বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী   * ঢাকায় ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাচলে সতর্কতা জারি   * ৬৫ বছরের বেশি বয়সীরাও হজে যেতে পারবেন: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী   * ছাত্রলীগকে গুজবের জবাব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর   * বাংলাদেশ ৩০০ কোটির বেশি মানুষের বাজার হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী   * গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে ফের ভোট ৪ জানুয়ারি   * বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ করলো ইন্দোনেশিয়া   * সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ১২ ডিগ্রির নিচে নামলো তাপমাত্রা   * ছাত্রলীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী   * কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত  

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশ প্রসঙ্গে কাদের, ‘সমাধান হয়ে যাবে’

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকায় আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশের স্থান নিয়ে সরকারের সঙ্গে দলটির যে দ্বান্দ্বিক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তা সমাধান হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত প্রণয় কুমার ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।

১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশস্থল নিয়ে এখনো সমঝোতা হয়নি, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ওবায়দুল কাদের তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বলেন, ‘(সমঝোতা) হয়ে যাবে। বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশে মেঘ, ঘন মেঘ ঘনীভূত হয়, আবার চট করে চলে যায়।’

আপনি কী আশাবাদী এমন প্রশ্নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অলওয়েজ আই অ্যাম ইন্টারনাল অপটিমিস্টিক (আমি চিরন্তন আশাবাদী মানুষ), আমি এ ব্যাপারেও আশাবাদী।’

আপনি কী মনে করেন তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করবে নাকি সরকার আরামবাগে অনুমতি দেবে- প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যেটাই হোক, একটা সমাধান হবে।’

সমঝোতার কোনো পথ খোলা রেখেছেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। দলের পক্ষ থেকে আমি বলতে চাই। আমরা সরকারে আছি, কেন দেশের অশান্তি চাইবো? আমরা কেন আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, এমন কাজ করবো? দরকার তো নেই।’

‘এখন যদি আতঙ্কের বা এখানে আক্রমণ করা হয়, যদি উসকানি দেওয়া হয়, আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে, আমরা চুপ করে বসে থাকবো? আশা করছি, বিরোধী দল শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করবে। দলীয়ভাবে আমরা তাদের সঙ্গে কখনো সংঘাত সৃষ্টি করিনি। এখন আমরা সংঘাত চাই না।’

ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি প্রথম এসেছেন, এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। এর ভেতরেও আমরা সবকিছু আলোচনা করেছি। সড়ক যোগাযোগ নিয়ে আমাদের কিছু প্রকল্প আছে। সেগুলোর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিস্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করার কথা জানিয়েছেন।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘তবে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি কোনো মতামত দেননি। আমি আমার বক্তব্য বলেছি।’

ভারত কেমন নির্বাচন দেখতে চায় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এসব কিছু নিয়ে কথা হয়নি। অহেতুক আমি মিথ্যা কথা বলবো কেন? তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি বলেছি যে, বিরোধী দল আন্দোলন করছে। তারা সরকারের পদত্যাগ চাচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা নির্বাচন করবে না। ১০ ডিসেম্বরে বিএনপির মহাসমাবেশ নিয়েও কথা হয়েছে। সমাবেশের স্থান নিয়ে বিএনপি অনড়, তা জানিয়েছি।’

১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশ প্রসঙ্গে কাদের, ‘সমাধান হয়ে যাবে’
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকায় আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশের স্থান নিয়ে সরকারের সঙ্গে দলটির যে দ্বান্দ্বিক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তা সমাধান হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত প্রণয় কুমার ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।

১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশস্থল নিয়ে এখনো সমঝোতা হয়নি, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ওবায়দুল কাদের তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বলেন, ‘(সমঝোতা) হয়ে যাবে। বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশে মেঘ, ঘন মেঘ ঘনীভূত হয়, আবার চট করে চলে যায়।’

আপনি কী আশাবাদী এমন প্রশ্নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অলওয়েজ আই অ্যাম ইন্টারনাল অপটিমিস্টিক (আমি চিরন্তন আশাবাদী মানুষ), আমি এ ব্যাপারেও আশাবাদী।’

আপনি কী মনে করেন তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করবে নাকি সরকার আরামবাগে অনুমতি দেবে- প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যেটাই হোক, একটা সমাধান হবে।’

সমঝোতার কোনো পথ খোলা রেখেছেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। দলের পক্ষ থেকে আমি বলতে চাই। আমরা সরকারে আছি, কেন দেশের অশান্তি চাইবো? আমরা কেন আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, এমন কাজ করবো? দরকার তো নেই।’

‘এখন যদি আতঙ্কের বা এখানে আক্রমণ করা হয়, যদি উসকানি দেওয়া হয়, আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে, আমরা চুপ করে বসে থাকবো? আশা করছি, বিরোধী দল শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করবে। দলীয়ভাবে আমরা তাদের সঙ্গে কখনো সংঘাত সৃষ্টি করিনি। এখন আমরা সংঘাত চাই না।’

ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি প্রথম এসেছেন, এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। এর ভেতরেও আমরা সবকিছু আলোচনা করেছি। সড়ক যোগাযোগ নিয়ে আমাদের কিছু প্রকল্প আছে। সেগুলোর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিস্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করার কথা জানিয়েছেন।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘তবে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি কোনো মতামত দেননি। আমি আমার বক্তব্য বলেছি।’

ভারত কেমন নির্বাচন দেখতে চায় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এসব কিছু নিয়ে কথা হয়নি। অহেতুক আমি মিথ্যা কথা বলবো কেন? তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি বলেছি যে, বিরোধী দল আন্দোলন করছে। তারা সরকারের পদত্যাগ চাচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা নির্বাচন করবে না। ১০ ডিসেম্বরে বিএনপির মহাসমাবেশ নিয়েও কথা হয়েছে। সমাবেশের স্থান নিয়ে বিএনপি অনড়, তা জানিয়েছি।’

মতিঝিলের রাস্তা বিএনপির এত পছন্দ কেন, জানতে চান তথ্যমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানতে চেয়েছেন মতিঝিলের রাস্তা বিএনপির এত পছন্দ কেন? ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশে করতে তাদের কেন এত অনীহা?

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মিশরে অনুষ্ঠিত ‘কপ-২৭ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ বিষয়ে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম এ সভার আয়োজন করে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির চাওয়া অনুযায়ী তাদেরকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের যেতে এত অনীহা কেন? তারা শুধু রাস্তায় জনসভা করতে চায়। কিন্তু দেশের নাগরিক এবং সাংবাদিকরা রাস্তায় সমাবেশ চান না। রাস্তায় সমাবেশ করলে জনভোগান্তি হয়।

প্রকৃতপক্ষে বিএনপি জনসভা নয়, ইস্যু বানাতে চায় জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেবে না। কেউ অপচেষ্টা চালালে নেতাকর্মীরা দেশবাসীকে নিয়ে তা প্রতিহত করবে। এ দেশের মালিক জনগণ। ক্ষমতায় কে থাকবে, কে থাকবে না তা জনগণই নির্ধারণ করবে।

খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দীতে জড়ো হচ্ছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন আজ। সম্মেলন উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সম্মেলনস্থলে জড়ো হচ্ছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, টিএসসি, রমনা কালী মন্দির গেট, দোয়েল চত্বরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

ছাত্রলীগের সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় এ সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একের পর এক মিছিল নিয়ে সম্মেলনস্থলে আসছেন বিভিন্ন হলের নেতারা। বিভিন্ন রংয়ের পোশাক পড়ে খণ্ড খণ্ড মিছিল আর ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে মেতেছেন নেতাকর্মীরা। বিভিন্ন রঙের শাড়ি পড়ে মেয়েরাও হলগুলো থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সম্মেলনস্থলে আসছেন।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সম্মেলনস্থলে প্রবেশের জন্য একাধিক গেট রাখা হয়েছে। প্রবেশ পথগুলোতে লাইনে দাঁড়িয়ে উদ্যানে প্রবেশ করতে দেখা যায় নেতাকর্মীদের। পুলিশ এসময় তল্লাশি করে প্রবেশ করাচ্ছে সম্মেলনে আসা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের।

এই ডিসেম্বরেই খেলা হবে: কাদের
                                  

জেলা প্রতিনিধি : বিএনপি নেতাকর্মীদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খেলা হবে, হবে খেলা। এই ডিসেম্বরে খেলা হবে। আগামী নির্বাচনে হবে খেলা, আন্দোলনে খেলা হবে, অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে খেলা হবে। টাকা চুরির বিরুদ্ধে, ভোট চুরির বিরুদ্ধে খেলা হবে। হাওয়া ভবনের বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে খেলা হবে। দুঃশাসনের বিরুদ্ধে খেলা হবে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘খেলা হবে’ স্লোগান মির্জা ফখরুলের পছন্দ নয়। আরও কারও কারও পছন্দ নয়। কিন্তু যে স্লোগান সারাদেশের জনগণ পছন্দ করে সেই স্লোগান আমি দিয়েই যাবো।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপি নাকি ঢাকা দখল করবে। ফখরুল সাহেব আমি বলতে চাই, আমাদের নেতাকর্মীরা মহানগর জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডসহ পাড়া-মহল্লায় পাহারায় থাকবে। স্মরণ আছে? বিএনপি বিআরটিসির বাস পুড়িয়েছে। ঢাকা-সিলেট সড়কে শেখ হাসিনার ভিত্তিপ্রস্তর রাতের অন্ধকারে পুড়িয়েছে। তারা আগুন-লাঠি নিয়ে আসবে, এজন্য তারা পার্টি অফিসে সমাবেশ করতে চায়। বিশাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ফখরুলরা বলেন ‘খাঁচা’।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে বিশ্বাস ঘাতক উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তিনি ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড। ৩ নভেম্বরে জাতীয় চার নেতাকেও তার ইশারায় হত্যা করা হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘অস্তিত্বের জন্য ঐক্যের বিকল্প নেই। আমি শান্তি চাই। নোয়াখালী ও রাজনীতির স্বার্থে আমি এমপি একরাম ও আমার ভাই কাদের মির্জাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। নোয়াখালীর আওয়ামী লীগে আমি কোনো কলহ রাখতে চাই না।’


দুপুর ১২টার দিকে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ওবায়দুল কাদের। এতে জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ খায়রুল আ ন ম সেলিমের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সুজিত রায় নন্দি, ফরিদুন্নাহার লাইলী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী, এইচ এম ইব্রাহিম, মেরশেদ আলম, মামুনুর রশিদ কীরণ, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন শাহীন, সহিদ উল্যাহ খান সোহেল প্রমুখ।

সম্মেলনে বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ এএইচএম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিমকে পুনরায় সভাপতি হিসেবে নাম ঘোষণা করেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় আগামী ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘোষণা স্থগিত রাখেন।

ময়লার গাড়ি ভাঙচুর: রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
                                  

 

অনলাইন ডেস্ক : সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি ভাঙচুর করার মামলায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন তোফাজ্জল হোসেন এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) আদালতের পেশকার আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ঠিক ছিল। এদিন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমীরসহ তিনজন হাজিরা দেন। রিজাভীসহ তিনজন আদালতে হাজির হননি। এজন্য বিচারক তাদের জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আগামী ২৯ মার্চ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর প্রতিদিনের কাজের অংশ হিসেবে সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি মিন্টু রোডের ইস্কাটন হয়ে মাতুয়াইলের দিকে যাচ্ছিল। পথে কাকরাইলের বিজয়নগরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে ২০০-২৫০ জন লাঠি-সোটা নিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় গাড়ির চালক আয়নাল বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালে ফখরুলসহ নয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রুহুল কবির রিজভীর ,জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও শফিকুল বারী বাবু।

চলতি বছরের ২ মার্চ রাজধানীর হাতিরঝিল থানার পৃথক দুই মামলায় রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। গত বছরের ২৫ নভেম্বর রাজধানীর বাড্ডা থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ। ২৫ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগ থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় রিজভী বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন মহানগর দায়রা জজ আদালত।

বাসা ঘেরাও করে গণসমাবেশ দমানো যাবে না: মির্জা আব্বাস
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাসা ঘেরাও করে ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশ দমানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শাহজাহানপুরে তার নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, সকাল থেকে তার শাহজাহানপুরের বাসা ঘিরে রাখে পুলিশ। ওই সময় বাসায় নেতাকর্মীদের নিয়ে ঘরোয়া প্রস্তুতি সভা চলছিল। পুলিশি ঘেরাওয়ে এ সময় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন নেতাকর্মীরা। আতঙ্কে অনেকে বাসা থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করে। পরে অবশ্য তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বাড়ির সামনে তল্লাশি চৌকি, নেতাকর্মীদের গ্রেফতার হয়রানি, আমার বাসা ঘেরাও সবই একইসূত্রে গাঁথা। বাসা ঘেরাও করে ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশ দমানো যাবে না। সমাবেশ বানচাল করতে ভয় পেয়ে সরকার এসব করছে।

বিএনপির সমাবেশ নিয়ে মানুষ আতঙ্কে আছে: ওবায়দুল কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপির সমাবেশ নিয়ে মানুষ আতঙ্কে আছে দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণতন্ত্র বিকাশমান প্রক্রিয়া। শেখ হাসিনার সরকার সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কাজ করছে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বাধা; তারা সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষক। তাদের সমাবেশ নিয়ে মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। সমাবেশের নামে নৈরাজ্য করলে রাজপথেই মোকাবিলা করবে আওয়ামী লীগ।

গণতন্ত্র বিকাশে সরকারের সঙ্গে বিরোধীদলের ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।

এসময় তিনি বিএনপির আমলে নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের প্রাণ। কিন্তু আমরা জানি সেই নির্বাচন কীভাবে হয়েছে। এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটারের ১৫ ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন। এগুলো এদেশের ইতিহাসে আছে। আমরা ভুলে যাইনি। এখনো সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি, জঙ্গিবাদী শক্তি গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সক্রিয়। এদের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, হোসেন সোহরাওয়ার্দীর ৫৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য, এর পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না সেটা আমরা আজও জানি না। কোনোদিন জানা যাবে সেটাও এই মুহূর্তে বলা যাবে না। হোসেন সোহরাওয়ার্দী গণতন্ত্রের মানুষপুত্র। গণতন্ত্রই তার জীবনের মূলভৌত। সোহরাওয়ার্দী বলেছেন, ‘শাসনতন্ত্রের পাশে জনগণের রায়ই শেষ কথা।’ আজ জনগণই হচ্ছে আমাদের ক্ষমতার উৎস।

বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিকাশে পদে পদে বাধার সম্মুখীন হয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই শুরু করেন। সারাদেশ ঘুরে ঘুরে মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধের পক্ষে, স্বাধীনতার আদেশের পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে ক্যাম্পিং করেন। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে গণতন্ত্রের শৃঙ্খল মুক্তি ঘটিয়েছেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এসএম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক জাহানারা বেগম, শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাপা, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনিবাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, সাহাবুদ্দিন ফরাজি, আজিজুস সামাদ আজাদ (ডন) ও সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম প্রমুখ।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হলেন রাহাত হুসাইন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য নির্বা‌চিত হয়েছেন রাহাত হুসাইন। গতকাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম খান শিমুল। তিনি জানান, গত ৩১ জুলাই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপ‌তি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে তাকে সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাহাত হুসাইন আওয়ামী পরিবারের সন্তান। তার বাবা শাহ আলম গেন্ডারিয়া থানার ইস্টার্ন ক্লাব ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি। এর আগে রাহাত হুসাইন সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগের মানবিক শাখার সভাপতি ও গেন্ডারিয়া থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাহাত হুসাইন
১০ম জাতীয় নির্বাচন ও ২০১৪ সালে বিএনপি-জামায়াত ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তৎপরতা, জ্বালাও পোড়াও এবং নৈরাজ্য প্রতিবাদে রাজপথে ছিলেন। এছাড়াও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগে আলেম-ওলামাদের নৌকার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য প্রচারণায় চালায় । এছাড়াও তিনি সামজিক সংগঠন ন্যাশনাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির ( এনএফএস) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করছেন এবং অসাম্প্রদায়িক মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

 

জানতে চাইলে ছাত্রলীগের মেধাবী ছাত্রনেতা রাহাত হুসাইন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভিশন ও মিশন রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অভিভাবক দেশরত্ন শেখ হাসিনার একজন কর্মী হয়ে কাজ করে যেতে চাই। ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের ছাত্রলীগের একজন কর্মীকে মূল্যায়ন করায় আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।`

 

শেখ ফজলুল হক মনির ৮৪তম জন্মদিন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ৮৪তম জন্মদিন রোববার (৪ ডিসেম্বর)।

শেখ ফজলুল হক মনি ১৯৩৯ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার ঐতিহাসিক শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর সঙ্গেই শেখ মণি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম সামছুন্নেছা আরা আরজু মণিকে নৃশংসভাবে হত্যা করে ঘাতকরা।

শেখ ফজলুল হক মনি ঢাকা নবকুমার ইনস্টিটিউট থেকে মাধ্যমিক ও জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ১৯৬০ সালে বরিশাল বিএম কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন। ষাটের দশকে সামরিক শাসনবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে তিনি সাহসী নেতৃত্ব দেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি মুজিব বাহিনীর অধিনায়ক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৭২ সালে যুবলীগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ দেশে যুব রাজনীতির সূচনা করেন।

শেখ ফজলুল হক মনি ১৯৬২-৬৩ সালের মেয়াদে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পাকিস্তান দোসর মোনায়েম সরকার তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ ডিগ্রী কেড়ে নেয়। তিনি দৈনিক বাংলার বাণী, বাংলাদেশ টাইমস এবং বিনোদন পত্রিকা সাপ্তাহিক সিনেমার সম্পাদক ছিলেন।

যুবলীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শেখ মনির জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্য রয়েছে রোববার সকাল ৯টায় বনানী কবরস্থানে শহীদ শেখ ফজলুল হক মনিসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত করা হবে। পরদিন সোমবার ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে অসহায়-দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।

এ ছাড়াও আগামী ৪, ৫ ও ৬ ডিসেম্বর যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ শেখ ফজলুল হক মনির ৮৪তম জন্মদিন উপলক্ষে দেশব্যাপী সকল মসজিদে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা সভা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং অসহায়, এতিম ও দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বা খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে।

বিএনপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন দুপুরে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি। রোববার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সম্মেলন হবে।

এতে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এ তথ্য জানান।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনের সামনের সড়কের দুইপাশে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। শনিবার রাতে এই চেকপোস্ট বসানো হয়।

অন্যদিকে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। দলটি দাবি করছে সাভারের আমিনবাজার থেকে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টুকুকে নিয়ে গেছে।

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির জনসমাবেশ করার কথা রয়েছে। তবে সমাবেশের স্থান নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা। সরকার সমাবেশের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নির্ধারণ করেছে। আর বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে অনড়।

তরুণদের দুর্বার আন্দোলনে আওয়ামী লীগের পতন ঘটবে: ফখরুল
                                  

অনলাইন ডেস্ক : তরুণদের দুর্বার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় দুঃস্বপ্ন দেখছে এই বুঝি তাদের গদি গেলো। যেটাকে আমরা বলি ‘চোরের মন পুলিশ পুলিশ’। তারা হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে। আওয়ামী লীগ নেতারা এখন লুটেরা দলে পরিণত হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজশাহীর গণসমাবেশ বন্ধ করতে সরকার পরিবহন ধর্মঘট ডেকেছে। আমাদের সমাবেশকে সফল করতে কেউ বিমানে, কেউ নৌকায়, কেউ মোটরসাইকেলে, কেউ ট্রেনে আবার অনেকে সাইকেলে এসেছেন। তাদেরকে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, আমরা এখানে মঞ্চে যারা বসে আছি অধিকাংশই বীর মুক্তিযোদ্ধা। ধানের শীষে আজ রক্ত জমেছে। এই রক্ত পরিষ্কার করতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি। আমরা আন্দোলন শুরু করেছি শেখ হাসিনা পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, নিজেদের পকেট ভারী করে জনগণকে গরিবে রূপান্তরিত করছে এ সরকার। পরিকল্পিতভাবে আমাদের রাজনৈতিক কাঠামোকে ধ্বংস করে দিচ্ছে তারা। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বাংলার মাটিতে আর কোনো নির্বাচন হবে না। দশ তারিখের (১০ ডিসেম্বর) সমাবেশকেও ভয় পাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার।

ফখরুল আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আমরা নির্বাচনে যাবো না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন পরিচালনা করবে এবং তাদের অধীনে সব দল নির্বাচনে অংশ নেবে। তরুণদের দুর্বার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটবে।

সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিনা রহমান, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।

খেলা হবে, রাজপথসহ পাড়া মহল্লায়ও প্রস্তুত থাকতে হবে: কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রতিপক্ষকে মোকাবিলায় রাজপথসহ পাড়া মহল্লায় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে খেলা হবে, ভোট চুরির বিরুদ্ধে খেলা হবে। রাজপথ, জনপদ, শহর, গ্রাম, পাড়ামহল্লা সবখানেই সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুত থাকতে হবে। হামলা হলে পাল্টা হামলা হবে কি-না সময়ই বলে দেবে।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান গতকালও ঢাকার এক ক্যাডারের সঙ্গে কনভারসেশন করেছেন। লন্ডন থেকে বলেছেন, তোমরা রাস্তা ছাড়বো না, শেখ হাসিনা পালানোর পথ খুঁজছে। তার এমপি-মন্ত্রীরাও পালানোর পথ খুঁজছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকার সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোহিত উর রহমান শান্তর সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বাবু অসিম কুমার উকিল, সদস্য মারুফা আক্তার পপি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফ আহমেদ, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ বাবু, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরুসহ প্রমুখ।

রাজশাহীতে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিএনপির গণসমাবেশ শুরু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ শুরু হয়েছে। শনিবার দুপুর ২টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে গণসমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়।

শনিবার সকাল ৭টা থেকেই নেতাকর্মীরা মাঠে ঢুকতে শুরু করেন। সকাল ১০টার দিকে বেশকিছু নেতাকর্মী মাঠে ছিলেন। মাঠের মধ্যে নেতাকর্মীরা মঞ্চ ঘুরে দেখছেন। কেউ কেউ শীতের সকালে রোদের উত্তাপ নিচ্ছেন। রাজশাহী বিভাগের আট জেলার বিএনপি নেতাকর্মীরা গত চারদিন আগে থেকেই মাদ্রাসা ময়দানে আসতে শুরু করেছেন।

গণসমাবেশ আয়োজন কমিটির দলনেতা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু জানান, বেলা ২টা থেকে গণসমাবেশ শুরুর পূর্বনির্ধারিত সময় ছিল। কিন্তু নেতাকর্মীরা চলে আসায় আগেই গণসমাবেশ শুরু হয়।

এ গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি থাকবেন- বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ইকবাল মাহমুদ হাসান টুকু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের এমপি হারুন অর রশিদ, বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। সভাপতিতত্ব করবেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি এরশাদ আলী ঈশা।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর, বরিশাল, ফরিদপুর, সিলেট, কুমিল্লার পর আজ রাজশাহীতে গণসমাবেশ করছে বিএনপি। রাজশাহীর মাদরাসা মাঠে সমাবেশের আয়োজন সম্পূর্ণ হয়েছে। ঢাকার বাইরে বিএনপির সর্বশেষ বিভাগীয় গণসমাবেশ এটি।

এত নেতা স্টেজে, কর্মী কোথায়: ছাত্রলীগের সম্মেলনে কাদেরের প্রশ্ন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর ছাত্রলীগের যৌথ বার্ষিক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় নেতাকর্মীদের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিশৃঙ্খলার ছাত্রলীগ আমরা চাই না। কথা শোনে না, এমন ছাত্রলীগ চাই না। আমরা সুশৃঙ্খল ছাত্রলীগ চাই।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এত নেতা স্টেজে, কর্মী কোথায়? শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধুর ছাত্রলীগ, এই ছাত্রলীগ না। মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না। মুজিব সৈনিক হতে হলে মুজিবের আদর্শের সৈনিক হতে হবে। শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে। খাঁটি কর্মী বিশৃঙ্খলা করে না। সব নেতা হয়ে গেছে!

এর আগে ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দেওয়ার সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের স্লোগান বন্ধ করতে বলেন। তারা স্লোগান বন্ধ না করে মঞ্চ ও মাঠে বিশৃঙ্খলা করতে থাকে। এসময় ওবায়দুল কাদের বক্তব্য শেষ করতে চান। এতে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য মঞ্চে থাকা ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেন।

তখন কাদের বলেন, আমি স্লোগান বন্ধ এবং প্ল্যাকার্ড নামাতে বলার পরেও যারা স্লোগান দিচ্ছ, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যার নামে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, তাকে নেতা না বানাতে নেত্রীকে (শেখ হাসিনা) বলে দেবো। সে আর নেতা হতে পারবে না।

এদিকে জুমার নামাজের সময় হয়ে যাওয়ায় বক্তব্য রাখতে পারেননি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক৷ এ কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আজকে জুমাবার, লেখকের মনে না থাকতে পারে, জয়ের কি মনে নেই? বক্তৃতা দিতে উঠলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বক্তব্য দিতে হবে কেন?

বিএনপিকে উদ্দেশ করে কাদের বলেন, আক্রমণ করলে পাল্টা আক্রমণ হবে কি না সেটা সময় বলে দেবে। বিএনপি আগুন সন্ত্রাস শুরু করেছে। পরশু রাতে রাজধানীর মতিঝিলে বিআরটিসি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। কারা করেছে সেটা আমরা খবর পেয়েছি। মামলা করবো।

দুই মহানগর সভাপতির সভাপতিত্বে এবং দুই সাধারণ সম্পাদকের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, মো. আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু উপস্থিত ছিলেন।

বাড়াবাড়ি করলে খবর আছে, বিএনপিকে কাদের
                                  

বিএনপির উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকার পতনের হাঁকডাক দিয়ে কোনো লাভ নেই। অনুমতি চেয়েছেন, অনুমতি দিয়েছে। আপনাদের সমাবেশে কেউ বাধা দেবে না।

বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্কের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘খেলা হবে। অপেক্ষা করুন, নির্বাচনে খেলা হবে। ডিসেম্বরে খেলা হবে। বিএনপির আগুন আর লাঠির বিরুদ্ধে খেলা হবে। আগুন আর লাঠি নিয়ে এলে খেলা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে, ভোট চুরির বিরুদ্ধে, ভুয়া ভোটার তালিকার বিরুদ্ধে খেলা হবে।’

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কিন্তু উনারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাচ্ছন্দ্রবোধ করছেন না। ফখরুলের মুখে মধু আর অন্তরে বিষ। এরই নাম ফখরুল। ফখরুল সাহেব, অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আপনাদের মিটিংয়ে কেউ বাধা দেবে না। আমরা রাজশাহীতেও বলে দিয়েছি সেখানে যেন পরিবহন ধর্মঘট না করে। ঢাকাও পরিবহন ধর্মঘট হবে না নেত্রী বলে দিয়েছেন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ফখরুল (মির্জা ফখরুল) এখন নাটক শুরু করছেন। নাটক কী? কোথাও সমাবেশ দিলে সাতদিন আগে থেকে প্রচার করেন, মিথ্যাচার করেন বাধা দেওয়া হচ্ছে। সরকার বাধা দিচ্ছে। আর কাঁথা-বালিশ-হাঁড়ি-পাতিল, চালের বস্তা, সঙ্গে টাকার বস্তা আর মশার কয়েল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসে। কুমিল্লাতে তো কেউ বাধা দেয়নি।’


এ সময় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার পরও যদি বাড়াবাড়ি করেন, লাফালাফি করেন, আগুন নিয়ে নামেন, লাঠির সঙ্গে জাতীয় পতাকা লাগিয়ে মাঠে নামেন তাহলে খবর আছে। খেলা হবে দারুণ। পাল্টাপাল্টি আমরা করবো না। আমরা শান্তি চাই। আমরা ক্ষমতায় আছি। ক্ষমতায় থেকে আমরা অশান্তি কেন করবো? মানুষকে কেন আতঙ্কে রাখবো? আমরা তো মানুষকে শান্তিতে রাখতে চাই। আমরা ক্ষমতায় আছি। অশান্তি হলে তো সেখানে মাথা ঘামাতে হবে।’

বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যুদ্ধের (রাশিয়া-ইউক্রেন) কারণে নিষেধাজ্ঞার জন্য আমরা একটু বিপদে আছি। মানুষ কষ্টে আছে। অভাবি মানুষ, সাধারণ মানুষ, স্বল্পআয়ের মানুষ কষ্টে আছে। এটা শেখ হাসিনা নিজেই স্বীকার করেন। চেষ্টা করছেন তিনি। এখনো বাংলাদেশে সোমালিয়া -সুদানের মতো দুর্ভিক্ষ হয়নি। এখনো আমরা অনেক দেশের তুলনায় ভালো আছি। শেখ হাসিনা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘তারেক (তারেক রহমান) লন্ডনে বসে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে, মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তাই তারেকের হাওয়া ভবনের অর্থপাচারের বিরুদ্ধে খেলা হবে। সারা বাংলাদেশ থেকে কত টাকা পাচার করা হয়েছে শেখ হাসিনা তা খতিয়ে দেখছেন। সব টাকা উদ্ধার করা হবে। টাকা পাচারকারী তারেক রহমানসহ যারাই আছে প্রত্যেকের টাকা উদ্ধার করা হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো এত সৎ মানুষ ৭৫’র পর আর আসেনি। এত সাহসী রাজনীতিবীদ আর একজনও আসেনি। এই বাংলায় তার মতো ত্যাগী, বিচক্ষণ, দক্ষ প্রশাসক আর একজনও আসেনি। আমাদের নেত্রীকে নিয়ে আমরা গর্ব করি। যতদিন আছে শেখ হাসিনার হাতে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ।’

সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

এ সময় অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, নারী আসন-২৫ এর এমপি নার্গিস রহমান বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে মাহাবুব আলী খানকে সভাপতি ও জিএম সাহাব উদ্দিন আজমকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

এরআগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু হয়।

তার আগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ওবায়দুল কাদের। পরে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। পরে তিনি সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের অ্যাডমিন ভবনে রক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিখে সই করেন।

বিএনপি লাঠি নিয়ে এলে, খেলা কাকে বলে দেখানো হবে : কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের কর্মসূচিতে কোনো বাধা দিতে চাই না। তবে এবার খেলা হবে। খেলা হবে, যদি তারা সহিংস পরিস্থিতির সৃষ্টি করে, আগুন আর লাঠি নিয়ে আসে, তবে খেলা কাকে বলে, তা দেখানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্কে আয়োজিত জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ফখরুল এখন নাটক শুরু করেছে। কোথাও সমাবেশ হলেই তাদের নাটক শুরু হয়। তারা এক সপ্তাহ আগে থেকেই হাঁড়ি-পাতিল, কাঁথা-বালিশ, লেপ-তোশক, কম্বল, পাটি, মশার কয়েল নিয়ে সেখানে জড়ো হয়। তারপরও বলে সরকার বাধা দিচ্ছে। কুমিল্লায় তো কেউ বাধা দেয়নি। আমরা রাজশাহীতে বলে দিয়েছি পরিবহন ধর্মঘট না করতে। ঢাকার সমাবেশেও বলে দিয়েছি পরিবহন চলবে। ঢাকায় সমাবেশ করতে তাদের কোনো বাধা দেওয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বলে দিয়েছেন পরিবহন ধর্মঘট না করতে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে দেখা যাবে কারা জয়ী হয়। সরকারের পতন চেয়ে লাভ নেই। বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখনো অনেক রাষ্ট্র থেকে ভালো আছে। শেখ হাসিনা যতদিন আছে বাংলাদেশ ততদিন ভালো থাকবে। শেখ হাসিনার সরকার আরেকবার দরকার।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি আসলে মুক্তিযুদ্ধকে বিশ্বাস করে না। এদের মুখে মধু অন্তরে বিষ।

সম্মেলনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং গোপালগঞ্জ -২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, সংরক্ষিত নারী আসন-২৫ এর সংসদ সদস্য নার্গিস রহমান প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।


   Page 1 of 105
     রাজনীতি
১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশ প্রসঙ্গে কাদের, ‘সমাধান হয়ে যাবে’
.............................................................................................
মতিঝিলের রাস্তা বিএনপির এত পছন্দ কেন, জানতে চান তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দীতে জড়ো হচ্ছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা
.............................................................................................
এই ডিসেম্বরেই খেলা হবে: কাদের
.............................................................................................
ময়লার গাড়ি ভাঙচুর: রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
.............................................................................................
বাসা ঘেরাও করে গণসমাবেশ দমানো যাবে না: মির্জা আব্বাস
.............................................................................................
বিএনপির সমাবেশ নিয়ে মানুষ আতঙ্কে আছে: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হলেন রাহাত হুসাইন
.............................................................................................
শেখ ফজলুল হক মনির ৮৪তম জন্মদিন
.............................................................................................
বিএনপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন দুপুরে
.............................................................................................
তরুণদের দুর্বার আন্দোলনে আওয়ামী লীগের পতন ঘটবে: ফখরুল
.............................................................................................
খেলা হবে, রাজপথসহ পাড়া মহল্লায়ও প্রস্তুত থাকতে হবে: কাদের
.............................................................................................
রাজশাহীতে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিএনপির গণসমাবেশ শুরু
.............................................................................................
এত নেতা স্টেজে, কর্মী কোথায়: ছাত্রলীগের সম্মেলনে কাদেরের প্রশ্ন
.............................................................................................
বাড়াবাড়ি করলে খবর আছে, বিএনপিকে কাদের
.............................................................................................
বিএনপি লাঠি নিয়ে এলে, খেলা কাকে বলে দেখানো হবে : কাদের
.............................................................................................
বিএনপির উদ্দেশ্য গন্ডগোল বাধানো: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
পলাতক আসামি এখন প্রধানমন্ত্রী হতে চান: হানিফ
.............................................................................................
মুজিব সৈনিক হতে হলে শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক
.............................................................................................
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট হত্যাকান্ডের মূলহোতা ছিলেন জিয়াউর রহমান : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
আওয়ামী লীগের কেউ বিএনপির সমাবেশের ধারেকাছেও যাবে না: কাদের
.............................................................................................
বিএনপির সমাবেশে সরকার বাধা দেবে না, আগুন নিয়ে খেললে সমুচিত জবাব
.............................................................................................
দেশে ফিরলেন রওশন, বিমানবন্দরে জাপা কর্মীদের শোডাউন
.............................................................................................
মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন আজ
.............................................................................................
খেলা হবে ডিসেম্বরে: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
যশোরে গণমানুষের ঢল সরকারের প্রতি আস্থার প্রমাণ দিয়েছে: কাদের
.............................................................................................
বিএনপি এবার ক্ষমতায় আসলে; বাংলাদেশটা গিলে খাবে : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
মুচলেকা দিয়ে যিনি লন্ডন যান তিনি জনগণের নেতা হতে পারেন না: কাদের
.............................................................................................
‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই নয়াপল্টনে সমাবেশ চায় বিএনপি’
.............................................................................................
১০ ডিসেম্বর সরকার পতনে এক দফার আন্দোলন শুরু: ফখরুল
.............................................................................................
জনগণ বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেবে: ফখরুল
.............................................................................................
জঙ্গিদের প্রধান আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
পদবাণিজ্য নিয়ে আ’লীগ নেতাদের বক্তব্য ভিত্তিহীন: জয়-লেখক
.............................................................................................
বিএনপি পানিঘোলা করতে চায়: নানক
.............................................................................................
সমাবেশের নামে পিকনিক করছে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
পুলিশকে বলবো- বেআইনি হত্যাকাণ্ড চালাবেন না প্রত্যেক অন্যায় কাজের জবাব দিতে হবে : মির্জা ফখরুল ইসলাম
.............................................................................................
১০ ডিসেম্বরকে সামনে রেখে বিএনপি রক্ষণাত্মক কেন, প্রশ্ন কাদেরের
.............................................................................................
ডিসেম্বর ঘিরে সরকার আমাদের নিরিহ লোকজনদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, মামলা দিচ্ছে, গ্রেফতার করছে : মির্জা ফখরুল ইসলাম
.............................................................................................
চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের মাঠে নামিয়েছে বিএনপি: কাদের
.............................................................................................
ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী
.............................................................................................
বিএনপি কারও সঙ্গে আপস করবে না: ফখরুল
.............................................................................................
১০ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করবে বিএনপি গণসমাবেশের অনুমতি চেয়ে ডিএমপিকে চিঠি
.............................................................................................
ক্ষমা চেয়ে ফখরুলের পদ্মা সেতুতে ওঠা প্রয়োজন ছিল: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
বিএনপি মানুষের কষ্ট অনুভব করে: আলাল
.............................................................................................
বিএনপি এখনই মনোনয়ন বাণিজ্য শুরু করেছে: কাদের
.............................................................................................
পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচলে লজ্জা পাবেন না, ফখরুলকে পরশ
.............................................................................................
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নেতা-কর্মীদের ঢল
.............................................................................................
আজ যুবলীগের মহাসমাবেশ, ১০ লাখ লোকের জমায়েতের আশা
.............................................................................................
গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে লড়াই চলছে, চলবে: কাদের
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD