গ্রাহক হয়তো ৫০ টাকা রিচার্জ করতে চান। তিনি ৫০ টাকা টাইপ করার পর ‘চেক অফার’ অপশনে ক্লিক করলে ৫০ টাকা বা তার আশেপাশের অ্যামাউন্টে যত অফার আছে সব একসঙ্গে দেখতে পারবেন এবং সেরা অফারটি বেছে নিতে পারবেন।

রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্যবসায়ী ও করদাতাদের সুবিধার্থে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে সময় বাড়ানোর ঘোষণা দেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

রহমাতুল মুনিম বলেন, সময় বাড়ানোর বিষয়ে মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজকে সার্কুলার হিসেবে আসতে পারে। অনেক সংগঠনের দাবি ও জনগণের সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া যাতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে না হয় এজন্য সবাইকে মাসের প্রথমে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।

করোনা মহামারি বিবেচনায় এ বছর আয়কর মেলা না হলেও এনবিআরের আওতাধীন সারাদেশে ৩১টি কর অঞ্চলে মেলার মতো সেবা দেওয়া হচ্ছে।প্রতিটি কর অঞ্চলে জোনভিত্তিক বুথ, ই-টিআইএন ও তথ্যসেবা বুথ রাখা হয়েছে। বর্তমানে ৮২ লাখের বেশি কর শনাক্তকারী নম্বরধারী (টিআইএন) করদাতা রয়েছেন। তবে, এখন পর্যন্ত ২২ লাখের মতো রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

পূর্ব নির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন আজ ৩০ নভেম্বর। তবে মঙ্গলবারের তথ্যানুযায়ী মোট ২২ লাখ আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে। এবার অন্তত ৫০ লাখ রিটার্ন জমা পড়বে বলে আশা করছে এনবিআর।

ব্যাংকের অবস্থা কোথায় খারাপ লিখিত দেন: অর্থমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশের ব্যাংকগুলোর বর্তমান হালচাল নিয়ে বিভিন্ন মহলের সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ব্যাংকের অবস্থা কোথায় খারাপ লিখিত দিয়ে যান, আমরা খতিয়ে দেখবো।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সচিবালয়ে গৃহনির্মাণ ঋণ ব্যবস্থাপনা মডিউলের উদ্বোধন উপলক্ষে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার যে সর্বজনীন পেনশন স্কিম করেছে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

মুস্তফা কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে সরকারি কর্মচারীদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান নীতিমালা’ প্রণয়ন করা হয়।

তিনি বলেন, বর্তমানে সরকারি কর্মচারী, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের শিক্ষক/কর্মচারী এবং প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ কার্যক্রম চলমান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গৃহনির্মাণ ঋণের জন্য এখন যে ব্যবস্থা চালু রয়েছে তাতে দেখা যায় অধিকাংশ সময় একজন আবেদনকারীর আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে বেশ সময় লেগে যায়। আবেদনের অবস্থা কী বা কোন পর্যায়ে আছে সেটা জানারও কোনো সুযোগ আবেদনকারীর থাকে না।

তিনি বলেন, ঋণ আবেদন প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজ করা হলে এ ধরনের সমস্যা দূর হবে বলে আশা করা যায়। একই সঙ্গে আবেদনকারী সরাসরি অনলাইনে অর্থ বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। এবং ব্যাংক ও মন্ত্রণালয় মিলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অর্থ বিভাগ থেকে সুদ ভর্তুকির মঞ্জুরি আদেশ জারি করা সম্ভব হবে।

অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক মো. নুরুল ইসলাম এবং অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুরশেদুল কবীর।

গ্যাস সংকট কাটবে জানুয়ারিতে: বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প উৎপাদন বিঘ্ন হচ্ছে। এটি সাময়িক সমস্যা বলে মন্তব্য করে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, আগামী জানুয়ারি মাস থেকে এই সংকট কেটে যাবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) সিরামিক এক্সপো বাংলাদেশ- ২০২২ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিরামিক শিল্প বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় একটি খাত। দেশে উৎপাদিত হওয়া সিরামিক পণ্য চাহিদার ৮৫ ভাগ পূরণ করছে। এরই মধ্যে ৫০টি দেশের এক বিলিয়ন ডলার পরিমাণ সিরামিক পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। সিরামিক পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি যেন আরও বাড়ানো যায় সে অনুসারে ব্যবসায়ীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে সরকার।

তিনি বলেন, তৈরি পোশাকের মতো সিরামিকসহ যেসব খাতের পণ্য বিদেশে রপ্তানি করতে চায় তাদের সব সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমইএ) সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, বিসিএমইএ মহাসচিব ইরফান উদ্দিন।

বিসিএমইএ আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এশিয়ার অন্যতম এ সিরামিক মেলায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০টি দেশের ১২০টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ১৫০টি ব্রান্ড নিয়ে অংশ নিয়েছে। তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী দর্শনার্থী ও ক্রেতা বিক্রেতাসহ সবার জন্য প্রবেশ ফি ছাড়া উন্মুক্ত থাকবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, দেশের রপ্তানি পণ্যের মধ্যে সিরামিক খাত ক্রমেই অবস্থান সুসংহত করে চলেছে। ৫০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য। সম্ভাবনাময় এই খাতকে আরও এগিয়ে নিতে তৎপর রয়েছেন দেশের সিরামিক শিল্প উদ্যোক্তারা। এরই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় বারের মতো রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী সিরামিক এক্সপো-২০২২।

অনুষ্ঠানে বিসিএমইএ সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা বলেন, দেশে এরই মধ্যে সিরামিক, টেবিলওয়্যার, টাইলস ও স্যানিটারি ওয়্যারের ৭০টিরও বেশি শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় বাজারে বিক্রয়ের পরিমাণ বার্ষিক প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। গত দশ বছরে সিরামিক খাতে উৎপাদন বেড়েছে ২০০ শতাংশ এবং বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে সিরামিক পণ্য রপ্তানি করে বছরে আয় প্রায় পাঁচশ কোটি টাকা। এ খাতে রপ্তানি আয় বাড়ছে, বিনিয়োগও বাড়ছে।

তিনি বলেন, এ শিল্পে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ এ খাতটির সঙ্গে জড়িত। তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী দর্শনার্থী ও ক্রেতা-বিক্রেতাসহ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে। মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।

মেলার প্রিন্সিপাল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে আকিজ সিরামিকস, প্লাটিনাম স্পন্সর শেলটেক সিরামিকস ও ডিবিএল সিরামিকস এবং কো-স্পন্সরস হিসেবে থাকছে মীর সিরামিক, আবুল খায়ের সিরামিক, বিএইচএল সিরামিক, এইচএলটি ডিএলটি টেকনোলোজি ও সাকমি।

ওয়েম কমিউনিকেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এক্সপোতে একই ছাদের নিচে রয়েছে ১৫ দেশের ৯০ প্রতিষ্ঠান ও ২০০ ব্র্যান্ড। এছাড়া অংশ নেবেন ৩০০ আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও ক্রেতা।

মেলার তিনদিনে থাকছে পাঁচটি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিটুবি এবং বিটুসি মিটিং, রাফেল ড্র, আকর্ষণীয় গিফট, লাইভ ডেমোনস্ট্রেশন, স্পট অর্ডার এবং নতুন পণ্যের মোড়ক উন্মোচনের সুযোগ।

১ জানুয়ারি থেকে পূর্বাচলে বাণিজ্যমেলা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২৭তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা (ডিআইটিএফ) শুরু হচ্ছে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি। রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে এ মেলা।

বুধবার (২৩ নম্বর) এ তথ্য জানান রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী।

করোনার কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এর পরের বছর অর্থাৎ চলতি বছরের ১ জানুয়ারি মেলা আয়োজন করা হয়। তবে মেলার স্থান পরিবর্তন করায় দর্শনার্থীর ভিড় তুলনামূলক কম ছিল।

ইফতেখার আহমেদ বলেন, আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা শুরু হবে। প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের একাধিক প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নেবে। সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, কোরিয়া ও ভারত থেকে অনেক প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে। আরও বহু দেশ অংশ নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করছে। মেলায় অংশ নেওয়া দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও গতবারের চেয়ে বেশি হবে।

তিনি বলেন, গতবারের তুলনায় এ বছর যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ভালো হয়েছে। আশা করছি, গতবারের চেয়ে অনেক ভালো হবে।

২০২২ সালের মেলার সাধারণ দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে কুড়িল থেকে মেলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত বিআরটিসি ডেডিকেটেড সার্ভিসের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, এবারও তেমন ব্যবস্থা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। মেলায় বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট ২৩টি প্যাভিলিয়ন, ২৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন, ১৬২টি স্টল এবং ১৫টি ফুড স্টল দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

রিজার্ভ ৩৪.২১ বিলিয়ন ডলারে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশের মধ্যে ডলার সংকট চরমে। এ সংকটের মধ্যেই অর্থনীতির অন্যতম সূচক রেমিট্যান্স গতি নেতিবাচক ধারায়। যদিও চলতি অর্থবছরের শুরুর মাস জুলাই ও এর পরের মাস আগস্টে দুই বিলিয়ন ডলার করে রেমিট্যান্স এসেছিল। এরপর টানা দুই মাস দেড় বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে আসে রেমিট্যান্স। চলতি নভেম্বরে দুই বিলিয়ন ডলারের ঘরে পৌঁছাতে পারবে না। এখন পর্যন্ত ভালো অবস্থায় আসেনি রেমিট্যান্সের ধারা। যদিও বৈধপথে রেমিট্যান্স বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার।

এদিকে চলমান ডলার সংকট মোকাবিলায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে প্রতিনিয়ত ডলার সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি নভেম্বরের শুরুতে ৩৫ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ থাকলেও এখন তা কমে ৩৪ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ রিজার্ভ দিয়ে চার মাসের (প্রতি মাসে ৮ বিলিয়ন হিসাবে) আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।

তবে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি অনুসরণ করে দেশের রিজার্ভ থেকে আরও ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বাদ যাবে। সেক্ষেত্রে দেশের রিজার্ভ হবে ২৫ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে রেমিট্যান্স আসার গতিও স্লোথ হয়েছে। চলতি মাস নভেম্বরের প্রথম ১৮ দিনে প্রায় ১০৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত ১ নভেম্বর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ মজুত ছিল ৩৫ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। গত ৭ নভেম্বর আরও কিছুটা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে। এরপর নভেম্বরের ৭ তারিখ রিজার্ভ থেকে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ১৩৫ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়। পাশাপাশি আমদানি দায় মেটাতে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার বিক্রি করা হয় রিজার্ভ থেকে। ফলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে প্রায় ৩৪ দশমিক ২৮ বিলিয়নের নেমে আসে।

গত ৯ নভেম্বর রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন, ১৪ নভেম্বর বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারে, ১৫ নভেম্বর রিজার্ভ থেকে ১১৫ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করায় তা নেমে আসে ৩৪ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে। ১৬ নভেম্বর ৬৯ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করায় রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩৪ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলারে, ১৭ নভেম্বর আবারও বেড়ে ৩৪ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার হয়। পরে তা কমে সোমবার (২১ নভেম্বর) রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে।

আইএমএফ বলছে, রিজার্ভ থেকে অর্থ নিয়ে আলাদাভাবে বিভিন্ন তহবিল গঠন ও সেখান থেকে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। আবার সেসব অর্থ রিজার্ভে দেখানো হচ্ছে। এতে রিজার্ভ বেশি দেখানো হচ্ছে বাংলাদেশর, যা বিভ্রান্তি তৈরি করছে। রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) সরবরাহ করা ৭ বিলিয়ন এবং শ্রীলঙ্কাকে দেওয়া ২০ কোটি ডলার দেশের রিজার্ভে দেখাচ্ছে। তাছাড়া গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (জিটিএফ) ২০ কোটি, লং টার্ম ফিন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি (এলটিএফএফ) তহবিলে ৩ কোটি ৮৫ লাখ, সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানকে ৪ কোটি ৮০ লাখ এবং ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইটিএফসি) আমানত রিজার্ভে দেখাচ্ছে।

আইএমএফের মতে, সবমিলিয়ে বর্তমানে রিজার্ভে যে অর্থ দেখানো হচ্ছে, সেখান থেকে ৮ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার বাদ যাবে। সে হিসাবে সোমবার দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ মজুত দাঁড়ায় ২৫ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রতিনিয়ত ওঠানামা করে। এখান থেকে সরকারি ক্রয়ে ডলার ছাড় করা হয়। আবার প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিনিয়ত রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। এক্ষেত্রে বলা যায় প্রতিদিনই রিজার্ভ কম-বেশি হয়। তবে আমাদের যে রিজার্ভ পজিশন সেটিতে ভয়ের কিছু নেই।

অন্যদিকে, নভেম্বরের প্রথম ১৮ দিনে প্রায় ১০৬ কোটি (১০৫ কোটি ৯৯ লাখ) ডলার বা ১ দশমিক শূন্য ৫ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। প্রতি ডলার ১০৮ টাকা হিসাবে এর পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা। প্রবাসী আয়ের এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি নভেম্বরের পুরো সময়ে ১৭৬ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

নভেম্বরের প্রথম ১৮ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮ কোটি ৮২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আর বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৮৪ কোটি ৩৯ লাখ ডলার, বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৭ লাখ ডলার এবং বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে দুই কোটি ৩৯ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের (২৭ কোটি ২২ লাখ ডলার) মাধ্যমে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৭ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, ডাচ্–বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার, সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ কোটি ৪২ লাখ এবং আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

তবে, এ সময়ে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, বিদেশি হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে।

বৈধ উপায়ে ওয়েজ আর্নার্স রেমিট্যান্সের বিপরীতে আড়াই শতাংশ নগদ প্রণোদনা, রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের সিআইপি সম্মাননা, অনিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিনিয়োগ ও গৃহায়ন অর্থায়ন সুবিধা দেওয়াসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাছাড়া রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স বাড়াতে হুন্ডি প্রতিরোধের নতুন কৌশলে নিয়েছে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে গঠিত আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ। হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্সে পাঠানোয় জড়িত অভিযোগে ২৩০ জন বেনিফিশিয়ারির হিসাব সাময়িকভাবে উত্তোলন স্থগিত করে আর্থিক সংস্থাটি। পরে বৈধপথের প্রতিশ্রুতিতে এসব হিসাবগুলো পুনরায় খুলে দেওয়ার কথা জানানো হয়।

জিএসপি সুবিধা বহাল রাখতে ইতালির সমর্থন চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : উন্নয়নশীল দেশে (এলডিসি) উত্তোরণের পরে আরও ৬ বছর অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি) পাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষে ইতালির সমর্থন চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সোমবার সচিবালয়ে নিজ অফিসকক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নুনজিয়াতার সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই সমর্থনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ বর্তমানে ইতালিসহ অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা ভোগ করছে। ২০২৬ সালে এলডিসি উত্তোরণের পর আরও তিন বছর এই সুবিধা বহাল থাকবে। তবে বাংলাদেশ এলডিসি উত্তোরণের পরে ন্যুনতম আরও ৬ বছর জিএসপি সুবিধা বহাল রাখার আলোচনা করছে।

মতবিনিময়কালে বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইতালির ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ করার আহবান জানান।

তিনি বলেন,‘ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। এর অনেকগুলোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং ইতোমধ্যে অনেক কারখানা চালু হয়ে গেছে।’ তিনি বলেন, ইতালির ব্যবসায়ীরা এখানকার বিনিয়োগ উপযুক্ত পরিবেশে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন।
টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশে কম খরচে দক্ষ জনশক্তি ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। এখানে কম খরচে বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। তাই বিদেশী বিনিয়োগ নিয়ে এলে, তারা লাভবান হবেন।

তিনি বলেন, ইতালির সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বহু পুরনো। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় বাজার ইতালি। সেখানে অনেক বাংলাদেশী সুনামের সাথে কাজ করছে। বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ইতালির তৈরি যন্ত্রাংশ বাংলাদেশের শিল্প-কারখানা এবং মেডিকেল মেশিনারিজ প্রচুর ব্যবহার হচ্ছে। উভয় দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির অনেক সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নুনজিয়াতা বলেন, বাংলাদেশ পোশাক উৎপাদনে বেশ সফল হয়েছে এবং ইতালিতে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইতালির অনেক পণ্য বাংলাদেশ আমদানি করে। উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর অনেক সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি একে কাজে লাগানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি উভয় দেশের মধ্যে পর্যটক বিনিময়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ইতালির মদ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ২,২৬২.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক পণ্য, হালকা প্রকৌশল শিল্পসহ বিভিন্ন পণ্য ইতালিতে রপ্তানি করে ১,৭০৮.২৯ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে, একই সময়ে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ৫৫৪.৭০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। বাসস

পাইকারিতে বিদ্যুতের দাম বাড়লো প্রায় ২০ শতাংশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৯২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। আজ (সোমবার) বিদ্যুতের পাইকারি দাম ঘোষণা সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

এর ফলে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের প্রতি ইউনিট ৫ টাকা ১৭ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ২০ পয়সা হয়েছে। আগামী বিল মাস ডিসেম্বর থেকেই নতুন এই মূল্য কার্যকর হবে বলেও জানিয়েছে কমিশন।

বিইআরসি সর্বশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিদ্যুতের পাইকারি দর ইউনিটপ্রতি ৫ টাকা ১৭ পয়সা নির্ধারণ করেছিল। এরপর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) গত ১২ জানুয়ারি বিদ্যুতের পাইকারি দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৬৬ শতাংশ দাম বাড়ানোর আবেদন করে। ১৮ মে তাদের প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি হয়।

শুনানিতে বিইআরসির কারিগরি কমিটি ৫৮ শতাংশ দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে। প্রায় ৫ মাস পর গত ১৩ অক্টোবর বিইআরসি জানায়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ও যৌক্তিক কারণ দেখাতে না পারায় পিডিবির আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

১৩ অক্টোবরের সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল আরও বলেন, পিডিবি যে প্রস্তাবনা দিয়েছে তা অস্পষ্ট ছিল। তবে আজকের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো আপত্তি থাকলে তারা রিভিউ আবেদন করতে পারে। সেক্ষেত্রে তাদেরও নিজেদের সব তথ্য স্পষ্ট ও নতুন করে উত্থাপন করে রিভিউ আবেদন করতে হবে। তারপর আইন যা বলে আমরা সেটিই করবো। এ নিয়ে আরেকটি গণশুনানিও হতে পারে বা সরাসরি বিবেচনায়ও আনা যেতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ২ নভেম্বর পিডিবি ও বিদ্যুৎ বিভাগ এবং ৬ নভেম্বর বিইআরসির সঙ্গে বৈঠক করে ঢাকা সফরকারী আইএমএফ প্রতিনিধি দল। এ সময় বিদ্যুতের দাম, ভর্তুকি ও পিডিবির লোকসান নিয়ে আলোচনা হয়। এরপর কমিশনের আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করে পিডিবি।

আজ (সোমবার) সংবাদ সম্মেলন করে দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন বিইআরসি চেয়ারম্যান। এসময় কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, সদস্য আবু ফারুক, সদস্য মকবুল ই ইলাহী, সদস্য বজলুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে পিডিবির ১৪-১৫ টাকা খরচ হচ্ছে। তাই দিন দিন লোকসান বাড়ছে সংস্থাটির। পিডিবি জানিয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে তাদের লোকসান ছিল ১১ হাজার ৫০৯ কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩১ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায় লোকসান। চলতি অর্থবছরে (২০২২-২৩) লোকসানের পরিমাণ ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

এদিকে পাইকারিতে দাম বাড়ানো হচ্ছে- এমন খবরে বিতরণ কোম্পানিগুলোও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন তৈরি করছে। পাইকারি বিদ্যুতের দর যতটুকু বাড়বে, তা ধরেই গ্রাহক পর্যায়ে মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব দেবে ৬ বিতরণ কোম্পানি। এসব প্রস্তাবের ওপর শুনানি করে নতুন মূল্য ঘোষণা করবে বিইআরসি।

বাহারি ডিজাইনের শীতের পোশাক আনলো ‘সারা’
                                  

নিউজ ডেস্ক : প্রকৃতিতে মিষ্টি হিমেল হাওয়া জানান দিচ্ছে শীতের আগমন। শীত এলেই পোশাকের আয়োজন নিয়ে ফ্যাশন সচেতন মানুষের মধ্যে চলে বেশ তোড়জোড়। আর শীতে ফ্যাশন মানেই ‘সারা’ লাইফস্টাইলের শীতকালীন সংগ্রহ। শীতকালীন পোশাকের এ আয়োজনে হালকা এবং ভারি শীতে পরার জন্য শতাধিক ডিজাইনের জ্যাকেট নিয়ে থাকছে এবারের ‘সারা’র শীতের কালেকশন।

প্রতিবছরের মতো এবারও দেশের অন্যতম জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘সারা’ নিয়ে এসেছে সাশ্রয়ীমূল্যে বাহারি ডিজাইনের নতুন শীতকালীন পোশাকসামগ্রী। বৈচিত্র্যময় এসব পোশাক হালের ট্রেন্ডি ফ্যাশন ও স্বাচ্ছন্দ্যের সংমিশ্রণে প্রস্তুত করা হয়েছে।

‘সারা’র শীতকালীন কালেকশনে এবারের থিম হচ্ছে ‘সিম্পলি স্পোর্টি’। খেলাধুলাকে প্রাধান্য দিয়ে নান্দনিকভাবে ডিজাইন করা হয়েছে এবারের শীতের কালেকশন। টাফেটা, টুইল, ডেনিম ও টেনসিল ডেনিম কাপড়ের তৈরি শীতের পোশাকগুলো দেখতে যেমন আকর্ষণীয় শীত নিবারণের জন্যও বেশ আরামদায়ক।

‘সারা’ লাইফস্টাইলের এ বছরের শীতকালীন কালেকশনে থাকছে সব বয়সী ক্রেতাদের জন্য পোশাক। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি সারাতে আছে শিশুদের জন্য বিশেষ কালেকশন। বরাবরের মতোই ‘সারা’ এবারও নিয়ে এসেছে সাশ্রয়ীমূল্যে প্রায় শতাধিক ডিজাইনের শীতকালীন পোশাকসামগ্রী। এছাড়া প্রায় অর্ধশতাধিক রঙের ভিন্নতা থাকছে এ শীতকালীন পোশাকের আয়োজনে।

শীতের পোশাক মানে শুধু উষ্ণতাই নয়, ফ্যাশন, গুনগত মান, স্বাচ্ছন্দতা এবং সাশ্রয়ীমূল্যের চমৎকার সমন্বয়ে ‘সারা’র শীত আয়োজনে পুরুষদের জন্য রয়েছে বাহারি ডিজাইনের জ্যাকেট, ফুল স্লিভস টি-শার্ট, ডেনিম জ্যাকেট, ফুল স্লিভস ডেনিম শার্ট, শর্ট স্লিভস ডেনিম শার্ট, ডেনিম শাল।

একইসঙ্গে নারীদের জন্য ‘সারা’ এবার নিয়ে এসেছে বাহারি ডিজাইনের জ্যাকেট, ডেনিম জ্যাকেট, ডেনিম টপস ও কুর্তি। এছাড়া ‘সারা’র রেগুলার ডিজাইনের পোশাক তো থাকছেই।

শীত এলেই শিশুদের প্রতি বাড়তি যত্ন, অধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। আর তাই ‘সারা’ লাইফস্টাইল শিশুদের জন্য নিয়ে এসেছে আরামদায়ক সব শীতকালীন পোশাকের সংগ্রহ। ছেলে শিশুদের জন্য ‘সারা’ এবার নিয়ে এসেছে বাহারি ডিজাইনের জ্যাকেট, ডেনিম শর্ট স্লিভ শার্ট, ডেনিম ফুল স্লিভ শার্ট ও ফুল স্লিভ টি-শার্ট। একইসঙ্গে মেয়ে শিশুদের জন্য রয়েছে বাহারি ডিজাইনের জ্যাকেট, ডেনিম টপস ও কুর্তি।

‘সারা’ বরাবরই শীত আয়োজনে ক্রেতাদের পছন্দের কথা বিবেচনা করে অনাড়ম্বর ডিজাইনের জ্যাকেট বানিয়ে থাকে। এবারের শীতের কালেকশনে মৌলিক ডিজাইনের সঙ্গে খেলাধুলার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে শীতের পোশাকের পসড়া সাজিয়েছে।

‘সারা’র চমৎকার সব স্টাইলিশ পোশাক হতে পারে আপনার এসময়ের সঙ্গী। পার্টি কিংবা বন্ধুদের আড্ডার মধ্যমণি হতে বেছে নিন ‘সারা’ লাইফস্টাইলের বাহারি সব শীতের পোশাক। ৮০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে ‘সারা’র এসব শীতের পোশাক কিনতে পারবেন ক্রেতারা।

স্নোটেক্স গ্রুপ-এর লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘সারা’ যাত্রা শুরু করেছে ২০১৮ সালের মে মাস থেকে। ঢাকার মিরপুর-৬ এ অবস্থিত ‘সারা’র প্রথম আউটলেট নিয়ে কাজ শুরুর পর বসুন্ধরা সিটির লেভেল ১, ব্লক এ এর ৪০ এবং ৫৪ নম্বর শপটি ছিল ‘সারা’র দ্বিতীয় আউটলেট।

তৃতীয় আউটলেটটি হলো বাড়ি-১৯ বি/৪সি ও বি/৪ ডি, ব্লক-এফ, রিং রোড, মোহাম্মদপুর এ ঠিকানায়। উত্তরায় ‘সারা’র পোশাক পাওয়া যাবে হাউজ নম্বর-২২, সোনারগাঁ জনপদ, সেক্টর-৯, উত্তরা, ঢাকা এ ঠিকানায়। বারিধারা জে ব্লকে আছে ‘সারা’র আরেকটি আউটলেট।

বনশ্রী ই ব্লকের ১ নম্বর রোডের ৪৮ নম্বর বাড়িতে রয়েছে ‘সারা’র ষষ্ঠ আউটলেট। ঢাকার বাইরে ‘সারা’র প্রথম আউটলেট রংপুরে জাহাজ কোম্পানির মোড়েই। রাজধানী ঢাকার ওয়ারীতে (বাড়ি ৩৬/১ নম্বর, র‍্যাংকিন স্ট্রিট, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩) রয়েছে ‘সারা’র অষ্টম আউটলেট।

এছাড়া সম্প্রতি রাজশাহীতে (বাড়ি- ৫৩ ও ৫৪, ইউনাইটেড টাওয়ার, রানি বাজার, রাজশাহী-৬০০০) ও রাজধানী ঢাকার বাসাবোতে (বাড়ি- ৯৬/২, পূর্ব বাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪) যথাক্রমে ‘সারা’র নবম ও দশম আউটলেটের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।

আউটলেটের পাশাপাশি সারার নিজস্ব ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ এবং ইনস্টাগ্রাম থেকে ক্রেতারা ঢাকার ভেতরে অর্ডার করে হোম ডেলিভারি পেতে পারেন। এছাড়া ঢাকার বাইরে সারা দেশে কুরিয়ারের মাধ্যমেও আপনার অর্ডারকৃত পণ্য ডেলিভারি পাবেন।


   Page 1 of 45
     অর্থ-বাণিজ্য
‘সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা’ পুরস্কার পাচ্ছে ১২৯ প্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
দাম বাড়ল ১২ কেজি এলপিজির
.............................................................................................
চিনি আমদানিতে ডিউটি কমাতে এনবিআরকে অনুরোধ বাণিজ্যমন্ত্রীর
.............................................................................................
ঝাঁজ বেড়েছে পেঁয়াজের, সবজিতে স্বস্তি
.............................................................................................
দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে সোনা
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে বেড়েছে সোনার দাম
.............................................................................................
আরও বেড়েছে চালের দাম
.............................................................................................
বিকাশ অ্যাপে ৫০ টাকা মোবাইল রিচার্জে ১৬ টাকা ক্যাশব্যাক
.............................................................................................
রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত
.............................................................................................
ব্যাংকের অবস্থা কোথায় খারাপ লিখিত দেন: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
গ্যাস সংকট কাটবে জানুয়ারিতে: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
১ জানুয়ারি থেকে পূর্বাচলে বাণিজ্যমেলা
.............................................................................................
রিজার্ভ ৩৪.২১ বিলিয়ন ডলারে
.............................................................................................
জিএসপি সুবিধা বহাল রাখতে ইতালির সমর্থন চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
পাইকারিতে বিদ্যুতের দাম বাড়লো প্রায় ২০ শতাংশ
.............................................................................................
বাহারি ডিজাইনের শীতের পোশাক আনলো ‘সারা’
.............................................................................................
আবারও বাড়লো সোনার দাম
.............................................................................................
ফের বাড়লো তেল-চিনির দাম
.............................................................................................
বিকাশের ব্র্যান্ড এনডোর্সার হলেন বক্সার সুর কৃষ্ণ চাকমা
.............................................................................................
নতুন ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম নিয়ে এলো কোকাকোলা
.............................................................................................
ব্যাংকিং ব্যবস্থা সুদৃঢ় অবস্থায় আছে: মুখপাত্র
.............................................................................................
আঞ্চলিক বৈষম্য আরও বাড়ছে: পিকেএসএফ
.............................................................................................
শুরুতে নিম্নমুখী শেয়ারবাজার, লেনদেনে ধীরগতি
.............................................................................................
ভরিতে সোনার দাম বাড়লো ২৩৩৩ টাকা
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে সোনার বড় লাফ, বাড়বে দেশেও
.............................................................................................
উন্নয়নশীল দেশগুলো ঋণের বোঝায় জর্জরিত: বিশ্বব্যাংক
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে কম্বল দিলো এনআরবিসি ব্যাংক
.............................................................................................
ঢাকায় আসছেন বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট
.............................................................................................
যেভাবে চেয়েছিলাম সেভাবে আইএমফের ঋণ পাচ্ছি: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের নতুন সূচি
.............................................................................................
বুয়েটশিক্ষার্থী ফারদিনকে হত্যা করা হয়েছে: ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক
.............................................................................................
২৫ কেজি সোনা নিলামে তুলবে বাংলাদেশ ব্যাংক
.............................................................................................
বিদেশ থেকে দেশে রেমিট্যান্স বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে কোনো চার্জ প্রয়োজন নেই : আফজাল করিম
.............................................................................................
এখন থেকে রেমিট্যান্স পাঠাতে চার্জ লাগবে না প্রবাসীদের
.............................................................................................
সুদহার বাড়ানোর বিপ‌ক্ষে এফবিসিসিআই
.............................................................................................
দ্রব্যমূল্য বাড়ায় মানুষের কষ্ট হচ্ছে এটা সত্য: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ব্যাংক লেনদেনে সময় কমলো
.............................................................................................
এলপিজির দাম বাড়ল
.............................................................................................
কর সেবা মাস শুরু
.............................................................................................
প্রাইজবন্ডের ১০৯তম ড্র অনুষ্ঠিত, প্রথম পুরস্কার ০০৯৮৬৬৭
.............................................................................................
শীতের সবজির দাম চড়া, স্বস্তি নেই মাছ-চিনি-চালেও
.............................................................................................
টিসিবির ট্রাক থামতেই দীর্ঘ সারি, সবাই চিনির ক্রেতা
.............................................................................................
বিপাকে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া, খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ২০ শতাংশ
.............................................................................................
সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে: শিল্পমন্ত্রী
.............................................................................................
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের ৩৪৮তম সভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
ফ্যামিলি কার্ডে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু আজ
.............................................................................................
টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড : সোমবার থেকে ১১০ টাকায় সয়াবিন, ৫৫ টাকায় মিলবে চিনি
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে সোনার বড় দরপতন
.............................................................................................
তুরস্কে খনি বিস্ফোরণে ২৫ জন নিহত, আটকা বহু
.............................................................................................
মহামন্দা-দুর্ভিক্ষ: বিশ্বব্যাংকের ১৭০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘোষণা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD