বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * গণপরিবহন সংকটে দুর্ভোগ   * উত্তরপ্রদেশে ব্যাপক বন্যা, ২৪ ঘণ্টায় নিহত ১০   * কমপ্লিট শাটডাউনেও বাস চালানোর নির্দেশনা   * ঢাকায় ১৬ প্লাটুন আনসার ব্যাটালিয়ন মোতায়েন   * কমপ্লিট শাটডাউন ঘিরে কাউকে সহিংসতা করতে দেওয়া হবে না   * আজ সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’   * দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র যাত্রাবাড়ী, টোল প্লাজায় আগুন   * প্রাণহানির প্রতিটি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে : প্রধানমন্ত্রী   * কোটা সংস্কার আন্দোলন : বৃহস্পতিবার সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা   * সাম্য, ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান রাষ্ট্রপতির  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
হামদর্দের নতুন হারবাল ওষুধ অর্থোফিটের লঞ্চিং অনুষ্ঠিত

 

ডেস্ক রিপোর্ট : হামদর্দের নতুন হারবাল ওষুধ অর্থোফিট লঞ্চ করা হয়েছে। রাজধানীর বাংলামোটরে হামদর্দের প্রধান কার্যালয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন হামদর্দ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ মোতাওয়াল্লী ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া।

অর্থোফিট ক্যাপসুলে রয়েছে আনডিনেচার্ড টাইপ-২ কোলাজেন ৪০ মিগ্রা, গ্লুকোসামিন হাইড্রোক্লোরাইড ১৫০ মিগ্রা ও কনড্রয়েটিন সালফেট ১২০ মিগ্রা। অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং জয়েন্টের ব্যথা ও প্রদাহে রোগিদের জন্য অর্থোফিট ক্যাপসুল খুবই কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন।

* জয়েন্টের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে

* দ্রুত সময়ে কার্টিলেজ এর ভাঙ্গন প্রতিরোধ করে

* সহজে ক্ষতিগ্রস্ত কার্টিলেজ রিপেয়ার করে

অর্থোফিট ক্যাপসুল জয়েন্টের ব্যথা ও অস্টিওআর্থ্রাইটিসের লক্ষণসমূহ দ্রুতসময়ে সারিয়ে স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত করে।

হামদর্দের নতুন হারবাল ওষুধ অর্থোফিটের লঞ্চিং অনুষ্ঠিত
                                  

 

ডেস্ক রিপোর্ট : হামদর্দের নতুন হারবাল ওষুধ অর্থোফিট লঞ্চ করা হয়েছে। রাজধানীর বাংলামোটরে হামদর্দের প্রধান কার্যালয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন হামদর্দ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ মোতাওয়াল্লী ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া।

অর্থোফিট ক্যাপসুলে রয়েছে আনডিনেচার্ড টাইপ-২ কোলাজেন ৪০ মিগ্রা, গ্লুকোসামিন হাইড্রোক্লোরাইড ১৫০ মিগ্রা ও কনড্রয়েটিন সালফেট ১২০ মিগ্রা। অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং জয়েন্টের ব্যথা ও প্রদাহে রোগিদের জন্য অর্থোফিট ক্যাপসুল খুবই কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন।

* জয়েন্টের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে

* দ্রুত সময়ে কার্টিলেজ এর ভাঙ্গন প্রতিরোধ করে

* সহজে ক্ষতিগ্রস্ত কার্টিলেজ রিপেয়ার করে

অর্থোফিট ক্যাপসুল জয়েন্টের ব্যথা ও অস্টিওআর্থ্রাইটিসের লক্ষণসমূহ দ্রুতসময়ে সারিয়ে স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত করে।

এপিএ কার্যকরে কাজ করতে হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
                                  

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে (এপিএ) আগামী বছরের জন্য কর্মপরিকল্পনা থাকা উচিত উল্লেখ করে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বাণিজ্য সম্প্রসারণে এপিএ কার্যকরে কাজ করতে হবে। আমাদের ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ ভালো করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে, উদ্ভাবনী সেবাকে বাড়িয়ে তুলতে হবে।

সোমবার (১৫ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি, ইনোভেশন শোকেসিং ২০২৪ এবং শুদ্ধাচার পুরষ্কার (২০২৩-২৪) প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের উদ্যোগে সাপ্লাই চেইন মনিটরিং সিস্টেম সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হবে। দেশের চা শিল্পের উন্নয়নে ইনোভেশন দরকার হবে। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন সফল করতে অর্থনৈতিক কূটনীতি সফল করতে নিজেদের কাজ করতে হবে।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এ বছরের ইনোভেশনে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘সাপ্লাই চেইন মনিটরিং সিস্টেম’ প্রথমস্থান ও টিসিবির স্মার্ট বিপণন ব্যবস্থাপনা দ্বিতীয়স্থান এবং যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের অটোমেটিক পদ্ধতিতে রেকর্ডভুক্তকরণের ব্যবস্থা তৃতীয়স্থান লাভ করে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান আহমেদ মুনিরুস সালেহীন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব নাভিদ শফিউল্লাহ, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়াধীন দপ্তরগুলোর প্রধানরা এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সোনার দামে রেকর্ড, ভরি ১ লাখ ২০ হাজার ৮১ টাকা
                                  

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ১ হাজার ১৯০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৮১ টাক হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে উঠেছে সোনা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। আগামীকাল সোমবার (১৫ জুলাই) থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

এর আগে দেশের বাজারে এক ভরি সোনা সর্বোচ্চ ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৩৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকে ২০ এপ্রিল বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়।

রোববার (১৪ জুলাই) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরবর্তীতে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৯০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৮১ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৩১ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৪ হাজার ৬২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৯৬৮ টাকা বাড়িয়ে ৯৮ হাজার ২৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৮০৫ টাকা বাড়িয়ে ৮১ হাজার ২২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৮ জুলাই সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬০৩ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯১ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫৪০ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৩১৮ টাকা বাড়িয়ে ৯৭ হাজার ২৭৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮৪ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৪২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আজ রোববার পর্যন্ত এ দামেই সোনা বিক্রি হয়েছে।

সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চালের দাম আরও বাড়লো, সবজি আলু পেঁয়াজেও অস্বস্তি
                                  

নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমূল্যে নিত্যদিনের ভোগান্তি যেন কমছেই না। এতে সীমিত আয়ের মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত। এবার নতুন করে বেড়েছে প্রধান খাদ্য চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি চালে ৪ থেকে ৫ টাকা বাড়তি দাম গুনতে হচ্ছে ভোক্তদের। এতে সবচেয়ে বেশি নাজেহাল নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচা বাজারে গিয়ে কথা হয় একটি বেসরকারি অফিসের পিয়ন এনামুল হকের সঙ্গে। তিনি বলেন, অনেকদিন ধরেই সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়তি। এর মধ্যে চালের দাম আরও বাড়ার বিষয়টি ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’।

তিনি জানান, নিয়মিতই মাঝারি মানের বিআর-২৮ চাল কেনেন। এতদিন প্রতি কেজি বিআর-২৮ চাল কিনতেন ৫৬ টাকায়। এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। কেজিপ্রতি বেড়েছে ৪ টাকা।

কথা হয় ওই বাজারে শিমুল রাইস এজেন্সি নামে দোকানের বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, মোকামে প্রতি বস্তা চালে ২০০ টাকা বেড়েছে। আমরা যেভাবে কিনছি, সেভাবেই বিক্রি করছি।

তিনি জানান, গত এক সপ্তাহে প্রায় সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। এখন মিনিকেট ৭০ থেকে ৭২ টাকা, নাজিরশাইল ৭০ টাকা ৭৫, পাইজাম ৫৮ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা আগের চেয়ে কেজিতে ৪-৫ টাকা বেশি।

এদিকে, গত সপ্তাহ থেকে সবজির বাজারে যে অস্থিতিশীলতা, সেটা এখনো কাটেনি বরং সব ধরনের সবজির দাম আরও বেড়েছে। দেশের কয়েকটি এলাকায় বন্যা ও টানা বৃষ্টির কারণে সবজির দাম হু হু করে বাড়ছে বলে জানান বিক্রেতারা।

শুক্রবারও রাতভর বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ কম ছিল। সকালে ক্রেতাদের আনাগোনাও ছিল কম। নিচু এলাকার বাজারগুলোয় পানি জমেছে। অনেকে বাজারে এসে পড়েছেন ভোগান্তিতে।

সকালে ঢাকার বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বরবটি ১০০-১২০ টাকা, করলা ১২০-১৪০, কচুরমুখি ১২০-১৬০ টাকা, কাকরোল, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা ও বেগুন ৮০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কমের মধ্যে রয়েছে শুধু পটল ও পেঁপে, যা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

স্বস্তি ফেরেনি পেঁয়াজ ও আলুর দামেও। বিভিন্ন বাজারে আজ পেঁয়াজের কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা দরে।

অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারে আজ ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। ফার্মের মুরগির ডিমের দামও কমেনি। প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে বাজারভেদে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা দরে।

একই ভাবে আকারভেদে রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে। সীমিত আয়ের মানুষ সাধারণত তেলাপিয়া, পাঙাশ ও চাষের কই মাছ বেশি কেনেন। মাঝারি আকারের এসব মাছের কেজিও ২৫০ টাকার আশপাশে।

৫৮৩ কোটি টাকায় এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
                                  

 

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সুইজারল্যান্ডের টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে এক কার্গো এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব পাস হয়েছে। যার মূল্য ধরা হয়েছে ৫৮৩ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ৫২৮ টাকা। এর আগে গত ৩ জুলাই ৬০৯ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার ৮৯৭ টাকা দিয়ে এক কার্গো এলএনজি আমদানি ক্রয়ের প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ এর আওতায় ‘মাস্টার সেল অ্যান্ড পারসেজ এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্য হতে কোটেশন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় স্পট মার্কেট হতে এক কার্গো এলএনজি আমদানির ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এই এলএনজির ক্রয়মূল্য ৫৮৩ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ৫২৮ টাকা (ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ)। এর একক মূল্য ধরা হয়েছে ১২ দশমিক ৫৮ মার্কিন ডলার। যা পূর্বে ছিল ১৩ দশমিক ৫৫৮ মার্কিন ডলার। সুপারিশকৃত দরদাতা প্রতিষ্ঠান মের্সাস টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড সুইজারল্যান্ড।

বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে: শিল্পমন্ত্রী
                                  

বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

তিনি বলেন, সভ্যতা, সংস্কৃতি এবং ভাষার দৃঢ় বন্ধনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যকার সম্পর্ক হাজার বছরেরও বেশ পুরোনো। চলতি বছরের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার থাইল্যান্ড সফরের মধ্যদিয়ে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।


বুধবার রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের থাই দূতাবাস এবং থাই ট্রেড সেন্টারের যৌথ আয়োজনে ট্রেড ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, সফরে উভয় দেশের নেতারা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগে জোর দেন এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) লক্ষ্যে আলোচনা শুরু করার জন্য লেটার অব ইনটেন্ট স্বাক্ষরের প্রশংসা করেন। এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে উৎসাহিত

বাংলাদেশে নিযুক্ত থাই রাষ্ট্রদূত মাকাওয়াদি সুমিতমোরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন থাই দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ও মিনিস্টার কাউন্সেলর ফ্যানম থংপ্রায়ুম এবং মিনিস্টার কাউন্সেলর (কমার্শিয়াল)।

মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (আসিয়ান) অঞ্চলে বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে থাইল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বছরের পর বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা আরও বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে সহযোগিতা বাড়াতে পারি; অবকাঠামো এবং কানেক্টিভিটি উন্নত করতে কাজ করতে পারি; বিশেষ করে থাইল্যান্ডের রানং বন্দর এবং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে সরাসরি শিপিং রুট স্থাপন করা যেতে পারে।

নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা ১৮ জুলাই
                                  

নতুন অর্থবছরের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১৮ জুলাই মুদ্রানীতি ঘোষণার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধের ষাণ্মাসিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হবে আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই)। এটি ১৬ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্ষদ সভায় পাস হবে। তার আগে ১৪ জুলাই মুদ্রানীতি ঘোষণা সংক্রান্ত মূল কমিটি সভা করবে।

আগামীকাল বুধবার অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, গবেষণা সংস্থা এবং সাংবাদিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয় ষান্মাসিকের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে নীতি সুদহার দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৮ শতাংশ করা হয়েছিল। এর আগে নীতি সুদহার ৭.৭৫ শতাংশ ছিল। এ মুদ্রানীতির মাধ্যমে টাকার সরবরাহ কমানোর কথা ছিল। কিন্তু কিছুটা নগদ টাকা কমলেও মূল্যস্ফীতি না কমে বরং বেড়েছে।

লাগামহীন পেঁয়াজের বাজার, দফায় দফায় বাড়ছে দাম
                                  

ঢাকা: গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে পেঁয়াজের বাজারে। কোরবানির ঈদের আগে থেকে দফায় দফায় বেড়ে চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম।

বাজার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকা সংশ্লিষ্টরা যেন কোনোভাবেই ঊর্ধ্বমুখী এ পণ্যটির দামের লাগাম টেনে ধরতে পারছেন না।
পেঁয়াজের দাম প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকার কারণ হিসেবে সরবরাহ সংকটের কথা বলছেন বিক্রেতারা। যদিও রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সরবরাহের সংকট দেখা যায়নি। বরং ক্রেতারা এর পেছনে ব্যবসায়ীদের অসাধু মনোভাবকে দায়ী করছেন।

সোমবার (৮ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও পশ্চিম রাজাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারগুলোতে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই। প্রতিটি দোকানেই সাধারণ সময়ের মতোই যথেষ্ট পরিমাণ পেঁয়াজ রয়েছে। দাম বাড়ায় পেঁয়াজ বিক্রি কিছুটা কমলেও চাহিদায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি।

কারওয়ান বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে প্রতিপাল্লা (পাঁচ কেজি) পাবনা ও রাজশাহীর পেঁয়াজ ৫২০ টাকা থেকে ৫৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফরিদপুরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা থেকে ৫১০ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৯০ থেকে ৫০০ টাকা পাল্লা।

এক সপ্তাহ আগে এ বাজারেই প্রতিপাল্লা পাবনা ও রাজশাহীর পেঁয়াজ ৪৬০ টাকা, ফরিদপুরের পেঁয়াজ ৪২০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৪০ টাকা বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের পেঁয়াজের দাম পাল্লায় ৫০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। কেজি হিসেবে বেড়েছে ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত।

কোরবানির ঈদের আগে এ বাজারে প্রতিপাল্লা পাবনা ও রাজশাহীর পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৪০০ টাকা, ফরিদপুরের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৩৮০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৩৫০ টাকায়।

পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম আরও অনেক বেশি। পশ্চিম রাজাবাজারে বর্তমানে প্রতিকেজি পাবনার পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১০০ টাকা এবং ঈদের আগে ছিল ৯০ টাকা।

দফায় দফায় পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা নুরুল ইসলাম বলেন, এখন বাজারে যে পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে সেটি হালি পেঁয়াজ। এ পেঁয়াজ আরও ৪-৫ মাস আগে কৃষক ঘরে তুলেছেন। এ পেঁয়াজ এখন শেষের দিকে। তাই কৃষক হাটে পেঁয়াজ কম বিক্রি করছেন। এ কৃষকদের কাছ থেকেই আড়তদাররা পেঁয়াজ কিনে আনেন। তাদের কাছ থেকে আমরা পাইকারি বিক্রেতারা কিনি। আমাদের কাছ থেকে কেনে খুচরা বিক্রেতারা।

এছাড়া গত কয়েকদিন বৃষ্টির কারণে কৃষক তার পেঁয়াজ হাটে কম বিক্রি করছেন। যার কারণে বাজারে সরবরাহের সংকট তৈরি হয়েছে। দামও বেশ খানিকটা বেড়েছে। গত দুদিন বৃষ্টি না থাকায় পেঁয়াজের দাম কিছুটা স্থির হয়েছে। কিছুটা হয়তো কমবেও। তবে পেঁয়াজের দাম অনেক কমার সম্ভাবনা নেই। যদি বাইরে থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয় তাহলে পেঁয়াজের দাম আবার আগের অবস্থায় আসতে পারে। নাহলে আবার পেঁয়াজের মৌসুম না আসা পর্যন্ত এভাবেই থাকবে।

মিঠু নামে আরেক বিক্রেতা বলেন, ভারতেই পেঁয়াজের দাম বেশি। যার কারণে বাংলাদেশে আসা ভারতীয় পেঁয়াজের দামও বেশি। নতুন দেশি পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত ভারতীয় পেঁয়াজের দাম এমনই ৯০-১০০ টাকা থাকবে।

পশ্চিম রাজাবাজারের মুদি দোকানদার মো. রুবেল বলেন, ঈদের আগে থেকে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। আড়তদাররা বলছেনু, সরবরাহ কম, তাই দাম বেশি। আসল কারণ জানি না। আমরা আড়ত থেকে দুই এক বস্তা পেঁয়াজ কিনে আনি। যদি আড়তে পেঁয়াজের দাম কমে তাহলে আমরাও কম দাম বিক্রি করতে পারবো।

এদিকে পেঁয়াজের দাম বাড়ার জন্য অসাধু ব্যবসায়ীদের দায়ী করছেন ক্রেতারা। তাদের দাবি, বড় বড় ব্যবসায়ীরা অতি মুনাফার লোভে সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দাম বাড়াচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা। চাহিদার তুলনায় তাদের কম পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজ কিনতে এসেছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী ফেরদৌস রহমান। একটি পাইকারি দোকান থেকে ৫২০ টাক দরে এক পাল্লা পেঁয়াজ কিনেছেন তিনি।

তিনি বলেন, দুই সপ্তাহ আগে ৩৪০ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনেছি। আজ কিনতে হলো ৫২০ টাকা দিয়ে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম এত বেশি বাড়ার কথা না। এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো অদৃশ্য সিন্ডিকেট কাজ করছে। সরকারের উচিত সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে এ বাজার সিন্ডিকেটকে থামানো। নাহলে মানুষ এক সময় তার মৌলিক অধিকার পূরণে ব্যর্থ হবে। এখনই বাজার করতে গিয়ে মানুষের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে।

সামশ তাবরিজ নামে আরেক ক্রেতা বলেন, প্রতিদিন রান্নায় পেঁয়াজ প্রয়োজন হয়। চাইলেও এটিকে বাদ দেওয়া যায় না। কিন্তু যেভাবে দাম বাড়ছে তাতে পেঁয়াজ না খাওয়া ছাড়া উপায় নেই। এখনই চাহিদার তুলনায় অর্ধেক কিনতে হচ্ছে। শুধু পেঁয়াজ নয়, আলু, কাঁচা মরিচসহ প্রতিটি নিত্যপণ্যের দামই এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

এদিকে বেশ কয়েক সপ্তাহ বাড়তি দামের পর কিছুটা কমেছে ডিমের দাম। বর্তমানে কারওয়ান বাজারে প্রতিহালি লাল ডিম ৪৮ টাকা ও সাদা ডিম ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও যথাক্রমে ৫০ ও ৪৬ টাকা ছিল। ঈদের আগে ছিল যথাক্রমে ৬০ টাকা ও ৫৫ টাকা।

টিসিবির জুলাই মাসের পণ্য বিক্রি সোমবার শুরু
                                  

ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জুলাই মাসের পণ্য বিক্রি কার্যক্রম সোমবার (৮ জুলাই) শুরু হবে।

রোববার (৭ জুলাই) বিকেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

টিসিবি জানায়, নিম্ন আয়ের এক কোটি উপকারভোগী কার্ডধারী পরিবারের মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে টিসিবির পণ্য (ভোজ্যতেল, মসুর ডাল ও চাল) বিক্রির কার্যক্রম চলমান। চলতি বছরের জুলাই মাসের পণ্য বিক্রি কার্যক্রম ৮ জুলাই থেকে সারাদেশে শুরু হবে।

এই কার্যক্রম দোকান বা নির্ধারিত স্থায়ী জায়গা থেকে সিটি করপোরেশন ও জেলা-উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় নির্ধারিত তারিখ ও সময় অনুযায়ী পরিচালনা করবেন ডিলাররা।

এ দফায় সর্বোচ্চ ২ লিটার ভোজ্যতেল, ২ কেজি মসুর ডাল ও ৫ কেজি চাল কিনতে পারবেন উপকারভোগীরা। প্রতি লিটার ভোজ্যতেলের দাম পড়বে ১০০ টাকা, প্রতি কেজি মসুর ডাল ৬০ টাকা ও চাল ৩০ টাকা।

এদিকে এ মাসের কার্যক্রম সোমবার সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর কড়াইল টিঅ্যান্ডটি কলোনি আনসার ক্যাম্প মাঠে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন উদ্বোধন করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বাড়ল ৩০ টাকা
                                  

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির খড়্গ সাধারণ মানুষের ঘাড় থেকে কিছুতেই নামছে না। একের পর এক নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামে নাকানিচুবানি খেতে হচ্ছে তাদের। ৬০-৮০ টাকার কাঁচামরিচের ঝাল কিনতে যখন ক্রেতার গুনতে হচ্ছে ২৮০-৩০০ টাকা তখন বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে আরেক নিত্য পণ্য পেঁয়াজকে ঘিরে। ১ কেজি পেঁয়াজ কিনতে এখন গুনতে হচ্ছে ১২০ টাকা। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগেও খুচরা বাজারে পেঁয়াজের কেজি ছিল ৯০ টাকা। এমন অবস্থায় বেশ বিপাকেই পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

রোববার (৭ জুলাই) সকাল থেকে রাজধানীর নিউমার্কেট, আজিমপুর, পলাশী এবং চাঁনখারপুল এলাকার বিভিন্ন খুচরা দোকান ঘুরে পেঁয়াজের বাড়তি দামের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। এলাকাভেদে এসব দোকানে সর্বনিম্ন ১২০ থেকে সর্বোচ্চ ১২৫ টাকা পর্যন্ত দেশি পেঁয়াজের দাম চাইতে দেখা গেছে।

সরকারি সংস্থার ঢাকা মহানগরীর নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের খুচরা বাজার দরের প্রকাশিত তথ্যেও পেঁয়াজের দাম বাড়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বলছে, বর্তমানে নতুন দেশি পেঁয়াজ সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ১ সপ্তাহ আগে যার বিক্রয়মূল্য ছিল সর্বনিম্ন ৯০ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা। এই একই পেঁয়াজ ১ মাস আগে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ন ৮০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকায়। আর ১ বছর আগে এই সময়ে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ন ৭০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা দরে। সেই হিসাব অনুযায়ী ১ বছরে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশের চেয়েও বেশি।

অপরদিকে টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, আমদানি করা পেঁয়াজ এখন খুচরা বাজারে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ১ সপ্তাহ আগে এর বিক্রয়মূল্য ছিল সর্বনিম্ন ৯৫ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা। আর ১ মাস আগে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ন ৮৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৯৫ টাকায়। আর ১ বছর আগে এই সময়ে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ন ৪০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা দরে।

এই হিসাব অনুযায়ী ১ বছরে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৫০ শতাংশের চেয়েও বেশি।

পেঁয়াজের বাড়তি দামের বিষয়ে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় কারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

সাম্প্রতিক সময়ে খরা, অতিবৃষ্টি, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় রেমালসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পেঁয়াজের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। যার ফলে বাজারে নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়া দাম বাড়ার কারণ হতে পারে।

নিউমার্কেট কাঁচাবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে পরিবহন সমস্যা, সরবরাহ চেইনের অব্যবস্থা এবং পণ্য মজুতের অভাবকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, এখন চাহিদার তুলনায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ নেই। সেকারণেই দাম বেড়েছে। এবার আরও দাম বাড়বে। বন্যা ও পানির কারণে সার্বিকভাবে পেঁয়াজের উৎপাদন কমেছে। এখনও উত্তরাঞ্চলে বন্যা বিরাজ করছে। যার কারণে পণ্য সরবরাহ কম। আর আড়তেই দাম বেশি। আমাদের তো কিছুই করার নেই। তবে সহসাই দাম কমবে না।

আফজাল হোসেন নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় দেশি এবং ভারতীয় দুই ধরনের পেঁয়াজের দামই বেড়েছে। এই সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম ৩০-৪০ টাকার মতো বেড়েছে। আমরা কারওয়ান বাজার থেকে পাইকারি দামে পেঁয়াজ কিনে আনি। তারা আমাদের যেমন দামে বিক্রি করতে বলে আমরা তেমন দামেই বিক্রি করি।

অপরদিকে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এমন এক দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ টাকা বেড়েছে বলে জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার যে পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে বিক্রি হয়েছিল ৮৫ টাকা কেজি তা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। ব্যবসায়ীরা খুচরা বাজারে তা বিক্রি করছেন ১১০ টাকা কেজি।

এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি কম এবং দামও বেশি। এছাড়া, বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেছে। যার কারণে বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বৃষ্টির অজুহাতে সবজির দাম চড়া, কাঁচা মরিচের কেজি ২৮০
                                  

বেশ কিছুদিন হলো বাজারে সবজির দাম চড়া। তার মধ্যে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টি যেন ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে এসেছে। বৃষ্টির অজুহাতে সবজির দাম আরও বাড়ানো হয়েছে। বাজারে বেশিরভাগ সবজি কিনতে হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহের চেয়ে ১০-২০ টাকা বেশি। কিছু সবজির দাম আবার কেজিপ্রতি শতকও ছাড়িয়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে স্বস্তির বার্তা নেই কাঁচা মরিচের দামেও। অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করছে কাঁচা মরিচের দাম। সপ্তাহ দুই আগে ৩০০ টাকা ছুঁয়েছিল এ পণ্যটির দাম। তবে গত সপ্তাহে সেই দাম কিছুটা কমলেও এখন আবারও বাড়ছে। এক্ষেত্রেও বৃষ্টির অজুহাত সামনে আসছে। শুক্রবার মানভেদে বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা কয়েকদিন আগেও ছিল ২০০ টাকার মধ্যে।

শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর রামপুরা, শান্তিনগর ও সেগুনবাগিচা বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

সবজির সঙ্গে নতুন করে দাম বাড়ার দৌড়ে রয়েছে পেঁয়াজ। শতক ছাড়িয়ে দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। এছাড়া দেশি হাইব্রিড জাতের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা দরে। পেঁয়াজের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ১০ টাকার বেশি বেড়েছে।

সবজির দাম বাড়ার পেছনে টানা বৃষ্টিকে কারণ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, যেসব এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি সবজি আসে সেই এলাকাগুলোতে কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এতে সবজির উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। বৃষ্টির কারণে খেতে পানি জমে সবজি নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। যে কারণে সবজির জোগান কমে দাম বেড়েছে।

তবে ব্যবসায়ীদের এসব যুক্তিকে অজুহাত বলে মনে করছেন ক্রেতারা। সেগুনবাগিচা বাজারে ইয়াসিন আলী নামে একজন ক্রেতা বলেন, বৃষ্টি হোক, গরম হোক কিংবা শীত- এদেশে সব কিছুরই দাম শুধু বাড়ে। কখনো কোনো কিছুর ভালো উৎপাদন হলেও বাজারে দাম কমে না।

তিনি বলেন, টমেটোর মতো সবজি কিনতে হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে। আলু ৭০ টাকা, বরবটি, উস্তা করলার দাম চাচ্ছে ১২০ টাকা কেজি। এ যেন মগের মুল্লুক। এত দামে সবজি কিনে খাওয়া আমার মতো অনেক মধ্যবিত্তের জন্য অসাধ্যকর হয়ে পড়ছে।

সবজির মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে বরবটি, গাজর, বেগুন, কচুরমুখি ও করলার। প্রতি কেজি বরবটি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কচুরমুখি, বেগুন ও করলার কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব সবজির দর কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকার মতো।

এছাড়া কাকরোলের কেজি ৮০ থেকে ১০০, পটল ও ঢ্যাঁড়শ ৬০ থেকে ৭০, ধুন্দল ও চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা পেপে ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। গাজরের কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা ও টমেটো ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, টানা অস্থিরতা দেখা গেছে আলুর বাজারেও। এ নিত্যপণ্যটি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে। গত সপ্তাহে আলুর কেজি ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে দাম প্রায় আরও ৫ টাকা বেড়েছে।

আলুর এ দাম সাধারণত ক্রেতার জন্য একেবারেই অস্বাভাবিক। গত বছরের এসময়ে আলুর কেজি ছিল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। সে হিসাবে বছরের ব্যবধানে দ্বিগুণ বেড়েছে আলুর দাম।

চড়া দামে থাকা ডিমের বাজারও অপরিবর্তিত রয়েছে। গত সপ্তাহের মতো প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা দরে। তবে বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম তুলনামূলক অনেকটাই স্থিতিশীল। প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা দরে। সোনালি জাতের মুরগির কেজি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি কোথাও ৭৫০ কোথাও ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এছাড়া চাল, ডাল, ভোজ্যতেল ও চিনির মতো নিত্যপণ্যগুলো আগের চড়া দামেই বিক্রি হতে দেখা গেছে।

র‍্যাংগস ই-মার্ট এনেছে এলজির নতুন ওএলইডি সি থ্রি সিরিজ ২০২৪
                                  

এলজি ব্রান্ডের লেটেস্ট ওএলইডি সি থ্রি সিরিজের টিভি বাজারে এনেছে র‍্যানকন হোল্ডিংস লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান র‍্যাংগস ই-মার্ট। আজ (৩ জুলাই, বুধবার) র‍্যাংগস ইমার্ট-এর গুলশান-২ শো রুমে এক অনুষ্ঠানে এই নতুন মডেলের টিভি প্রদর্শিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন র‍্যানকন হোল্ডিংস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ফারহানা করিম; এলজি ইলেট্রনিক্সের রিজিওনাল সিইও জাই সিউং কিম (আরসিইও); এলজি সিঙ্গাপুরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুং হু চুং; এলজি বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইয়ংগিল কো; র‍্যাংগস ই-মার্টের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ইয়ামিন শরীফ চৌধুরী; র‍্যানকন ইলেকট্রনিক্সের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ইমরান জামান এবং র‍্যানকন ইলেকট্রনিক্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর কাজী আশিক উর রহমান।

এলজি’র আরসিইও জাই সিউং কিম বলেন, “আমরা সবসময় গ্রাহকদের পছন্দকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি। বরাবরের মত এবারও নতুন ফিচার ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই স্মার্ট টিভিগুলো আমরা বাজারে এনেছি এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাবো বলেও আশা করি।”

র‍্যাংগস ই-মার্টের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ইয়ামিন শরীফ চৌধুরী বলেন, “র‍্যাংগস ই-মার্ট প্রতিনিয়ত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার সমৃদ্ধ পণ্যগুলো গ্রাহকদের হাতে তুলে দিচ্ছে। তাছাড়া দেশের বাজারে এলজি’র পণ্যের জনপ্রিয়তা রয়েছে। নতুন মডেলের এই টিভিগুলো গ্রাহকদের সন্তুষ্টি করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

নতুন মডেলগুলো হলো; ৬৫ ওএলইডি সি থ্রি, ৫৫ ওএলইডি সি থ্রি, ৫৫ কিউএনইডি ৮০, ৭৫ন্যানো ৭৫, ৬৫ন্যানো ৭৫, ৫৫ন্যানো ৭৫, ৫০ন্যানো ৭৫, ৪৩ন্যানো ৭৫ এবং ৪৩ইউআর ৮০৫০। নতুন এই মডেলগুলোতে আছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারস, যার মাধ্যমে উদ্ভাবন ও গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনে এলজি’র প্রচেষ্টা প্রতিফলিত হয়েছে।

এলজি’র ওএলইডি-সি৩ সিরিজের টিভিগুলোতে যুক্ত করা হয়েছে অ্যাডভান্স ফিচার ও ওএলইডি ডিসপ্লে প্রযুক্তি। এ টিভিতে যুক্ত করা হয়েছে আলফা নাইন জেনারেশন ফাইভ এআই প্রসেসর, ওয়েবওস স্মার্ট টিভি প্লাটফর্ম, থিংক এআই ও ভয়েস কন্ট্রোল সুবিধা, গেমিং ফিচার সহ এইচডিএমআই পোর্ট, ইউএসবি পোর্ট, ব্লুটুথ ও ওয়াইফাই সুবিধা।

এছাড়াও র‌্যাংগস ই-মার্ট বিশ্বের বৃহত্তম ওএলইডি টিভি, এলজি ওএলইডি ৯৭ ইঞ্চি টেলিভিশন সরবরাহ করছে। এই অসাধারণ মডেলটি এক্সক্লুসিভলি বাংলাদেশের র‌্যাংগস ই-মার্ট স্টোরগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে। বিলাসবহুল ও উন্নত প্রযুক্তির চমৎকার উদাহরণ এই ওএলইডি সি৩ সিরিজের টিভি গ্রাহকদের চমৎকার ভিউইং অভিজ্ঞতা দেবে।

গ্রাহকদের আস্থা ও সন্তুষ্টি বাড়াতে উন্নত পণ্যের পাশাপাশি উন্নত বিক্রয়োত্তর সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে র‌্যাংগস ই-মার্ট এলজি টিভির অফিসিয়াল পার্টস ও সার্ভিস ওয়ারেন্টি দিচ্ছে।

এই নতুন টিভি পণ্যগুলো গ্রাহকদের লাইফস্টাইল আরো বেশি আরামদায়ক করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। গ্রাহকদের থেকে ইতিবাচক সাড়া ও পণ্য ব্যবহারের পর তাদের সন্তুষ্টিমূলক প্রতিক্রিয়া পেতে র‍্যাংগস ই-মার্ট ব্যাপক আশাবাদী।

ব্যাংক হলিডে আজ, লেনদেন বন্ধ
                                  

আজ অর্থবছরের শুরুর দিন ১ জুলাই (সোমবার) ব্যাংক হলিডে। এ উপলক্ষে ব্যাংকের সব ধরনের লেনদেন বন্ধ থাকবে। তবে গ্রাহকের সঙ্গে কোনো লেনদেন না করলেও নিজস্ব হিসাব মেলাতে খোলা থাকবে ব্যাংক। একই দিন ব্যাংক লেনদেন বন্ধ থাকায় দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেনও বন্ধ থাকবে।

বছরে দুইদিন ব্যাংক হলিডে, এর একদিন ১ জুলাই এবং অন্যদিন ৩১ ডিসেম্বর। এ দুই দিনে ব্যাংকগুলো তাদের লাভ-ক্ষতির হিসাব করে নতুন দিন শুরু করে। ব্যাংকগুলো ১ জুলাই অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ৩১ ডিসেম্বর বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

ব্যাংকাররা জানান, ব্যাংকগুলো ৩০ জুন ভিত্তিক অর্ধবার্ষিক আর্থিক হিসাব বিবরণী এবং ৩১ ডিসেম্বর ভিত্তিক বার্ষিক আর্থিক হিসাব বিবরণী প্রস্তুত করে। বিভিন্ন শাখা থেকে পাঠানো হিসাব একত্র করে বিবরণী তৈরি করা হয়।

যেহেতু সারা বছরের হিসাব বিবরণী চূড়ান্ত করার বিষয় থাকে, যে কারণে বছরের এ দু’দিন ব্যাংক হলিডে পালিত হয়। এর মাধ্যমে বছরের হিসাব ক্লোজ করা হয়। যদিও নিরীক্ষিত বার্ষিক বিবরণী চূড়ান্ত করতে অনেক সময় লাগে।

ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে কমলো ১ টাকা
                                  

নতুন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে আজ (সোমবার) থেকে দেশের বাজারে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি এক টাকা কমলো। তবে অকটেন ও পেট্রোলের দাম আগের মতোই রয়েছে।

জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে রোববার (৩০ জুন) রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

নতুন দাম অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিন ১০৭ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে কমিয়ে ১০৬ টাকা ৭৫ পয়সা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনে এক টাকা কমেছে।

আগের মতোই লিটার প্রতি অকটেনের দাম ১৩১ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১২৭ টাকা রয়েছে।

সরকার গত ২৯ ফেব্রুয়ারি জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের নির্দেশিকার প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ মার্চ প্রথম প্রাইসিং ফর্মুলা অনুসারে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছিল। এরপর থেকে এই নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কিছুটা কমলেও মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যয় বেড়েছে। মূল্য সমন্বয়ের পরেও ভারতের কলকাতায় বর্তমানে ডিজেল লিটার প্রতি ৯০ দশমিক ৭৬ রুপি বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২৫ টাকা ৭০ পয়সা এবং পেট্রোল ১০৩ দশমিক ৯৪ রুপি বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪৩ দশমিক ৯৬ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে যা বাংলাদেশ থেকে যথাক্রমে প্রায় ১৮ টাকা ৯৫ পয়সা ও ১৬ টাকা ৯৬ পয়সা বেশি।

টিসিবির জন্য ৪৯৩ কোটি টাকার তেল কিনছে সরকার
                                  

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৪৯৩ কোটি ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকার সয়াবিন তেল ও রাইস ব্রান অয়েল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩৩১ কোটি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকার সয়াবিন তেল এবং ১৬২ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার রাইস ব্রান অয়েল রয়েছে।

এই তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

প্রতি লিডার সয়াবিন তেলের দাম ধরা হয়েছে ১৫০ টাকা ৪৮ পয়সা। এতে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে মোট খরচ হবে ৩৩১ কোটি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে এই সয়াবিন তেল কেনা হবে।

এদিকে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত পুনঃদরপত্র পদ্ধতিতে ১ কোটি ১০ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রতি লিটার ১৪৭ টাকা ৩৫ পয়সা হিসাবে এই রাইস ব্রান তেল কিনতে মোট খরচ হবে ১৬২ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

কমেনি মরিচের দাম, বেড়েছে পেঁয়াজের
                                  

নিত্যপণ্যের দাম যেন কোনোভাবেই বাগে আসছে না। একটার দাম কিছুটা কমছে তো বাড়ছে অন্যটার। এরই মধ্যে রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম ঠেকেছে একশ টাকায়। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা দরে। এছাড়া আলুর দাম উঠেছে ৬৫ টাকা প্রতিকেজি, যা গত সপ্তাহের চেয়ে ৫ টাকা বেশি। কমেনি কাঁচা মরিচের ঝালও, বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে। আরও বেশকিছু নিত্যপণ্যের দাম এখনো চড়া।

এমন পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে নাজেহাল হয়ে পড়ছেন নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তরা।

শুক্রবার (২৮ জুন) রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ ও মগবাজার এলাকার বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

এসব বাজারে গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকায়। যা এক সপ্তাহ ব্যবধানে ৫-১০ টাকা বেড়েছে। খুচরা দোকানে বাছায় করা পেঁয়াজ এখন ১০০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হচ্ছে। এগুলো আকারে একটু বড়। সাধারণ মানের পেঁয়াজ ৯৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।


বাজারে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের সরবরাহ কম। মাত্র অল্প কয়েকটি দোকানে আমদানি করা পেঁয়াজ দেখা গেছে। আমদানি করা পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে একই দামে।

পেঁয়াজ বিক্রেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, পেঁয়াজের মৌসুম (বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ) যত শেষের দিকে যাচ্ছে, দাম তত বাড়ছে। আগামীতে এ দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে সেটা বলা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ কম। কারণ ভারত পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য ৫৫০ ডলার নির্ধারণ করে দিয়েছে। ওই দামে পেঁয়াজ আমদানি করলে শুল্ককরসহ দেশে আনতে প্রায় ৮০ টাকা খরচ হয়। যে কারণে ভারতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে না। এতে বাজার শুধু দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভর করেই চলছে। যে কারণে দাম বেশি।

অন্যদিকে বাজারে বেড়েছে আলুর দামও। গত সপ্তাহে খুচরায় ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ শুক্রবার বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে। তবে দরদাম করলে কোনো কোনো দোকানে ৬০ টাকায় মিলছে।

রামপুরা বাজারের দোকানি শাহাদাত বলেন, ৬০ টাকায় আলু বিক্রি করলে কোনো লাভ থাকে না। কারণ, পাইকারি কেনায় পড়ছে ৫৮ টাকা কেজি দরে।

তিনি বলেন, পাইকারি বাজারে আলুর দাম প্রায়ই ২/১ টাকা বাড়ছে। আসলে আলুর সংকট দেখা দেওয়ায় দাম বেড়েছে। মুন্সিগঞ্জ, রাজশাহী, রংপুরে আলুর খুব সংকট চলছে, পাওয়া যাচ্ছে না। এ বছর উৎপাদন কম হওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে।

মালিবাগ বাজারে কেনাকাটা করতে আসেন বিধান চন্দ্র। তিনি বলেন, তিনদিন আগেও ৫৫ টাকা কেজি দরে আলু কিনেছি। এখন ৬৫ টাকা চাচ্ছে। দামদর করে ৬২ টাকায় নিলাম।

তিনি আরও বলেন, আগে সংসারে খরচ কমানোর জন্য আলুই বেশি খেতাম। সেটারও যদি এত দাম হয়, খাবো কী এখন?

ঈদুল আজহার আগে আগেই এবার বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। ওই দাম এখনো সেভাবে কমেনি। কোরবানির সময়ে ঢাকায় কাঁচা মরিচের কেজি ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। কিছুটা কমে এখন বিক্রি হচ্ছে বাজারভেদে ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

যদিও বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ দিন দিন বাড়ছে। কয়েক দিনের মধ্যে কাঁচা মরিচের দাম আরও কমে আসবে। ঈদের সময় বৃষ্টি এবং ভারত থেকে আমদানি বন্ধ থাকায় কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছিল।

বাজারের বেশিরভাগ সবজি চড়া দামে আটকে রয়েছে। প্রতিকেজি ৬০ টাকার নিচে মিলছে না কিছু। ওই দামের মধ্যে আছে পটল, ঢ্যাঁড়স, কাঁচা পেঁপে। তবে কচুর লতি, বরবটি, কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে আরও ২০ টাকা বেশি দরে, অর্থাৎ ৮০ টাকার আশপাশে প্রতি কেজি। এছাড়া করলা ও বড় তালবেগুনের দাম ১০০ টাকা বা তার চেয়েও বেশি চাচ্ছেন বিক্রেতারা।

ভরা মৌসুমে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও দামে খুব একটা স্বস্তি দেখা যায়নি। বড় মগবাজারে ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম আকারের ইলিশ প্রতি কেজি এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা এবং এক কেজির ইলিশ এক হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাক দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা।


   Page 1 of 76
     অর্থ-বাণিজ্য
হামদর্দের নতুন হারবাল ওষুধ অর্থোফিটের লঞ্চিং অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
এপিএ কার্যকরে কাজ করতে হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
সোনার দামে রেকর্ড, ভরি ১ লাখ ২০ হাজার ৮১ টাকা
.............................................................................................
চালের দাম আরও বাড়লো, সবজি আলু পেঁয়াজেও অস্বস্তি
.............................................................................................
৫৮৩ কোটি টাকায় এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
.............................................................................................
বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে: শিল্পমন্ত্রী
.............................................................................................
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা ১৮ জুলাই
.............................................................................................
লাগামহীন পেঁয়াজের বাজার, দফায় দফায় বাড়ছে দাম
.............................................................................................
টিসিবির জুলাই মাসের পণ্য বিক্রি সোমবার শুরু
.............................................................................................
এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বাড়ল ৩০ টাকা
.............................................................................................
বৃষ্টির অজুহাতে সবজির দাম চড়া, কাঁচা মরিচের কেজি ২৮০
.............................................................................................
র‍্যাংগস ই-মার্ট এনেছে এলজির নতুন ওএলইডি সি থ্রি সিরিজ ২০২৪
.............................................................................................
ব্যাংক হলিডে আজ, লেনদেন বন্ধ
.............................................................................................
ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে কমলো ১ টাকা
.............................................................................................
টিসিবির জন্য ৪৯৩ কোটি টাকার তেল কিনছে সরকার
.............................................................................................
কমেনি মরিচের দাম, বেড়েছে পেঁয়াজের
.............................................................................................
শেষ হলো দুই দিনব্যাপী আয়ুর্বেদিক এক্সপো
.............................................................................................
আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ পেল বাংলাদেশ
.............................................................................................
আরও বাড়লো সোনার দাম
.............................................................................................
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের পাওনা ৫১ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
পোশাকখাতে শ্রমিক ৫০ লাখ ১৭ হাজার: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
প্রবাসী আয়ে বাড়ল রিজার্ভ
.............................................................................................
ঢাকার বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি এখন ৪০০ টাকা
.............................................................................................
চামড়ায় লবণ মাখানো শেষ, পোস্তায় অপেক্ষা ট্যানারির ক্রেতাদের
.............................................................................................
ট্যানারিতে ঢুকছে কাঁচা চামড়া, ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার অভিযোগ
.............................................................................................
কাঁচা চামড়ার দাম কিছুটা বাড়লেও খুশি নন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
সোনার দাম বাড়লো
.............................................................................................
সুতার ঘাটতি ৪ লাখ টন, সংসদে বস্ত্রমন্ত্রী
.............................................................................................
ঢাকার হাটে উঠছে গরু, যাচাই করছেন ক্রেতারা
.............................................................................................
ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি
.............................................................................................
প্রবাসী আয়ে সুবাতাস, সাত দিনে এলো ৭২ কোটি ডলার
.............................................................................................
উৎপাদনশীলতা বাড়াতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে সরকার: শিল্পমন্ত্রী
.............................................................................................
সোনার দাম আরও কমলো, ভরি ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮২ টাকা
.............................................................................................
পোশাক শিল্পের জন্য বাজেট হতাশাব্যঞ্জক
.............................................................................................
সাংবাদিকদের প্রশ্নে নিরাশ অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
ডিম পেঁয়াজ আলুর দামে নাভিশ্বাস
.............................................................................................
জেনে নিন নতুন বাজেটের ৮টি দিক
.............................................................................................
দেশে আরও ১২ এক্সপ্রেসওয়ে ও ১০ এলিভেটেড নির্মাণের পরিকল্পনা
.............................................................................................
বাজেটে পোশাকশ্রমিকদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব
.............................................................................................
গতানুগতিক বাজেট কোনো সমস্যার সমাধান দিতে পারবে না: সিপিডি
.............................................................................................
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতি সহায়ক: টিআইবি
.............................................................................................
আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৬.৫ শতাংশে নামবে: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
১৫% কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করা যাবে
.............................................................................................
যেসব পণ্যের দাম বাড়ছে
.............................................................................................
যেসব পণ্যের দাম কমছে
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনের জন্য বরাদ্দ ১২৩০ কোটি টাকা
.............................................................................................
বাতিল হচ্ছে এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুযোগ
.............................................................................................
জলবায়ু পরিবর্তন: অভিযোজন সক্ষমতা বাড়াতে থাকছে বিশেষ বরাদ্দ
.............................................................................................
আড়াইহাজারে র‍্যাব পরিচয়ে ৫৩ লাখ টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪
.............................................................................................
বাজেট অনুমোদনে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: [email protected]
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD