বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী   * ঢাকায় ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাচলে সতর্কতা জারি   * ৬৫ বছরের বেশি বয়সীরাও হজে যেতে পারবেন: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী   * ছাত্রলীগকে গুজবের জবাব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর   * বাংলাদেশ ৩০০ কোটির বেশি মানুষের বাজার হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী   * গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে ফের ভোট ৪ জানুয়ারি   * বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ করলো ইন্দোনেশিয়া   * সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ১২ ডিগ্রির নিচে নামলো তাপমাত্রা   * ছাত্রলীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী   * কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত  

   আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এনামুল বাছিরের জামিন আপিলেও বহাল

অনলাইন ডেস্ক : ঘুস গ্রহণের মামলায় আট বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদকের করা আবেদন খারিজ করে সোমবার (৫ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। এনামুল বাছিরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান।

গত ১৭ নভেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রইস উদ্দিনের একক বেঞ্চ এনামুল বাছিরকে ছয় মাসের জামিন দেন। এ জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে দুদক।

গত ২২ নভেম্বর চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের আদালত জামিন স্থগিত করে শুনানির জন্য ৫ ডিসেম্বর নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সেটির শুনানি হয়।

এর আগে গত ১৩ এপ্রিল তার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ৮০ লাখ টাকা জরিমানা স্থগিত করেছিলেন উচ্চ আদালত। বর্তমানে তার আপিল বিচারাধীন রয়েছে।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ মামলায় রায় দেন। রায়ে এনামুল বাছিরকে আট বছর ও পুলিশের বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে তিন বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া বাছিরকে ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এরমধ্যে ঘুস লেনদেনের অভিযোগে মিজানকে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় ও বাছিরকে দণ্ডবিধির ১৬৫ (এ) ধারায় তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে মানি লন্ডারিং আইনের ৪ ধারায় বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাছিরের দুটি দণ্ড একসঙ্গে চলবে বলে তাকে পাঁচ বছর দণ্ড ভোগ করতে হবে।

তবে দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় উভয়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও একই ধরনের অভিযোগে দণ্ডিত হওয়ায় এ ধারায় কাউকেই সাজা দেওয়া হয়নি। ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বর মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

পরে ৩ ফেব্রুয়ারি মিজানুর রহমানের পক্ষে তার আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী শুনানি করেন। অপরদিকে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাছিরের পক্ষে আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমানের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

৪০ লাখ টাকার ঘুস কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেছিলেন। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের একই কর্মকর্তা।

গত বছর ৯ ফেব্রুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ। এরপর তিনি মামলাটি বিশেষ জজ আদালত-৪ এ বদলির আদেশ দেন। ২০২১ সালের ১৮ মার্চ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

২০১৯ সালের ৯ জুন একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পরিচালিত দুর্নীতির অনুসন্ধান থেকে দায়মুক্তি পেতে দুদক পরিচালক বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুস দিয়েছিলেন ডিআইজি মিজান। ঘুস লেনদেন সংক্রান্ত কথোপকথন রেকর্ড করে ওই চ্যানেলকে দিয়েছিলেন মিজান। ডিআইজি মিজানও এ বিষয়ে নিজেই গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা থেকে বাঁচতে ওই অর্থ ঘুস দেন বলে দাবি করেন তিনি।

এ প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ার পর দুদক সংস্থার সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখতকে প্রধান করে তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি ২০১৯ সালের ১০ জুন প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরিচালক বাছিরকে দুদকের তথ্য অবৈধভাবে পাচার, চাকরির শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সর্বোপরি অসদাচরণের অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে কমিশন।

এরপর ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদক পরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা শেখ মো. ফানাফিল্লাহ মানি লন্ডারিং আইনে সংস্থার ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। একই বছর ২২ জুলাই এনামুল বাছিরকে গ্রেফতার করে দুদকের একটি দল। সেই থেকে তিনি কারাগারে।

অন্যদিকে দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার ডিআইজি মিজানকে এ মামলায়ও গ্রেফতার করা হয়।

এনামুল বাছিরের জামিন আপিলেও বহাল
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ঘুস গ্রহণের মামলায় আট বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদকের করা আবেদন খারিজ করে সোমবার (৫ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। এনামুল বাছিরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান।

গত ১৭ নভেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রইস উদ্দিনের একক বেঞ্চ এনামুল বাছিরকে ছয় মাসের জামিন দেন। এ জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে দুদক।

গত ২২ নভেম্বর চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের আদালত জামিন স্থগিত করে শুনানির জন্য ৫ ডিসেম্বর নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সেটির শুনানি হয়।

এর আগে গত ১৩ এপ্রিল তার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ৮০ লাখ টাকা জরিমানা স্থগিত করেছিলেন উচ্চ আদালত। বর্তমানে তার আপিল বিচারাধীন রয়েছে।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ মামলায় রায় দেন। রায়ে এনামুল বাছিরকে আট বছর ও পুলিশের বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে তিন বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া বাছিরকে ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এরমধ্যে ঘুস লেনদেনের অভিযোগে মিজানকে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় ও বাছিরকে দণ্ডবিধির ১৬৫ (এ) ধারায় তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে মানি লন্ডারিং আইনের ৪ ধারায় বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাছিরের দুটি দণ্ড একসঙ্গে চলবে বলে তাকে পাঁচ বছর দণ্ড ভোগ করতে হবে।

তবে দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় উভয়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও একই ধরনের অভিযোগে দণ্ডিত হওয়ায় এ ধারায় কাউকেই সাজা দেওয়া হয়নি। ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বর মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

পরে ৩ ফেব্রুয়ারি মিজানুর রহমানের পক্ষে তার আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী শুনানি করেন। অপরদিকে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাছিরের পক্ষে আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমানের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

৪০ লাখ টাকার ঘুস কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেছিলেন। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের একই কর্মকর্তা।

গত বছর ৯ ফেব্রুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ। এরপর তিনি মামলাটি বিশেষ জজ আদালত-৪ এ বদলির আদেশ দেন। ২০২১ সালের ১৮ মার্চ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

২০১৯ সালের ৯ জুন একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পরিচালিত দুর্নীতির অনুসন্ধান থেকে দায়মুক্তি পেতে দুদক পরিচালক বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুস দিয়েছিলেন ডিআইজি মিজান। ঘুস লেনদেন সংক্রান্ত কথোপকথন রেকর্ড করে ওই চ্যানেলকে দিয়েছিলেন মিজান। ডিআইজি মিজানও এ বিষয়ে নিজেই গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা থেকে বাঁচতে ওই অর্থ ঘুস দেন বলে দাবি করেন তিনি।

এ প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ার পর দুদক সংস্থার সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখতকে প্রধান করে তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি ২০১৯ সালের ১০ জুন প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরিচালক বাছিরকে দুদকের তথ্য অবৈধভাবে পাচার, চাকরির শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সর্বোপরি অসদাচরণের অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে কমিশন।

এরপর ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদক পরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা শেখ মো. ফানাফিল্লাহ মানি লন্ডারিং আইনে সংস্থার ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। একই বছর ২২ জুলাই এনামুল বাছিরকে গ্রেফতার করে দুদকের একটি দল। সেই থেকে তিনি কারাগারে।

অন্যদিকে দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার ডিআইজি মিজানকে এ মামলায়ও গ্রেফতার করা হয়।

চেক ডিজঅনার মামলা: হাইকোর্টের রায় আপিলে স্থগিত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না মর্মে দেওয়া হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আজ ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে। তাই এখন লিভ টু আপিল আবেদন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মহোম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন। আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী।

গত ২৮ নভেম্বর কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না মর্মে দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের বিষয়ে শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছেলেন চেম্বার জজ আদালত। এ বিষয়ে আজ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৩ নভেম্বর হাইকোর্ট এক রায়ে এখন থেকে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না মর্মে রায় ঘোষণা করেন।

ওইদিন রায়ে বলা হয়, এক্ষেত্রে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য শুধু ২০০৩ সালের অর্থঋণ আইনের বর্ণিত উপায়ে অর্থঋণ আদালতে মামলা করতে পারবে। বর্তমানে আদালতে চলমান ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করা সব চেক ডিজঅনার মামলার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। অন্যদিকে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার কথা জানিয়ে ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের আইনজীবী সাইফুজ্জামান তুহিন।

ঋণ আদায়ের জন্য এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বেসরকারি ব্র্যাক ব্যাংকের চেক ডিজঅনার মামলা বাতিল করে গত ২৩ নভেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের একক বেঞ্চ এ রায় দেন।

ওইদিন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি হাইকোর্টের রায়ের আলোকে নির্দেশনা জারি করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে নির্দেশ দেন আদালত। এছাড়াও সব প্রকার ঋণের বিপরীতে ইন্স্যুরেন্স কাভারেজ দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

২০১১ সালের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সেলিমগঞ্জের বরাইল মধ্যপাড়ার ক্ষুদ্রব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী ব্র্যাক ব্যাংক থেকে চার লাখ টাকা ঋণ নেন। পরে ৩৬ কিস্তির মধ্যে ২২ কিস্তি দেন। কিন্তু পরবর্তীসময়ে কিস্তি জমা দিতে না পেরে দুই লাখ ৯৫ হাজার ৯০৪ টাকার চেক দেন। কিন্তু এ চেক ডিজঅনার হওয়ায় ব্র্যাক ব্যাংক ২০১৫ সালের ২৭ জুলাই মামলা করে। এ মামলায় ২০১৬ সালের ২০ জুন মোহাম্মদ আলীকে বিচারিক আদালত ছয় মাসের সাজা ও দুই লাখ ৯৫ হাজার ৯০৪ টাকা জরিমানা করেন।

ইসলামী ব্যাংকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ : রিট করতে বললেন হাইকোর্ট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ভুয়া ঠিকানা ও কাগুজে কোম্পানি খুলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল) থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নেওয়া ও এস আলম গ্রুপের ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার ঘটনায় রিট করার পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে আনলে বুধবার (৩০ নভেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ পরামর্শ দেন।

আদালতে বিষয়টি নজরে আনেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি এ সময় আদালতের কাছে আদেশ প্রার্থনা করেন। তখন হাইকোর্ট বলেন, প্রতিবেদনগুলো সংযুক্ত করে রিট আবেদন আকারে কোর্টে আসুন। এসময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান উপস্থিত ছিলেন।

পরে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আমরা আজই আদালতে রিট করবো।
গত ২৪ নভেম্বর দৈনিক প্রথম আলোতে ইসলামী ব্যাংকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনের প্রথমাংশে বলা হয়, ব্যাংকের নথিপত্রে নাবিল গ্রেইন ক্রপস লিমিটেডের অফিসের ঠিকানা বনানীর বি ব্লকের ২৩ নম্বর সড়কের ৯ নম্বর বাড়ি। সেখানে গিয়ে দেখা গেল, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ আবাসিক ভবন। ঋণ পাওয়া মার্টস বিজনেস লিমিটেডের ঠিকানা বনানীর ডি ব্লকের ১৭ নম্বর সড়কের ১৩ নম্বর বাড়ি। সেখানে গিয়ে মিলল রাজশাহীর নাবিল গ্রুপের অফিস। তবে মার্টস বিজনেস লাইন নামে তাদের কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। এভাবেই ভুয়া ঠিকানা ও কাগুজে দুই কোম্পানি খুলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল) থেকে দুই হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে একটি অসাধু চক্র।

সব মিলিয়ে বিভিন্ন উপায়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। আটটি প্রতিষ্ঠানের নামে চলতি বছরেই এ অর্থ নেওয়া হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ তুলে নেওয়া হয় চলতি মাসের ১ থেকে ১৭ নভেম্বর সময়ে। যার পরিমাণ ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। এ জন্যই ব্যাংকটির কর্মকর্তারা চলতি মাসকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ বলে অভিহিত করছেন।

একইভাবে বেসরকারি খাতের সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকেও ২ হাজার ৩২০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে কোম্পানিগুলো। ফলে এ তিন ব্যাংকের কাছে প্রতিষ্ঠানগুলোর সুদসহ দেনা বেড়ে হয়েছে সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা। এমন সময়ে এসব অর্থ তুলে নেওয়া হয়, যখন ব্যাংক খাতে ডলার-সংকটের পর টাকার সংকট বড় আলোচনার বিষয়।

এদিকে মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) নিউ এইজ পত্রিকায় এস আলম গ্রুপ একাই ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩০ হাজার কোটি ঋণ নিয়েছে- এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদনটিও আদালতের নজরে আনা হয়।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

জিএম কাদেরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: হাইকোর্ট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদেরের দায়িত্ব পালনে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল সেটি স্থগিত করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আগামী ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত জিএম কাদেরের দলীয় দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধা রইলো না।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়ালের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে এদিন জিএম কাদেরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।

তিনি হাইকোর্টের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কারের পর গত ৪ অক্টোবর সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধা জিএম কাদেরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলার আলোকে জিএম কাদেরকে দলীয় কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন আদালত।

৩১ অক্টোবর ঢাকার যুগ্ম জেলা জজ (প্রথম আদালত) মাসুদুল হক এ আদেশ দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ নিয়ে করা রিট খারিজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন কোন কর্তৃত্ববলে পদে আছেন তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া রিট খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২০ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে ১৪ নভেম্বর এ বিষয়ে আরও শুনানির জন্য আজ রোববার (২০ নভেম্বর) দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ ও অ্যাডভোকেট এরশাদ হোসেন রাশেদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন ও সামসুন নাহার লাইজু।

শুনানিতে রিটকারী আইনজীবী বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ‘বিতর্কিত’ বক্তব্য দিয়ে শপথ ভঙ করেছেন এবং সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। তিনি দেশের নির্বাচনব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।

এসময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, মূলত পাবলিসিটির জন্য তারা এ রিট করেছেন। তখন আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এটা কোনো যুক্তি হতে পারে না। তখন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যের জন্য রিজয়েনডার দিয়েছেন। বলেছেন, তিনি এ ধরনের বক্তব্য দেননি। গণমাধ্যমে ভুলভাবে এসেছে। তখন আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে তার বক্তব্যের সপক্ষে কাগজপত্র (নথি) দাখিল করার নির্দেশ দেন। এরপর রিট শুনানি মূলতবি করে পরবর্তী শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন আইনজীবী মো. এরশাদ হোসেন রাশেদ। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিবাদী করা হয়।

অর্থ আত্মসাৎ: চীনা নাগরিকসহ ৬ জনের কারাদণ্ড
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় দি সিনফা নিটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান চীনা নাগরিক ইয়াং ওয়াং চুংসহ ছয়জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে দি সিনফা নিটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান চীনা নাগরিক ইয়াং ওয়াং চুং ও পরিচালক খসরু আল রহমান ১৩ বছর, দি সিনফা নিটার্স লিমিটেডের পরিচালক মনসরুল হক ও মো. গোলাম মোস্তফার ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তারা সবাই পলাতক আছেন।

এছাড়া ন্যাশনাল ব্যাংকের দিলকুশা শাখার তৎকালীন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (এক্সপোর্ট) আব্দুল ওয়াদুদ খান ও তৎকালীন এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহাবুদ্দিন চৌধুরীর ছয় বছরের কারাদণ্ড পাশাপাশি পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।jagonews24এর আগে ২৬ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেনের আদালতে মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন। এদিন মামলার রায় ঘোষণার জন্য ধার্য ছিল। রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ১৬ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন বিচারক।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে একটি জাল দলিল তৈরি করে তা খাঁটি হিসেবে ব্যাংকে বন্ধক রাখেন। দীর্ঘদিন ব্যাংকের কাছ থেকে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলার নিশ্চয়তা নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন।

এরপর ব্যাংকের দায়দেনা বাবদ দুই কোটি ৫৯ লাখ ৪০ হাজার ১৪৮ টাকা পরিশোধ না করে গা-ঢাকা দেন। যাতে ব্যাংক জাল-জালিয়াতির কাগজপত্র দিয়ে গ্রহণকৃত বন্ধকি (মর্টগেজড) জমি বিক্রি করে তাদের টাকা উদ্ধার করতে না পারে। তাদেরও কোনো হদিস করতে না পারে। আর এর ফলে প্রকৃত জমির মালিকও হয়রানির শিকার হন।

এ ঘটনায় দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। একই কর্মকর্তা মামলাটি তদন্ত করে ছয়জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের ২৪ জুন চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত। বিচার চলাকালীন ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ১১ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

সূত্র: জাগো নিউজ

জামায়াত আমিরের ছেলে রাফাত ফের দু’দিনের রিমান্ডে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মো. শফিকুর রহমানের ছেলে রাফাত সাদিক সাইফুল্লাহসহ দু’জনের আবার দু’ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রিমান্ডভূক্ত অপর আসামি হলেন আরিফ ফাহিম সিদ্দিকী।

আজ সোমবার তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু-তদন্তের স্বার্থে তাদের আবার সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আবুল বাসার। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম তাদের জামিন নামঞ্জুর করে প্রত্যেকের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এরআগে ১০ নভেম্বর দু’আসামিকে আদালতে হাজির করে তাদের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আবুল বাসার। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীম তাদের জামিন নামঞ্জুর করে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বুধবার (৯ নভেম্বর) সিলেট থেকে তাদের গ্রেফতার করে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।

মামলার সূত্রে জানা যায়, রাফাত সাদিক জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সিলেট অঞ্চলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও সমন্বয়ক। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে জিহাদি দাওয়াতের কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেফতার হওয়া তিন জঙ্গি সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদে রাফাতের নাম বেরিয়ে আসে। এরপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। বাসস

ছাত্র অধিকারের সভাপতিসহ ৮ জনের জামিন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রলীগের দুই নেতার করা মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আখতার হোসেনসহ আটজনের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (৭ নভেম্বর) ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সৈয়দা হাফসা ঝুমার আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে তারা জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিন পাওয়া অপর আসামিরা হলেন- ঢাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসাইন, ছাত্র অধিকারের নেতা সাদ্দাম হোসেন, আব্দুল কাদের, তরিকুল ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, জাহিদ হোসেন ও সানাউল্লাহ।

গত শনিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার তৃতীয় বার্ষিকীতে শুক্রবার (৭ অক্টোবর) ঢাবিতে সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। সেখানে আসামিরা কাউকে কিছু না জানিয়েই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে বেআইনিভাবে সমাবেত হয়ে উচ্ছৃঙ্খল বক্তব্য ও স্লোগান দিতে থাকেন।

আসামিরা তাদের বক্তব্যে সরকার, সরকার প্রধান ও বিভিন্ন মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে কুরুচিকর মন্তব্য করেন। তখন ছাত্রলীগ প্রতিবাদ করলে আসামিরা রড, হকিস্টিক, বাঁশের লাঠি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথাড়ি মারধর করেন। এসময় আসামিরা সাড়ে ১০ হাজার টাকা চুরি করে নেন।

এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে থাকা চেয়ার ও মাইক ভাঙচুর করেন। পুড়িয়ে দেওয়া হয় ছাত্র অধিকার পরিষদের ব্যানার ও ফেস্টুন। এতে পণ্ড হয়ে যায় সমাবেশ।

এ ঘটনায় ৮ অক্টোবর দুই নেতা বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় পৃথক দুইটি মামলা করেন। সেই মামলায় তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

বিপিসিতে ৪৭২ কোটি টাকা আত্মসাৎ : ব্যাখ্যা চাইলেন হাইকোর্ট
                                  

 

অনলাইন ডেস্ক : গত ৮ বছরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) ৪৭২ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অনিয়মের ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৬ নভেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ বিপিসি ও অডিটর জেনারেলকে এই ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

একই সঙ্গে ৪৭২ কোটি টাকা আত্মসাতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত।

আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন, অডিটর জেনারেল ও বিপিসির চেয়ারম্যানকে এ ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশ হয় বিপিসিতে ৪৭২ কোটি টাকা অনিয়ম হয়েছে বিগত ৮ বছরে। তা হাইকোর্টের নজরে আনেন সিনিয়র আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

সূত্র: আরটিভি অনলাইন

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার শুনানি আজ
                                  

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স, আসামিদের আপিল ও জেল আপিলের বিষয়ে শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ শুনানি হওয়া কথা রয়েছে।

চলতি বছরের আগস্টে এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল, জেল আপিল দ্রুত শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করেছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। পরে শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন প্রধান বিচারপতি।

তথ্যমতে, বিচারিক আদালত যখন ফৌজদারি মামলায় আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দেন তখন ওই দণ্ড কার্যকরের জন্য হাইকোর্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালত মামলার সব নথি হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেন, যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। ওই নথি আসার পর হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করে। এরপর মামলাটি শুনানির জন্য প্রস্তুত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়। গত বছরের ১৬ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার পেপারবুক বিজি প্রেস থেকে তৈরির পর সুপ্রিম কোর্টে এসে পৌঁছায়।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে ২৪ জন নিহত হন। আহত হন কয়েকশো নেতাকর্মী।

নৃশংস ওই হামলার ঘটনায় করা মামলায় ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেন। একইসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে আরও ১১ আসামিকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধের বিধান কেন বেআইনি নয়: হাইকোর্ট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জনগণের অধিকার আদায়ে মিছিল, মিটিং ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করার ক্ষমতাসংক্রান্ত ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) অ্যাক্ট’-এর ২৯ ধারা কেন সংবিধান পরিপন্থি ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (৩০ অক্টোবর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশ বা পুলিশের আইন বিধিমালা-২৯ (অ্যাক্ট) চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের ওপর শুনানি শেষ হয়। এ বিষয়ে আদেশের জন্যে আজ রোববার দিন ঠিক করেছিলেন হাইকোর্ট।

আদালতে আজ আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবদুল মোমেন চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

এর আগে সমাবেশ বা মিছিল নিষিদ্ধ করার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের ক্ষমতাসংক্রান্ত পুলিশ অধ্যাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়।

রিটে পুলিশের আইন বিধিমালা-২৯-কে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অবৈধ ঘোষণা করার নির্দেশনা চাওয়া হয়। একইসঙ্গে রিটে এ অধ্যাদেশের অধীন পুলিশের দায়মুক্তির বিধান এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ রুলস, ২০০৬-এর বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়।

রিটে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অ্যর্ডিন্যান্স ১৯৭৬-এর সেকশন ২৯ ও ১০৫ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (সভা, সমাবেশ, মিছিল এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ) রুলস ২০০৬-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

সেকশন ২৯-এ বলা হয়েছে, জনসাধারণের শান্তি বা নিরাপত্তা রক্ষার জন্য পুলিশ কমিশনার যখনই প্রয়োজন মনে করবেন এবং যতদিনের প্রয়োজন বিবেচনা করবেন লিখিত আদেশে জনসমাবেশ বা মিছিল নিষিদ্ধ করতে পারবেন। তবে এ ধরনের কোনো নিষেধাজ্ঞা সরকারের অনুমতি ছাড়া ৩০ দিনের বেশি দেওয়া যাবে না।

সেকশন ১০৫-এ বলা হয়েছে, এ অধ্যাদেশের কোনো বিধান অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইন বা সে উদ্দেশ্যে প্রণীত কোনো বিধি, প্রবিধান আদেশ বা নির্দেশের অধীন সরল বিশ্বাসে করা কোনো কাজ বা ক্ষতির জন্য কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।

সমাবেশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসংগত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

গত ২০ অক্টোবর জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল মোমেন চৌধুরী। অন্য রিটকারীরা হলেন- কে এম জাবির, চাঁদুপর বারের আইনজীবী সেলিম আকবর, রাজধানীর বাসিন্দা শাহ নুরুজ্জামান ও মোহাম্মদ ইয়াসিন।

রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

নির্বাচনের আগে খালেদাকে কারাগারে পাঠানোর সম্ভাবনা নেই: আইনমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দুর্নীতির দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে অন্তর্বর্তীকালীন মুক্তিতে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে কারাগারে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এক কর্মশালার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

আনিসুল হক বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ফৌজদারি কার্যবিধি ৪০১ ধারায় বেগম খালেদা জিয়ার দণ্ডাদেশ স্থগিত রেখে শর্তযুক্তভাবে তাকে যে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তাতে পরিবর্তন আনার কোনো চিন্তা-ভাবনা সরকার করছে না।

খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে আগের দুই শর্ত বহাল রেখে তার মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়িয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষাসেবা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়লো সরকার। পঞ্চম দফায় তার মুক্তির মেয়াদ শেষ হয় গত ২৪ সেপ্টেম্বর।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগের মতো খালেদা জিয়া ঢাকার নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং এসময়ে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না- এ দুটি শর্তে দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।

গত ২২ আগস্ট স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যান বিএনপি চেয়ারপারসন। এর পাঁচদিন পর ২৮ আগস্ট ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের নানা প্রক্রিয়া শেষ করে গত ৩১ আগস্ট বাসায় ফেরেন খালেদা।

দুটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন। নির্বাহী আদেশে তার দণ্ড স্থগিত রয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত।

রায় ঘোষণার পর খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। এরপর ৩০ অক্টোবর এই মামলায় আপিলে তার আরও পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট।

একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন একই আদালত।

রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

২০২০ সালের মার্চে করোনা মহামারি শুরু হলে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিত করে কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে সরকার শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেয়।

প্রথম দফা মুক্তির মেয়ার শেষ হয়ে এলে ওই বছরের ২৫ আগস্ট বেগম জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে স্থায়ী মুক্তি চেয়ে আবেদন করা হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে সরকার দ্বিতীয় দফায় গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ছয় মাসের জন্য তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ায়।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার আবেদনও করে পরিবার। কিন্তু সরকার সেই প্রস্তাব আমলে না নিয়ে আরও তিনদফা মুক্তির মেয়াদ বাড়ায়, যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর।

মুনিয়ার মৃত্যু: বসুন্ধরা এমডিসহ ৮ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর গুলশানে কলেজশিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিয়া (২১)-কে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পিবিআই।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

এ মামলায় অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরসহ আটজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বসুন্ধরার এমডিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় পিবিআই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। এ বিষয়ে আজ বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাকিল আহাম্মদের আদালতে প্রতিবেদন গ্রহণের বিষয়ে শুনানি হবে।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ আদালতে মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া বাদী হয়ে এ মামলা করেন। ওই আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ বেগম মাফরোজা পারভীন মামলাটি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

এ মামলায় বসুন্ধরার এমডি সায়েম সোবহান আনভীর, তার বাবা বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, মা আফরোজা সোবহান, আনভীরের স্ত্রী সাবরিনা, হুইপপুত্র শারুনের সাবেক স্ত্রী সাইফা রহমান মিম, কথিত মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা, পিয়াসার বান্ধবী ও ঘটনাস্থল গুলশানের ফ্ল্যাট মালিকের স্ত্রী শারমিন ও তার স্বামী ইব্রাহিম আহমেদ রিপনকে আসামি করা হয়।

২০২১ সালের ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাট থেকে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এক যুগে হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ডের ১১৫১ মামলার নিষ্পত্তি
                                  

গত ১২ বছরে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নিষ্পত্তি হয়েছে মৃত্যুদণ্ডের সাড়ে এগারশ মামলা। এসময়ে মৃত্যুদণ্ডের মামলা তথা ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে এসেছিল দেড় হাজারের বেশি।

মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এদিকে গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সময়েই নিষ্পত্তি হয়েছে ২৯টি ডেথ রেফারেন্স মামলা।

ফৌজদারি মামলায় বিচারিক আদালত যখন আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দেন তখন ওই দণ্ড কার্যকরের জন্য হাইকোর্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক মামলার সব নথি হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেন। যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত।

প্রক্রিয়া শেষে হাইকোর্টে হয় শুনানি। পরে হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপিল বিভাগে আপিল করতে পারেন। রিভিউ নিষ্পত্তির পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন। রাষ্ট্রপতি ক্ষমার আবেদন না মঞ্জুর করলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আইনগত বৈধতা তৈরি হয়।

সুপ্রিম কোর্টের তথ্য অনুসারে, ২০১০ সাল থেকে ২০২২ সালের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স আসে এক হাজার ৫৪৫টি। আর নিষ্পত্তি হয়েছে এক হাজার ১৫১টি। এর মধ্যে সর্বোচ্চ নিষ্পত্তি হয়েছে ২০১২ সালে। ওই বছর ১৪৫টি নিষ্পত্তি হয়েছে। আর চলতি বছরের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়েছে ১২৫টি মামলা।

জামিন চেয়ে হাইকোর্টে মিন্নির আবেদন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি হয়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন।

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মিন্নির জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে রোববার (১৬ অক্টোবর) নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী। হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

এর আগে ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর এ মামলায় খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন মিন্নি।

২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। পাশাপাশি ছয় আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়। বাকি চারজনকে দেওয়া হয় খালাস।

পরে নিয়ম অনুসারে একই বছরের ৪ অক্টোবর ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পৌঁছে। পাশাপাশি ৬ অক্টোবর মিন্নিসহ অন্য আসামিরা আপিল করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. রাকিবুল হাসান রিফাত ওরফে রিফাত ফরাজী, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বী আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খাঁন হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। খালাস পেয়েছিলেন- মো. মুসা (পলাতক), রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন।

২০১৯ সালের ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজ রোডের ক্যালিক্স একাডেমির সামনে স্ত্রী মিন্নির সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে জখম করে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীর সহযোগীরা। গুরুতর অবস্থায় রিফাতকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত মারা যান।

দেড় মাস পর খুলছে সুপ্রিম কোর্ট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অবকাশ শেষে ৪৪ দিন পর আজ থেকে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রমে ফিরছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ। গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে অবকাশকালীন ছুটি শুরু হয় সুপ্রিম কোর্টে।

খোলার দিন থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার দিয়ে গঠিত ৫৫ বেঞ্চে শুনানির জন্য মামলার কার্যতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে বেঞ্চে আজ রোববারের কার্যতালিকায় শুনানির জন্য এক হাজার ৬৫৮টি মামলা রয়েছে।

অবকাশকালীন ছুটি শেষে আজ প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা আইনজীবীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। মূল ভবনের ভেতরের লনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।

রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা চলমান অবকাশকালীন ছুটির পর প্রথম কার্যদিবস রোববার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক এবং আইনজীবীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হবেন।

এদিকে অবকাশের পর উচ্চ আদালতে বেশকিছু আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে। এ সময় মামলার মধ্যে রয়েছে ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদন শুনানি, সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতির বিধান বাতিল প্রশ্নে মামলার শুনানি, দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি, ড. তাহের হত্যা মামলার রিভিউ শুনানি, পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে রুলের ওপর শুনানি, গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীরের বরখাস্তের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানি, সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের জামিন শুনানির মতো গুরুত্বপূর্ণ রিট এবং অন্যান্য রুলের বিষয়ে শুনানি থাকছে আদালতে।


   Page 1 of 51
     আদালত
এনামুল বাছিরের জামিন আপিলেও বহাল
.............................................................................................
চেক ডিজঅনার মামলা: হাইকোর্টের রায় আপিলে স্থগিত
.............................................................................................
ইসলামী ব্যাংকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ : রিট করতে বললেন হাইকোর্ট
.............................................................................................
জিএম কাদেরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: হাইকোর্ট
.............................................................................................
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ নিয়ে করা রিট খারিজ
.............................................................................................
অর্থ আত্মসাৎ: চীনা নাগরিকসহ ৬ জনের কারাদণ্ড
.............................................................................................
জামায়াত আমিরের ছেলে রাফাত ফের দু’দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
ছাত্র অধিকারের সভাপতিসহ ৮ জনের জামিন
.............................................................................................
বিপিসিতে ৪৭২ কোটি টাকা আত্মসাৎ : ব্যাখ্যা চাইলেন হাইকোর্ট
.............................................................................................
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার শুনানি আজ
.............................................................................................
মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধের বিধান কেন বেআইনি নয়: হাইকোর্ট
.............................................................................................
নির্বাচনের আগে খালেদাকে কারাগারে পাঠানোর সম্ভাবনা নেই: আইনমন্ত্রী
.............................................................................................
মুনিয়ার মৃত্যু: বসুন্ধরা এমডিসহ ৮ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ
.............................................................................................
এক যুগে হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ডের ১১৫১ মামলার নিষ্পত্তি
.............................................................................................
জামিন চেয়ে হাইকোর্টে মিন্নির আবেদন
.............................................................................................
দেড় মাস পর খুলছে সুপ্রিম কোর্ট
.............................................................................................
স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শুভ্র হত্যা: ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ৩
.............................................................................................
আদালতে জি কে শামীম, রায় দুপুরে
.............................................................................................
জাপানি নাগরিক হোশি কুনিও হত্যা: ৪ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল
.............................................................................................
ইভ্যালির নতুন বোর্ডে থাকছেন শামীমা নাসরিন
.............................................................................................
জামিনের মেয়াদ বাড়ল সম্রাটের
.............................................................................................
দুর্নীতির মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি আজ
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ: নেত্রকোনার খলিলুরের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে পদক্ষেপ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ
.............................................................................................
আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে ক্রিকেটার আল-আমিনের আবেদন
.............................................................................................
সম্রাটের জামিন কেন বাতিল হবে না: হাইকোর্ট
.............................................................................................
উসকানিমূলক ভিডিও সরাতে হাইকোর্টের নির্দেশ
.............................................................................................
সম্রাটের জামিন বাতিলের আবেদন শুনবেন হাইকোর্ট
.............................................................................................
সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারে অনুমতির বিধান বাতিল
.............................................................................................
হাইকোর্ট চলবে সাড়ে ৯টা-পৌনে ৩টা, আপিল বিভাগ অপরিবর্তিত
.............................................................................................
রিফাত হত্যা: যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত সব আসামি আপিলে খালাস
.............................................................................................
প্রাইভেটকারে গার্ডার: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট
.............................................................................................
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
.............................................................................................
সুইস ব্যাংকে অর্থপাচার : সর্বশেষ ১৭ জুন তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ, হাইকোর্টে প্রতিবেদন
.............................................................................................
শপথ নিলেন নতুন ১১ অতিরিক্ত বিচারপতি
.............................................................................................
হাইকোর্টে ১১ বিচারপতি নিয়োগ
.............................................................................................
ট্রেনের ছাদে যাত্রী নেওয়া যাবে না: হাইকোর্ট
.............................................................................................
কমলাপুরে রনির অবস্থান: খোঁজ নিতে বললেন হাইকোর্ট
.............................................................................................
কারোনার ভুয়া রিপোর্ট: ডা. সাবরিনা-আরিফের ১১ বছরের কারাদণ্ড
.............................................................................................
সম্রাটের জামিন শুনানি ১১ আগস্ট
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি ভয়ংকর অপরাধ : হাইকোর্ট
.............................................................................................
ড. ইউনূসের মামলার কার্যক্রম দুই মাস স্থগিত থাকবে
.............................................................................................
জাপানি মায়ের অভিযোগ খারিজ, বাবার আবেদন শোনেননি আদালত
.............................................................................................
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মিন্নির হাইকোর্টে জামিন আবেদন
.............................................................................................
বার কাউন্সিলের ভোটে আ’লীগ এগিয়ে ১০ পদে, বিএনপি ৪
.............................................................................................
মিল্কি হত্যা মামলার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ: মৌলভীবাজারের আজিজসহ ৩ জনের ফাঁসি
.............................................................................................
দুই শিশুকে নিয়ে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে জাপানি মায়ের আবেদন
.............................................................................................
কোন কোন দেশে টাকা রেখেছেন পি কে হালদার, জানতে চান হাইকোর্ট
.............................................................................................
পি কে হালদারকে দেশে ফেরাতে রুল শুনানি আজ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD