বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী   * ঢাকায় ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাচলে সতর্কতা জারি   * ৬৫ বছরের বেশি বয়সীরাও হজে যেতে পারবেন: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী   * ছাত্রলীগকে গুজবের জবাব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর   * বাংলাদেশ ৩০০ কোটির বেশি মানুষের বাজার হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী   * গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে ফের ভোট ৪ জানুয়ারি   * বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ করলো ইন্দোনেশিয়া   * সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ১২ ডিগ্রির নিচে নামলো তাপমাত্রা   * ছাত্রলীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী   * কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
হাঁসের মাংস ভুনা করবেন যেভাবে

হাঁসের মাংস খেতে কমবেশি সবাই পছন্দ করেন। বিশেষ করে হাঁস ভুনা খেতে খুবই সুস্বাদু। তবে অনেকেই হাঁসের মাংস রাঁধতে গিয়ে ঝক্কি পোহান।


তারা চাইলে রেসিপি অনুসরণ করে সহজেই রান্না করতে পারেন বিশেষ এই পদ। গরম ভাতের সঙ্গে হাঁস ভুনা খাওয়ার মজাই আলাদা। জেনে নিন রেসিপি-

উপকরণ

১. হাঁসের মাংস ১টি
২. পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ কাপ
৩. আদা বাটা ও রসুন বাটা ৫ টেবিল চামচ
৪. ধনিয়া গুঁড়া ৩ চা চামচ
৫. হলুদ গুঁড়া ২ চা চামচ
৬. মরিচের গুঁড়া ৩ চা চামচ
৭. জিরার গুঁড়া দেড় চা চামচ
৮. দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা পরিমাণমতো
৯. লবণ ৩ টেবিল চা পরিমাণমতো
১০. কাঠবাদাম, পেস্ট আধা কাপ
১১. তেল ও ঘি ২ কাপ
১২. দুধ আধা কাপ
১৩. চিনি ১ টেবিল চামচ
১৪. কিসমিস বাটা আধা কাপ
১৫. কাঁচা মরিচ ১০টি ও
৬. পেঁয়াজ কুঁচি ৮ কাপ।

পদ্ধতি

প্রথমেই হাঁসের মাংস ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর তেল ও ঘি গরম করে তাতে দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা ও পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিন।

আধা চা চামচ চিনি মিশিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে একেক করে এবার সব মসলা দিয়ে দিন। ভালো করে কষাতে হবে।

হাড়িতে তেল ভেসে এলে বাদাম পেস্ট দিয়ে ধুয়ে রাখা প্রায় ২ কেজি মাংস দিয়ে অনবরত নেড়ে নিন। এতেই স্বাদ বেড়ে যাবে তিনগুণ।

এরপর ঢেকে দিতে হবে। ১০ মিনিট পরপর নেড়ে দিতে হবে। এরপর বেরেস্তা ও কিসমিস পেস্ট দিয়ে নাড়তে হবে। এ পর্যায়ে চুলার আঁচ কম থাকবে।

এই রান্নায় কোনো পানি ব্যবহার করা লাগবে না। ঢাকনা তুলে তরল দুধ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আরও ১০ মিনিট জ্বাল দিন।

সবশেষে ঘি গরম করে মাংসের উপর ঢেলে দিন। কাঁচা মরিচ ও বেরেস্তা দিয়ে সাজিয়ে রুটি, পোলাও বা সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার মুখে লেগে থাকা হাঁসের মাংস ভুনা।

হাঁসের মাংস ভুনা করবেন যেভাবে
                                  

হাঁসের মাংস খেতে কমবেশি সবাই পছন্দ করেন। বিশেষ করে হাঁস ভুনা খেতে খুবই সুস্বাদু। তবে অনেকেই হাঁসের মাংস রাঁধতে গিয়ে ঝক্কি পোহান।


তারা চাইলে রেসিপি অনুসরণ করে সহজেই রান্না করতে পারেন বিশেষ এই পদ। গরম ভাতের সঙ্গে হাঁস ভুনা খাওয়ার মজাই আলাদা। জেনে নিন রেসিপি-

উপকরণ

১. হাঁসের মাংস ১টি
২. পেঁয়াজ বেরেস্তা ২ কাপ
৩. আদা বাটা ও রসুন বাটা ৫ টেবিল চামচ
৪. ধনিয়া গুঁড়া ৩ চা চামচ
৫. হলুদ গুঁড়া ২ চা চামচ
৬. মরিচের গুঁড়া ৩ চা চামচ
৭. জিরার গুঁড়া দেড় চা চামচ
৮. দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা পরিমাণমতো
৯. লবণ ৩ টেবিল চা পরিমাণমতো
১০. কাঠবাদাম, পেস্ট আধা কাপ
১১. তেল ও ঘি ২ কাপ
১২. দুধ আধা কাপ
১৩. চিনি ১ টেবিল চামচ
১৪. কিসমিস বাটা আধা কাপ
১৫. কাঁচা মরিচ ১০টি ও
৬. পেঁয়াজ কুঁচি ৮ কাপ।

পদ্ধতি

প্রথমেই হাঁসের মাংস ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর তেল ও ঘি গরম করে তাতে দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা ও পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিন।

আধা চা চামচ চিনি মিশিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে একেক করে এবার সব মসলা দিয়ে দিন। ভালো করে কষাতে হবে।

হাড়িতে তেল ভেসে এলে বাদাম পেস্ট দিয়ে ধুয়ে রাখা প্রায় ২ কেজি মাংস দিয়ে অনবরত নেড়ে নিন। এতেই স্বাদ বেড়ে যাবে তিনগুণ।

এরপর ঢেকে দিতে হবে। ১০ মিনিট পরপর নেড়ে দিতে হবে। এরপর বেরেস্তা ও কিসমিস পেস্ট দিয়ে নাড়তে হবে। এ পর্যায়ে চুলার আঁচ কম থাকবে।

এই রান্নায় কোনো পানি ব্যবহার করা লাগবে না। ঢাকনা তুলে তরল দুধ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আরও ১০ মিনিট জ্বাল দিন।

সবশেষে ঘি গরম করে মাংসের উপর ঢেলে দিন। কাঁচা মরিচ ও বেরেস্তা দিয়ে সাজিয়ে রুটি, পোলাও বা সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার মুখে লেগে থাকা হাঁসের মাংস ভুনা।

কমছে পুরুষের শুক্রাণু, হুমকিতে সন্তান জন্মদান!
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভাবুন তো, হঠাৎ বিশ্বজুড়ে সব পুরুষের শুক্রানু ফুরিয়ে গেছে। জন্ম নিচ্ছে না নতুন কোনো সন্তান। একটা সময় মানবশূন্য হয়ে গেলো ‍পুরো বিশ্ব। আশ্চর্য লাগছে, তাই না?

পড়তে আশ্চর্য লাগলেও, এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করে গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক হিউম্যান রিপ্রোডাকশন আপডেট নামের একটি সাময়িকী।

নিবন্ধটিতে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে পুরুষের শুক্রাণুর হার অর্ধেকের বেশি কমেছে। শুক্রাণুর হার কমা রোধ করা ঠেকানো না গেলে সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে সংকটে পড়বে মানবজাতি।

নিজেদের শুক্রাণু উৎপাদনক্ষমতার বিষয়ে সচেতন নন, এমন ১৫৩ জন পুরুষের শুক্রাণু নিয়ে এ গবেষণা করা হয়। তাতে উঠে আসে, ১৯৭৩ সাল থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে শুক্রাণুর ঘনত্ব গড়ে ৫১ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। তাছাড়া এ ৪৫ বছর সময়ের মধ্যে বীর্যে শুক্রাণুর হার কমেছে ৬২ দশমিক ৩ শতাংশ।

গবেষণায় দেখা যা, ১৯৭২ সাল থেকে সব মহাদেশে শুক্রাণু উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার হার বাড়তে থাকে। গবেষকরা দেখতে পান, ওই সময় থেকে প্রতিবছর ১ দশমিক ১৬ শতাংশ করে শুক্রাণুর হার কমেছে। তবে ২০০০ সালের পর থেকে পুরুষের শুক্রাণুর হার প্রতিবছর গড়ে ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ হারে গড়ে কমেছে।

গবেষণা নিবন্ধটির অন্যতম লেখক জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাগাই লেভিন বলেন, আমার মতে, পুরুষের শুক্রানু কমে যাওয়ার বিষয়টি ইজ্ঞিত দেয় যে, বিশ্ব ভুল পথে আছে। এটা নিয়ে এখনই আমাদের সচেতন হতে হবে। চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই সমস্যাটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

এদিকে, এ গবেষণার কিছু সীমাবদ্ধতা আছে বলে মনে করেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এখানে পুরুষের বয়স, বীর্যপাত না হওয়ার সময়সীমা, শুক্রাণু উৎপাদনের ক্ষমতা কম থাকার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হলেও, শুক্রাণুর মান যাচাইয়ের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধূমপান, মদ্যপান, স্থূলতা ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার না খাওয়ায় পুরুষের শুক্রাণুর হার কমতে পারে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন শুক্রাণুর উৎপাদনক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

২০১৭ সালে একই রকম একটি গবেষণা শুধু ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছিল। তখন গবেষকরা বেশ সমালোচনার মুখে পড়েন। তবে এবার গবেষকেরা ৫৩টি দেশের পুরুষদের শুক্রাণু নিয়ে গবেষণা করেছেন।

ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোর পুরুষদের বীর্যে শুক্রাণু কমে যাওয়ার বিষয়টি এবারের গবেষণায় উঠে এসেছে।

সূত্র: সিএনএন

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার ৭ উপায়
                                  

মুখে দুর্গন্ধের কারণে অস্বস্তিতে পড়তে হয়। দিনে দুবার ব্রাশ করার পরও দুর্গন্ধ যেন থেকেই যায়।

মুখ ঢেকে কথা বলা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না।
কারও সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলতে গেলে বিব্রত লাগে, হাসতেও পারেন না প্রাণ খুলে। আমাকে নিয়ে কে, কি ভাবছে? এসব চিন্তা করে, সবসময় মনে একটি চাপা ভয় যেন থেকেই যায়।

মুখে দুর্গন্ধ বা হ্যালিটোসিস মুখের ভেতর ব্যাকটেরিয়া তৈরি হওয়ার কারণে হয়, যা গন্ধ করতে পারে এমন গ্যাস তৈরি করে। সাধারণত আমরা যে খাবার খাই তাতে ব্যাকটেরিয়া শর্করা এবং স্টার্চ ভেঙ্গে দিলে গন্ধ উৎপন্ন হয়। কিছু ক্ষেত্রে এটি মাড়ির রোগ বা দাঁত ক্ষয়ের মতো গুরুতর দাঁতের সমস্যারও কারণ হতে পারে।

কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে। জেনে নিন তেমনই ৫ উপায়-

লবঙ্গ: লবঙ্গ হলো আমাদের রান্নাঘরে থাকা সাধারণ উপাদান যা নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ এবং মাড়ি ফোলা সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য মুখের মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমায় এবং অন্যান্য দাঁতের সমস্যা যেমন রক্তপাত এবং দাঁতের ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি কমায়। নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনি কয়েক টুকরো লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেতে পারেন।

পানি: দিনে কম পানি পান করলেও মুখের দুর্গন্ধ হতে পারে। পানি মুখ থেকে ব্যাকটেরিয়া বের করে দিতে সাহায্য করে এবং এটিকে রোধ করে। এটি আপনার শ্বাস সতেজ রাখতে সাহায্য করে। তাই যদি আপনার নিঃশ্বাসে প্রচুর গন্ধ অনুভব করেন তবে দিনে প্রচুর পানি পান করুন। আপনার নিঃশ্বাসের গন্ধকে সতেজ করতে পানিতে অর্ধেকটা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন।

দারুচিনি: মিষ্টি স্বাদের দারুচিনিও আপনাকে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করতে পারে। লবঙ্গের মতো দারুচিনিতেও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমাতে পারে। মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য মুখে দারুচিনির একটি ছোট টুকরা রাখতে হবে এবং তারপরে আপনি এটি ফেলে দিতে পারেন। এতে মুখে সৃষ্ট দুর্গন্ধ দূর হবে।

লবণ-পানির গার্গল: হালকা গরম লবণ-পানি দিয়ে গার্গল করলে তা মুখের খারাপ ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করতে পারে এবং আপনার মুখের গন্ধকে সতেজ করে তুলতে পারে। লবণ-পানি মুখের মধ্যে গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াগুলোকে দূরে করে। আপনাকে এক গ্লাস পানিতে আধা চা চামচ লবণ মেশাতে হবে এবং বাইরে যাওয়ার আগে এটি দিয়ে গার্গল করতে হবে।

মধু এবং দারুচিনি: মধু এবং দারুচিনি উভয়েরই শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আপনার মুখের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমাতে এবং মাড়িকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করতে পারে। দাঁত এবং মাড়িতে নিয়মিত মধু এবং দারুচিনির পেস্ট লাগালে দাঁতের ক্ষয়, মাড়ি থেকে রক্তপাত এবং এমনকী নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধের ঝুঁকি কমাতে পারে। উভয় উপাদানই একেবারে নিরাপদ এবং রান্নাঘরে সহজেই পাওয়া যাবে।

পুদিনাপাতা: একে প্রাকৃতিক মাউন্ট ফ্রেশনার বলা যেতে পারে। তাই মুখে গন্ধ হলে ২-৩টি পুদিনাপাতা নিয়ে চিবিয়ে ফেলুন।

নারিকেল তেল: এ তেলে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান নিমিষে গন্ধ সৃষ্টি করা ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। ফলে মুখের গন্ধ দূর হতে সময় লাগে না। এক্ষেত্রে এক চামুচ নারিকেল তেল মুখে নিয়ে ভালো করে কুলি করুন। কম করে ৫ মিনিট করতে হবে। তার পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে মুখটা।

ডাইনোসরদের বিলুপ্তির ১১ কারণ
                                  

জীবজগতের হাজার হাজার প্রজাতির প্রতি মানুষের কৌতূহলের সীমা নেই। কেমন করে বেঁচে থাকে এসব প্রাণি, তাদের জীবনযাপন কিংবা জীববৈচিত্র্য রায় তাদের ভূমিকা ইত্যাদি বিচারে মানুষের কৌতূহলের ধরন থাকে ভিন্ন।

জীবিত প্রাণিগুলোকে নিয়ে মানুষের আগ্রহ এবং শিক্ষার পাশাপাশি বিলুপ্ত প্রাণি সম্পর্কে জানার চেষ্টাও আছে মানুষের মধ্যে। বিশেষ করে বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান-শিক্ষার্থীদের। সেরকম একটি প্রাণি হলো ডাইনোসর। পৃথিবীতে মানুষের জন্মের বহুকাল আগে বিলুপ্ত এই অতিকায় প্রাণিদের সম্পর্কে বলা যায় মানুষের আগ্রহ এখনো তুমুল।

Dinosaur শব্দের অর্থ ভয়ঙ্কর টিকটিকি (Terrible Lizard)। সরীসৃপ শ্রেণির এই ভয়ঙ্কর প্রাণি পৃথিবীতে বাস করত মোটামুটি ২৪ কোটি বছর থেকে সাড়ে ৬ কোটি বছর আগে। প্রকৃত অর্থে Jurassic Period-ই ছিল ডাইনোসরদের রাজত্বকালে। সে সময় অন্যান্য প্রাণির বিকাশ ঘটলেও এর দাপটে অনেক প্রজাতিই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। ১৮৪১ সালে প্রাপ্ত ডাইনোসরের বেশ কিছু ফসিল (জীবাশ্ম) নামকরণের সময় স্যার রিচার্ড ওয়েন এই নামকরণ করেছিলেন।

ধারণা করা হয়, একসময়ে উত্তর মেরু ছাড়া সমগ্র পৃথিবীতেই ডাইনোসরের রাজত্ব ছিল। জলে, স্থলে, আকাশে, বিভিন্ন ধরনের ডাইনোসরের অবাধ বিচরণ ছিল। আজকের পৃথিবীতে যেমন মানুষের রাজত্ব, তেমনি একসময় এ পৃথিবী ছিল ডাইনোসরদের পৃথিবী।

বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়, অধিকাংশ ডাইনোসরের চারটি পা ছিল। কেউ কেউ চার পায়ে হাঁটত, আবার কেউ দু পায়ে, আর সামনের পা দুটো হাতের মতো ব্যবহার করত। কিছু ডাইনোসর আকাশে পাখির মতো উড়ত, আবার কেউ কেউ পানিতে বিচরণ করত।

আকার-আকৃতির দিক থেকেও ছিল ভিন্নতা। যেমন : Argentinesaurus, Senismosaurus, Ultrasauros , Brachiosaurs, Supersaurus-- এগুলো ছিল রীতিমতো দানবাকৃতির। এগুলোর দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১০০ ফুট, উচ্চতা প্রায় ৫০ ফুট। আবার Compsognathus ছিল মুরগির আকারের। কোনও প্রজাতি ছিল হিংস্র-মাংশাসি, কোনও প্রজাতি ছিল তৃণভোজী। আবার অনেক প্রজাতি ছিল, যারা একই সাথে উদ্ভিদভোজী এবং মাংসভোজী ছিল।

স্টিভেন স্পিলবার্গের ‘জুরাসিক পার্ক’ চলচ্চিত্রটিতে আমরা দেখেছি বিভিন্ন ধরনের ডাইনোসর, তাদের গায়ের রঙ, তাদের আওয়াজ। তবে সবই কাল্পনিক, এখনকার মানুষের ধারণা। আজকের দিনে যদি ডাইনোসরদের আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়, তাহলে চিত্রটা কেমন হবে, ভাবলেই আমাদের গা শিউরে উঠে। কিন্তু একসময় পৃথিবী দাপিয়ে বেড়ানো এই ভয়ঙ্কর প্রাণিটা কেন আজ বিলুপ্ত, বিজ্ঞানীদের গবেষণায় এর বেশ কিছু কারণ জানা গেছে। আসুন এমন ১১টি কারণ সম্পর্কে জেনে নিই :
১. খাদ্য হিসেবে ডাইনোসরের বিলুপ্তি
একসময় সব মাংসাশি ডাইনোসর সব উদ্ভিদভোজী ডাইনোসরদের খেয়ে ফেলে। পরে খাদ্যের অভাবে মাংসাশি ডাইনোসরদেরও বিলুপ্তি হয়।

২. উল্কাপাত
একসময় মার্কিন বিজ্ঞানীরা যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনায় ফাগস্টাকে একটি বিশাল গর্ত আবিষ্কার করেন এবং যেখানে উল্কাখন্ডের সন্ধান পান। ধারণা করা হয় এই উল্কাখন্ড পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার ফলে সমগ্র পৃথিবী ধূলা এবং জলীয় মেঘে ঢেকে গিয়েছিল। এর ফলে সূর্যকিরণ পৃথিবীতে পৌঁছাত না। এতে অনেক সবুজ উদ্ভিদের বিলুপ্তি ঘটে। আর খাদ্যের অভঅবে উদ্ভিদভোজী ডাইনোসরগুলোরও মৃত্যু হয়।

৩. তাপমাত্রার পরিবর্তন
জীবজগতে সরীসৃপ প্রাণিদের তাপমাত্রার সাথে অভিযোজন করার মতা সবচেয়ে কম, যার প্রভাব পড়েছিল ডাইনোসরদের ওপরেও। মহাদেশগুলোতে বিচিত্র তাপমাত্রাগত পার্থক্যের কারণে ডাইনোসরগুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। ছোট প্রজাতির সরীসৃপরা পাহাড়-পর্বতের গুহায় আশ্রয় নিতে পারলেও বিশালদেহী ডাইনোসরগুলো ছিল অসহায়।

৪. খাদ্যভাব
মহাদেশগুলো যখন বিচ্ছিন্ন হচ্ছিল, তখন তাপমাত্রা, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাতের আধিক্য বা অনাবৃষ্টি, তুষারপাত ইত্যাদির বিচারে পরিবেশ পাল্টে যাচ্ছিল। ফলে প্রাণিজগতের বিভিন্ন প্রজাতি যেমন লোপ পাচ্ছিল, তেমনি বহু প্রজাতির উদ্ভিদও বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। এর ফলে উদ্ভিদভোজী প্রাণিদের খাদ্যাভাব দেখা দিয়েছিল প্রবলভাবে। বিশেষ করে উদ্ভিদভোজী ডাইনোসরগুলো এর শিকার হয়েছিল প্রথম। তাপমাত্রাগত পরিবর্তনে এরা কাহিল হয়ে পড়েছিল, সেই সাথে পর্যাপ্ত খাদ্য না পাওয়ার কারণে এদের বিলুপ্তি ঘটেছিল। অন্যদিকে মাংসাশি ডাইনোসরগুলো তাপমাত্রা এবং খাদ্য হিসেবে উদ্ভিদভোজী প্রাণির অভাবে মারা গিয়েছিল একটু বিলম্বে।

৫. রোগব্যাধি
সনাতন পরিবেশ যখন সুস্থ-সবল ডাইনোসরগুলো বিচরণ করত তখন তাদের ওপর ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসগুলো হয়তো ততটা প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। বহু কারণে ধীরে ধীরে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসদের আক্রমণ করার মতাও বৃদ্ধি পেয়েছিল। সব মিলিয়ে ডাইনোসরগুলো রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছিল দ্রুত। এভাবে তাদের বিলুপ্তি ঘটছিল।

৬। প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস
সাধারণত দেখা যায় দীর্ঘকাল অনুকূল পরিবেশ না পেলে কোনও কোনও প্রজাতির যৌনস্পৃহা বা প্রজননক্ষমতা হ্রায় পায়। ডাইনোসরের কোনও কোনও প্রজাতি এই কারণেই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল।

৭. বিবর্তন
প্রতিকূল পরিবশেকে জয় করে যেসব ডাইনোসর টিকে যেতে সক্ষম হয়েছিল, ধারণা করা যায় দেহগত বিবর্তনের ধারায় তারা অন্যজাতীয় প্রাণিতে পরিণত হয়ে গিয়েছিল।

৮. বিষাক্ত গাছ
একসময় বিষাক্ত গাছে পৃথিবী ছেয়ে গিয়েছিল। উদ্ভিদভোজী ডাইনোসরগুলো এসব গাছ খেয়ে মৃত্যুবরণ করার পর, মাংসাশি ডাইনোসরগুলোও খাদ্যভাবে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
বিষাক্ত গাছ ধারণায় বিরুদ্ধে যুক্তি : এই যুক্তিটি গ্রহণযোগ্য নয়, এই জন্য যে, পৃথিবীর সব গাছ বিষাক্ত হয়ে গিয়েছিল এমন হওয়াটা স্বাভাবিক নয়।

৯. স্থূল শরীর
উদ্ভিদভোজীরা অত্যধিক খাবার খেয়ে খেয়ে এত মোটা হয়ে গিয়েছিল যে এরা এক সময় চলাফেরা করতে অম হয়ে মাংসাশি ডাইনোসরদের সহজ শিকারে পরিণত হয়েছিল।

১০. তুষার যুগের আবির্ভাব
পৃথিবীতে অকস্মাৎ তুষার যুগের আবির্ভাব ঘটায় সব ডাইনোসর ঠান্ডায় জমে মৃত্যুবরণ করে।

১১. ক্রম অগ্ন্যুৎপাত
পৃথিবীজুড়ে আগ্নেয়গিরিগুলো ধারাবাহিকভাবে অবিরত বিষাক্ত গ্যাস ও লাভা নিপে করতে থাকে। ফলে ডাইনোসরগুলোর বিলুপ্তি হয়।

যে নারীরা গোসলের বদলে শরীরে মাখেন লালমাটি
                                  

আফ্রিকার দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি সুন্দর দেশ নামিবিয়া। এখানেই বাস হিম্বা নামের এক উপজাতিদের। যাদের দেখতে অন্যান্য উপজাতিদের মতো হলেও তারা বিশেষ বেশ কিছু কারণে। স্বল্প পোশাক, গা ভর্তি পুঁতির গয়না ছাড়াও শরীরে লেগে থাকা কাদামাটি তাদের আলাদা করেছে।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে, হিম্বারা কখনো গোসল করেন না। এই জাতির মানুষেরা হিম্বা, ওমুহিম্বা বা ওভাহিম্বা নামেও পরিচিত। নামিবিয়ার উত্তরাঞ্চলে, বিশেষ করে কুনেন অঞ্চলে এদের বাস বেশি। হিম্বারা তাদের লালচে ত্বকের জন্য জনপ্রিয়। আসলে তারা ত্বকে এক ধরনের লাল মাটি ব্যবহার করে।

এখানকার নারীরা শরীরকে চকচকে ও সুগন্ধযুক্ত করতে সর্বদা একটি বিশেষ ধরনরর আয়ুর্বেদিক ওষুধ বা ক্রিম ব্যবহার করে। এই বিশেষ আয়ুর্বেদিক ওষুধ বা ক্রিমটি প্রকৃতপক্ষে নারীদের প্রশান্তি এবং এক ধরনের অনবদ্য গ্ল্যামার দেয়। এর নাম রেড অকরি। হিম্বারা রেড অকরি (গিরিমাটি বিশেষ ও তার রং) নামক ক্রিম তৈরির করার জন্য বিখ্যাত।

এই ক্রিম শুধু হিম্বা নারীরাই ব্যবহার করে। এটি সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। পাশাপাশি পোকামাকড়ের কামড়ও প্রতিরোধ করে। ক্রিমটি ব্যবহারের ফলে শরীরে তেমন লোমও হয় না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য হিম্বা নারীরা নিয়মিত ধোঁয়ায় স্নান করে নেয়।

যেহেতু তারা গোসল করেন তাই শরীর পরিষ্কার রাখতে এবং দুর্গন্ধ মুক্ত রাখেন বিশেষ এক পদ্ধতিতে। পানির বদলে স্মোক বাথ বা ধোঁয়ার মাখেন শরীরে। এভাবেই শরীর পরিষ্কার রাখেন তারা। এর আগে শরীরে বিশেষ লালমাটি মেখে নেন। এরপর একটি পাত্রে কয়লার সঙ্গে কমিফোরা গাছের ডাল এবং পাতা মিশিয়ে নেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার এই কমিফোরা গাছের পাতা বেশ সুগন্ধি। এজন্য এই পাতা ব্যবহার করেন তারা। যেহেতু দিনের পর দিন গোসল ছাড়াই থাকতে হয় তাই শরীরের দুর্গন্ধ দূর করতে এই পাতা সাহায্য করে। সেই মিশ্রণে আগুন দিয়ে ধোঁয়া তৈরি করা হয়। শরীরে মোটা কাপড় বা কম্বল পেচিয়ে সেই পাত্রের সামনে বসে পড়েন তারা। যতক্ষণ না শরীর থেকে ঘাম পড়ছে তত ক্ষণ পর্যন্ত তারা এই বিশেষ পদ্ধতিতে স্নান করেন। চুলে মাখেন মাটি এবং গোবরের মিশ্রণ।

তবে গোসল না করার পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে। প্রথমত হিম্বারা যে অঞ্চলে বাস করেন তার পুরোটাই মরুভূমি। ফলে গোসলের জন্য পানি পাওয়া কষ্টসাধ্য। এছাড়াও তাদের প্রথা অনুযায়ী শরীরে পানি ছোঁয়ানো তাদের জন্য অশুভ। বিশেষ করে নারীদের জন্য। তবে এখন অনেক হিম্বা নারী গোসল করেন। সেটাও শুধু বিয়ের দিন।

হিম্বাদের প্রধান কাজ হচ্ছে পশুপালন এবং চাষবাস। পুরুষরা এই কাজগুলো করেন। নারীদের শুধু একটিই কাজ তা হচ্ছে- জ্বালানির কাঠ সংগ্রহ করে রান্না করা ও সন্তানদের দেখাশোনা করা। হিম্বা পুরুষরা একাধিক বিয়ে করতে পারেন। অন্যদিকে নিজেদের স্ত্রীদের অন্য পুরুষের সঙ্গে রাত কাটানোর সুযোগ করে দেয়। যাকে বলা হয় ‘ওকুজেপিসা ওমুকাজেন্দু’। এক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে অতিথির কাছে এক রাতের জন্য থাকার অনুমতি দেন।

যদিও একজন নারী অতিথির সঙ্গে ঘুমাতে অস্বীকার করতে পারেন। তবে বেশিরভাগই স্বামীর সিদ্ধান্ত মেনে পরপুরুষের সঙ্গে রাত কাটান। তাদের ধারণা, এতে সম্পর্ক ভালো থাকে ও হিংসা দূর হয়।

এদের পোশাকও স্বল্প হয়। শরীরের নিচের অংশে কাপড় থাকলেও উপরের অংশে কোনো কাপড় পরেন না তারা। নারীরা বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী গয়না পরেন। হিম্বা নারীরা যখন বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছান তখন ছাগল অথবা গরুর চামড়া দিয়ে তৈরিকৃত মুকুট যা এরিম্বি নামে পরিচিত। অন্যদিকে সন্তান জন্ম না দেওয়া পর্যন্ত তাকে পূর্ণাঙ্গ নারী হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। আবার বিয়ের পর হিম্বা ছেলেকে একজন পুরুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর আগে তাদের রীতিতে পুরুষের যত কাজ আছে তার কিছুই করতে পারেন না অবিবাহিত পুরুষটি।

সূত্র: গার্ডিয়ান, হাডিটিথ আফ্রিকা

স্তন ও জরায়ু মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে করণীয়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিশ্বব্যাপী মরণব্যাধিগুলোর মধ্যে অন্যতম ক্যানসার। বাংলাদেশেও এটি মৃত্যুহারের জন্য দায়ী রোগগুলোর তালিকায় রয়েছে। তাই ক্যানসার যাতে প্রাথমিক পর্যায়েই প্রতিরোধ করা যায়, সে জন্য এর উপসর্গ সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা রাখতে হবে। তবে আশার কথা হলো প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করলে জটিলতা এড়ানো যায়।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, স্তন এবং জরায়ু মুখের ক্যানসারে আক্রান্ত নারীদের ম্যামোগ্রাফি এবং রেডিওথেরাপির মতো কিছু ডায়গনিস্টিক এবং চিকিত্সা সেবা দেয়া সম্ভব। বিশেষ করে প্রাথমিক অবস্থার ক্যানসার মোকাবিলা করার জন্য এসব সেবা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু এই চিকিৎসাপদ্ধতি অনেক ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে প্রতি বছর লাখো নারীর মৃত্যু হয়।

স্তন ক্যানসার

নারীদের অন্যতম ক্যানসার হলো স্তন ক্যানসার। যে কোনো বয়সের নারীই স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে মাঝ বয়সী নারীদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকিও বাড়ে। সাধারণত পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। পারিবারিক ইতিহাস না থাকলেও স্তন ক্যানসার হতে পারে। এ ছাড়া বিআরসি এ-১ এবং বিআরসি এ-২ জিন দু’টির বিবর্তন বা মিউটেশনের কারণেও স্তন ক্যানসার হতে পারে।

স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সর্বপ্রথম যে জিনিসটির প্রয়োজন, তা হলো নারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। নিয়মিত ব্রেস্ট স্ক্রিনিং করতে হবে। ২০ বছর বয়স থেকে প্রত্যেক নারীর উচিত স্তনের সুস্থতা সম্পর্কে সচেতন হওয়া। এজন্য প্রতি মাসে মাসিক শেষ হওয়ার ৫ম থেকে ৭ম দিনের যে কোনো দিন তাকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বা গোসলের সময় স্তন ও বগলের নিচের অংশ পরীক্ষা করতে হবে এবং যে কোনো সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ৪০ বছর বয়স থেকে প্রত্যেক নারীর বছরে একবার ম্যামোগ্রাম নামের বিশেষ পরীক্ষাটি করাতে হবে। সম্ভব না হলে স্তনের আল্ট্রাসনোগ্রাম করা যেতে পারে। এছাড়া, বছরে একবার চিকিৎসক দিয়ে স্তন পরীক্ষা করাতে হবে। নিয়ন্ত্রিত ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, নিয়মিত স্তন পরীক্ষা এবং নির্দেশনা অনুযায়ী ম্যামোগ্রাম করলে স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক অবস্থার রোগ নির্ণয় করা সম্ভব।

জরায়ু মুখে ক্যানসার

যৌন সংস্পর্শ জরায়ু মুখের ক্যানসার ছড়ানোর প্রধান কারণ। যৌন সক্রিয় প্রতিটি নারীই তাই এই ঝুঁকির আওতাভুক্ত। প্যাপ টেস্ট নামের একটি পরীক্ষার মাধ্যমে জরায়ু মুখের কোষের পরিবর্তন নির্ণয় করা হয়। জরায়ু থেকে কোষ সংগ্রহ করে, এই পরীক্ষা করা হয়। জরায়ু কোষে যে কোনো ধরনের পরিবর্তন ধরা পড়লেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্রুত সুনিদির্ষ্ট চিকিৎসা শুরু করতে পারেন, যাতে ভবিষ্যতে রোগীর ক্যানসারে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা না থাকে।

তাই যৌন সক্রিয় সকল নারীর দৈহিক মিলন শুরুর তিন বছর পর থেকে বছরে একবার প্যাপ টেস্ট করা প্রয়োজন। যদি পরপর তিনটি পরীক্ষার ফলাফলে কোনো সমস্যা চিহ্নিত না হয়, সেক্ষেত্রে প্রতি তিন বছরে একবার প্যাপ টেস্ট করা যেতে পারে। মেনোপজ অথবা জরায়ুর আংশিক অপসারণের পরেও প্যাপ টেস্ট অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। তবে সত্তরোর্ধ নারীদের জন্য যদি বিগত দশ বছরে পর পর তিনটি পরীক্ষার ফলাফলে কোনো সমস্যা না থাকে, তাহলে তাদের আর প্যাপ টেস্ট করার প্রয়োজন নেই। গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যাপ টেস্ট করা যেতে পারে।

জরায়ু মুখের ক্যানসার কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। হিউম্যান প্যাপিলোমা নামক ভাইরাস এই রোগের কারণ। সাধারণত অধিকাংশ নারীই জীবদ্দশায় একাধিকবার এইচপিভি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়। একজন নারীর সহজাত প্রতিরোধ ক্ষমতা বা কনডমের ব্যবহার কখনোই এই ইনফেকশনের বিরুদ্ধে স্থায়ী প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করতে পারে না। সম্প্রতি জরায়ু মুখ ক্যানসার প্রতিরোধে অতি কার্যকর টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে। পর পর তিন ডোজ টিকা, নিয়মিত প্যাপ টেস্টের মাধ্যমে স্ক্রিনিং, চিকিৎসকের পরামর্শ এবং সাবধানতা জরায়ু মুখের ক্যানসার প্রায় সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করতে পারে।

বিশ্বব্যাপী সার্বজনীন স্বাস্থ্য কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা এবং এক্ষেত্রে স্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের জন্য নারীদের স্তন ক্যানসার এবং জরায়ু মুখের ক্যানসার চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষত নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের দেশে নারীদের জরায়ু মুখ ও স্তন ক্যানসার চিকিৎসায় সার্বিক সহায়তা করা প্রয়োজন।

সূত্র: ডয়চে ভেলে

বাঁধাকপির মচমচে কাবাব তৈরির রেসিপি
                                  

বাজারে সবে উঠতে শুরু করেছে বাঁধাকপি। কমবেশি সবাই বাঁধাকপি খেতে পছন্দ করেন। এই সবজি দিয়ে বাহারি সব পদ তৈরি করা যায়।

তার মধ্যে বাঁধাকপি দিয়ে তৈরি কাবাব অন্যতম। মচমচে এই কাবাব একবার খেলেই মুখে লেগে থাকবে সব সময়। জেনে নিন সুস্বাদু এই কাবাবের রেসিপি-


উপকরণ

১. বাঁধাকপি (অর্ধেক)
২. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ
৩. ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ
৪. কাঁচা মরিচ কুচি ২টি
৫. আদা-রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
৬. লবণ স্বাদমতো
৭. মরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
৮. হলুদের গুঁড়া আধা চা চামচ
৯. ধনিয়া গুঁড়া আধা চা চামচ
১০. গরম মসলার গুঁড়া আধা চা চামচ
১১. কালো গোলমরিচের গুঁড়া ১/৪ চা চামচ
১২. চিলি ফ্লেক্স ১ চা চামচ
১৩. জিরার গুঁড়া আধা চা চামচ
১৪. চাট মসলা আধা চা চামচ
১৫. ময়দা আধা কাপ
১৬.চালের গুঁড়া আধা কাপ
১৭. তেল পরিমাণমতো ও
১৮. পানি সামান্য।

পদ্ধতি

প্রথমে বাঁধাকপি ভালো করে ধুয়ে তারপর কুচি করে কেটে নিতে হবে। এবার এর সঙ্গে সব উপকরণ একে একে মিশিয়ে দিন। ভালো করে মেখে নিতে হবে। প্রয়োজনে সামান্য পানি দিন। তারপর ভালো করে মেখে নিতে।

এবার দু’হাতের তালুতে তেল মেখে বাঁধাকপির মিশ্রণ নিয়ে গোলাকার করে কাবাবের আকৃতিতে গড়িয়ে নিন। অন্যদিকে চুলায় প্যান বসিয়ে পর্যাপ্ত তেল গরম করে নিন।

এর মধ্যে কাবাবগুলো দিয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে বাঁধাকপির কাবাব। ভাতের সঙ্গে এমনকি বিকেলের নাস্তাতেও দারুন মানিয়ে যাবে এই কাবাব।

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর)। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘অস্টিওআর্থাইটিস চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপি সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি’।

বিশ্বের ১২১টি দেশে একযোগে এই দিনে ফিজিওথেরাপি দিবস পালন করা হয়। প্রতিটি দেশে এবার ২৬তম বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালিত হচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী সচেতনতা অর্জনের লক্ষ্যে ১৯৯৬ সাল থেকে বৈশ্বিক ফিজিওথেরাপি সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড ফিজিওথেরাপি’র আহ্বানে ৮ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালিত হয়। এরপর ২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) নেতৃত্বে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা, অস্টিওআথ্রাইটিস এ ধরনের রোগ নিরাময়ে বিশ্বব্যাপী ফিজিওথেরাপি একটি স্বীকৃত, কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন চিকিৎসা পদ্ধতি।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ডা. কাজী মোহাম্মদ এমরান হোসেন দিবসটির প্রতিপাদ্য উল্লেখ্য করে জানান, অস্টিওআথ্রাইটিস হাড়জোড়ের একটি রোগ যা ক্ষয়জনিত, আঘাত, পারিবারিক ইতিহাস, স্থূলতা বা শারীরিক অক্ষমতার কারণে যে কোনো বয়সী মানুষের হতে পারে। সারাবিশ্বে ৫২০ মিলিয়ন মানুষ অস্টিওআথ্রাইটিসে আক্রান্ত, যার ৬০ শতাংশই হাঁটু আক্রান্ত মধ্যবয়সী মানুষ। বিশ্বে প্রতি ১০ বছরে অস্টিওআথ্রাইটিসে আক্রান্ত মানুষ ৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা প্রতিবন্ধকতার ১১তম কারণ।

ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের তথ্যমতে বাংলাদেশে ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব ৭ দশমিক ৩ শতাংশ অস্টিওআথ্রাইটিস রোগী রয়েছেন, যাদের বেশিরভাগ নারী স্থূলতায় আক্রান্ত বা শারীরিক কার্যক্রমে কম সক্রিয়। অস্টিওআর্থাইটিস হলে হাড়জোড়ে ও মাংসপেশিতে ব্যথা হয়, চলাফেরায় কষ্ট হয় এমনকি প্রতিবন্ধীও হতে পারে।

ডা. কাজী মোহাম্মদ এমরান বলেন, রোগীকে জানতে হবে যে সে কখন কি করবে। কারণ ব্যথা হলেই ব্যথানাশক খাওয়া ক্ষতিকর। গবেষণা মতে জীবনযাপনের সঠিক পদ্ধতি ব্যথা নিরাময়ে সবচেয়ে বেশি কার্যকর।

ফিজিওথেরাপিস্টদের সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল অনুযায়ী, ফিজিওথেরাপি আধুনিক বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা ও স্বতন্ত্র চিকিৎসা ব্যবস্থা। যেখানে বিভিন্ন ধরনের বাত, ব্যথা, প্যারালাইসিস, প্রতিবন্ধী এবং প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তির সমস্যার সমাধান ও প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধ করে স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন করেন ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক।

বিশ্বব্যাংকের এক জরিপ মতে বাংলাদেশের ১০ ভাগ জনগোষ্ঠী প্রতিবন্ধীতায় আক্রান্ত ও তাদের ৮০ ভাগই গ্রামে ও মফস্বল শহরে বাস করেন।

আইন অনুযায়ী, স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ৫ বছর মেয়াদী স্নাতক ডিগ্রীধারীগণ ফিজিওথেরাপিস্ট। বাংলাদেশে এ মানদণ্ডে প্রতি ৫০ হাজারে একজন ফিজিওথেরাপিস্ট রয়েছে।

বিশ্ব বাবা দিবস আজ
                                  

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

১৯ জুন ২০২২, রোববার। ৫ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ


ঘটনা
১৮৭৭- ভূমি থেকে আকাশে উলম্বভাবে উড্ডয়নের ও আকাশ থেকে ভূমিতে অবতরণের এবং আকাশে স্থির থাকার যান তথা আদি যুগের হেলিকপ্টার পরীক্ষা করা হয়।
১৯৫৩- গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগে আমেরিকার বিপ্লবী দম্পতি জুলিয়াস রোজেনবার্গ ও এথেল রোজেনবার্গের মৃত্যুদণ্ড।
১৯৬১- কুয়েত স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৬৮- পাকিস্তানের ইতিহাসের বহুল আলোচিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার (রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য) শুনানি শুরু।

জন্ম
১৬২৩- ফরাসি গণিতজ্ঞ, পদার্থবিদ, উদ্ভাবক, লেখক এবং ক্যাথলিক দার্শনিক ব্লেজ পাস্কাল।
১৯০১- প্রখ্যাত ভারতীয় গণিতবিদ ও পরিসংখ্যানবিদ রাজচন্দ্র বসু।
১৯৪৭- বৃটিশ ভারতীয় ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক আহমেদ সালমান রুশদি।
১৯৮৫- ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল।

মৃত্যু
১৯০৭- সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ উমেশচন্দ্র দত্ত।
১৯১৯- ঊনিশ শতকের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি অক্ষয় কুমার বড়াল।
১৯৮১- ভারতে প্রথম এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় নল-জাত শিশু দুর্গার সৃষ্টিকর্তা হিসেবে স্বীকৃত ভারতীয় চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়।
১৯৮২- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী নলিনী দাস।

দিবস
বিশ্ব বাবা দিবস।
বিশ্ব সিকেল সেল দিবস।

খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙলে শরীরের কী উপকার হয়?
                                  

অনেকেই একটি বা দু’টি খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙেন। সারাবিশ্বেই এই রীতির চল রয়েছে। কিন্তু এই কাজ কি শুধুই রীতি মেনে করা হয়? নাকি খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙলে শরীরেরও উপকার হয়?

প্রথমত, সারাদিন রোজা রাখার পর এমন কিছু খাওয়া জরুরি, যা কম সময়ে জোগাবে কর্মশক্তি। তার জন্য খেজুর খুব উপযোগী একটি খাদ্য। পাশাপাশি, খেজুরে রয়েছে আরও নানা গুণ। আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমন কয়েকটি গুণাগুণ।

১. খেজুর হজমশক্তি বাড়াতে সক্ষম। সারাদিন না খাওয়ার পর সন্ধ্যায় ইফতারে ভালমন্দ খাওয়ার চল রয়েছে গোটা বিশ্বেই। বিশেষ করে নানা ধরনের ফল এবং ভাজাপোড়া খান অনেকে। খেজুর সেসব খাবার হজম করতে সাহায্য করে।
২. খেজুরে রয়েছে পুষ্টির নানা উপাদান। বিশেষ করে সারাদিন রোজা রাখার কারণে শরীরের ফাইবার প্রয়োজন। খেজুর তা জোগাতে পারে।

৩. রোজা মানেই সারাদিন কিছু না খেয়ে থাকা। কিন্তু দিনের কাজ তো চালিয়ে যেতে হয়। তার জন্য শরীর সচল রাখতে হবে। খেজুরে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন। এই তিনটি উপাদান শরীর সচল রাখে।

৪. খেজুরে উপস্থিত রয়েছে ক্ষারীয় লবণ, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। নিয়ন্ত্রণ করে রক্তে শর্করার মাত্রাও।

৫. খেজুর হজম করা সহজ।

তথ্যসূত্র: বিবিসি গুড ফুড, হেলথ লাইন, নিউজ মেডিকেল, অর্গানিক ফ্যাক্টস

সিগারেটের থেকেও বেশি ক্ষতিকারক ডিম?
                                  

‘একটি ডিম= পাঁচটি সিগারেটের সমান!?’ সম্প্রতি এক ভেগান নারীর এই মন্তব্যে হইচই শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন সোশ্যাল সাইটে। কিছু দিন আগেই ওই নারী টুইটারে এই আশ্চর্যজনক দাবি করেছিলেন।

@PlantBasedBarb এই টুইটার হ্যান্ডেল থেকে ওই নারী জানান, ‘একটি মাঝারি আকারের ডিমে ১৮৬ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে যা প্রস্তাবিত খাবারের ৬২ শতাংশ। তাই ডিম খাওয়া আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ধূমপানের চেয়েও খারাপ!’

@PlantBasedBarb-এর টুইটটি অনেকটা ২০১৭ সালে নির্দেশিত ‘হোয়াট দ্য হেলথ’ ছবির মতো শোনাচ্ছে। এই বিতর্কিত নেটফ্লিক্স ডকুমেন্টারিটি ডক কনসপিরেসির পিছনে থাকা ব্যক্তিদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। ওই ছবিটি মাংস এবং দুধের সেবনকে ক্যান্সারের সঙ্গে যুক্ত করার পর প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে। ওই ছবিতেও এই ভেগান নারীর মতো যুক্তি দেয়া হয়েছিল যে, ডিমের কোলেস্টেরলের মাত্রা ধমনীতে প্লাক তৈরি করতে সক্ষম যা পাঁচটি সিগারেট ধূমপানের মতো ক্ষতিকর।

বার্ব তার অনুগামীদের কাছে টফুকে ডিমের বিকল্প হিসাবে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু টফু বিকল্পের সম্পর্কে তার পরামর্শের পরেও কেউই তার কথায় বিশেষ কান দেয়নি। অনেকেই বার্বের টুইটটিকে হাস্যকর বলে মনে করেছেন।

টফু হচ্ছে জনপ্রিয় একটি এশিয়ান খাবার, যা শিম দই হিসাবেও পরিচিত। অনেক সুস্থ ভোক্তারা টফুকে মাংসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে থাকে, কারণ এটি প্রোটিনে উচ্চতর কিন্তু চর্বি এবং সোডিয়াম কম। টফু নরম বা দৃঢ় হতে পারে।

এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী বার্বের যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে বলেছেন, আমি আপনার প্রোফাইলে ডায়েটিশিয়ান বা ডাক্তার এই রকম কোনো ডিগ্রি দেখতে পাচ্ছি না।

প্রকৃতপক্ষে, দ্য স্মল চেঞ্জ ডায়েটের লেখক আরডি কেরি গ্যান্সের মতে, নারীদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একজন ডায়েটিশিয়ান সর্বদাই সপ্তাহে ডিমের একটি কার্টন ধারণ করার কথা বলেন। অর্থাৎ গড় ব্যক্তির জন্য, দিনে দু’টি ডিম খাওয়া সম্পূর্ণরূপে স্বাস্থ্যকর। ডিমে যে পরিমাণ কোলেস্টেরলের কথা বার্ব বলেছে তা সঠিক, তবে ডিম রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে দায়ী নয়।

ডায়েটিশিয়ান সোনিয়া অ্যাঞ্জেলোনের মতে, আপনি যদি ডিমের কোলেস্টরল নিয়ে উদ্বিগ্ন হন, আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডিমই ডায়েটের তালিকায় রাখতে পারেন। স্বাভাবিকভাবে একজন সুস্থ ব্যক্তির প্রসঙ্গে যদি বলা যায়, তাহলে আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ডিম আদৌ শত্রু নয়।
তথ্যসূত্র: নিউজ এইটিন

গরমে সুস্থ থাকতে পান পাতার শরবত!
                                  

অনেক গুণে ভরা পান পাতা। প্রদাহ কমানো থেকে সর্দি-কাশি, শারীরিক নানা সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম এ পাতা।

তাছাড়া হজমে সাহায্য করার অতিপরিচিত গুণ তো আছেই। সে কারণেই তো ভোজের পর পান খাওয়া বাঙালির একটি অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
কিন্তু এত গুণের মধ্যেও একটি সমস্যা আছে। তা হল সাধারণ ভাবে চুন মৌরি মিছরি দিয়ে পান খেলেও গা গরম হয়ে যায়। ফলে গ্রীষ্মকালে পান খাওয়া কতটা আরামদায়ক, তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে।

নানা সমস্যার সমাধান যে পাতায়, তাকে কি গোটা গ্রীষ্ম বাদ দিয়ে দিতে পারবেন? বরং গ্রীষ্মকালে কীভাবে পান পাতা ব্যবহার করা যায়, তা ভেবে দেখুন।

গরমের সময় পান পাতা দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন শরীর ঠান্ডা রাখার মতো একটি পানীয়। গরমে তা খেলে আরাম হবে। আবার হজমের গোলমাল থেকে সর্দি-কাশি-মাথা ব্যথা, গায়ে ব্যথা সবই কমবে।

কী ভাবে বানাবেন সেই পানীয়?

উপকরণ:
পান পাতা: ৪টি (কুচনো)
মৌরি: ১ টেবিল চামচ
নারকেল কোরা: ১ টেবিল চামচ
মিছরি: ১/২ টেবিল চামচ
পানি: ১/২ কাপ

প্রণালী: প্রথমে কুচনো পান পাতা ব্লেন্ডারে দিয়ে দিন। পান পাতা বাটা হয়ে গেলে পানি ছাড়া বাকি সব উপকরণ দিন তাতে। আবার সবটা ভাল ভাবে মিশিয়ে নিন। শেষে পানি দিয়ে আবার মিশ্রণটি ঘেঁটে নিন।

কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা ঠান্ডা খান। গরমকালে শরীর শীতল হবে। আবার নানা অসুস্থতা থেকেও মুক্তি মিলবে।

দৌড়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন ৪০ বছরের নারী
                                  

ফিচার ডেস্ক : বয়স যে কোনো কাজেই বাধা হতে পারে না তার প্রমাণ দিলেন ক্যামিল হেরন। বয়স ৪০, তিনিই বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম নারী। সবচেয়ে কম সময়ে ১০০ মাইল দূরত্ব অতিক্রমের জন্য রেকর্ড করেন তিনি। এমনকি নিজের আগের সব রেকর্ডও ভেঙেছেন এবার। এজন্য নারী দিবসকেই বেছে নেন ক্যামিল।

১০০ মাইল অতিক্রম করা সবচেয়ে দ্রুততম পুরুষ ক্রীড়াবিদ ও রৌপ্য পদক বিজয়ী আর্লেন গ্লিক থেকে ৩০ মিনিট কম সময় নিয়েছেন ক্যামিল। ২০১৭ সালে হেরন তার নিজের আগের ১০০ মাইল গতির রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছেন।

৪০ বছর বয়সী ক্যামিল হেরন আমেরিকান আল্ট্রাম্যারাথন রানার। দৌড়ে তার অসংখ্য রেকর্ড রয়েছে। পেয়েছেন রৌপ্য ও স্বর্ণ পদক। এছাড়াও তিনি সাঁতার, গলফসহ অন্যান্য খেলাধুলার সঙ্গেও জড়িত। ছোটবেলা থেকেই দৌড়ে পারদর্শী ছিলেন ক্যামিল। যা একসময় তাকে আন্তর্জাতিক মাঠে পৌঁছে দেয়।

এবারের রেকর্ডটির জন্য তিনি বেশ অনেকদিন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। স্বামী ছিলেন তার কোচের দায়িত্বে। ২০২২ সালের নারী দিবসেই তিনি এই বিশ্বরেকর্ডটি করেন। এরই মধ্যে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তার এই রেকর্ডের স্বীকৃতি দিয়েছে।

মাত্র ১০ বয়সে তিনি ম্যারাথন দৌড়ে অংশ নেন। পরপর তিনবার ইউএস অলিম্পিক ম্যারাথন ট্রায়ালে সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০১১ সালে ইউএস প্যান আমেরিকান টিম ম্যারাথনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।


২০১৫ সালে, তিনি তার প্রথম ১০০ মাইল দৌড়ের রেকর্ডটি করেন। সেবার কিংবদন্তি দৌড়বিদ অ্যান ট্রাসনের রেকর্ড ভেঙেছিলেন ক্যামিল।

সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস

ভালবাসার নিদর্শন ঐতিহাসিক সুতানাল দীঘি
                                  

জহিরুল ইসলাম ভুট্টো, নালিতাবাড়ী (শেরপুর) : দীঘিটি কে কখন কোন উদ্দেশে খনন করেছিলেন তার ইতিহাসনির্ভর কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকার প্রবীণদের কাছ থেকে জানা যায়,মোগল

আমলের শেষের দিকে এ গ্রামে সামন্ত রাজার বাড়ি ছিল। আবার কেউ বলেন এখানে বৌদ্ধ বিহার ছিল। কথিত আছে সামন্ত রাজার স্ত্রী কমলারাণীকে ভালবাসার বহিঃপ্রকাশের জন্য উপহার দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। রাণী তখন রাজাকে বলেন, ভালবাসার নিদর্শন হিসেবে আপনি এমন কিছু দান করুন যা যুগযুগ ধরে মানুষ মনে রাখে। রাজা তখন সিদ্ধান্ত নিলেন অবিরাম একরাত একদিন সুতা কাটা হবে। যে পরিমান সুতা হবে সেই সুতার সম পরিমান লম্বা এবং প্রশস্ত একটি দীঘি খনন করা হবে। এলাকার জনগণ দীঘির জল ব্যবহার করবে। আর তোমাকে স্বরণ করবে। এরপর দিনের পর দিন খননকাজ চলে।

নির্মিত হয় বিশাল এক দীঘি। এক পাড়ে দাঁড়ালে অন্য পাড়ের লোক চেনা যায় না। কথিত আছে খননের পর দীঘিতে জল ওঠেনি। জল না ওঠায় সবাই চিন্তিত। কমলারাণি তখন স্বপ্নাদেশ পান “গঙ্গাপুজা কর নরবলি দিয়া,তবেই উঠিবে দীঘি জলেতে ভরিয়া।” স্বপ্ন দেখে রাণি চিন্তিত হয়ে পড়েন। নরবলি না দিয়ে রাণি গঙ্গামাতাকে প্রণতি জানানোর জন্য মহাধুমধামে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে দীঘির মাঝখানে গঙ্গাপুজার আয়োজন করা হয়। কমলারাণি গঙ্গামাতার পায়ে প্রার্থনা জানিয়ে বলেন,“কোন মায়ের বুক করিয়া খালি,তোমারে দিব মাতা নরবলি। আমি যে সন্তানের মা,আশায় করিয়া ক্ষমা কোলে তুলিয়া নাও। মা পুর্ণকর তোমার পুজা।” হঠাৎ
বজ্রপাতের শব্দে দীঘিতে জল উঠতে লাগলো। লোকজন দৌড়ে পাড়ে উঠতে পাড়লেও দীঘির টইটুম্বুর জলে রাণি তলিয়ে গেলেন। কমলা রাণি আর তীরে উঠতে পাড়েনি। সেই থেকে কমলা রাণি বা সুতানাল দীঘি নামে পরিচিতি পায়।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নে মধ্যমকুড়া গ্রামে ৬০ একর জমির উপর দীঘিটি অবস্থিত । উপজেলা সদর থেকে আট কিলোমিটার দুরে দীঘিটির অবস্থান। দিঘিটি কেন্দ্র করে প্রতি বছর
সৌখিন মৎস্য শিকারিদের মিলন মেলায় পরিনিত হয়। দুরদুরান্ত থেকে মৎস্য শিকারী ও উৎসুক মানুষের আনাগোনায় এলাকার পরিবেশ হয়ে ওঠে উৎসব মুখর। এ দীঘির মাছ খুব সুস্বাদু বলে প্রশংসা রয়েছে।
“নালিতাবাড়ী মাটি মানুষ এবং আমি”সাবেক এমপি ও মন্ত্রী মরহুম অধ্যাপক আবদুস সালাম রচিত বই থেকে জানা যায়,খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দিতে শালমারা গ্রামে সশাল নামের এক গাড়ো রাজা রাজত্ব করতেন।
সামশ ইলিয়াস শাহ তখন বাংলার শাসন কর্তা। সশাল রাজার রাজধানী ছিল শালমারা গ্রামে । ১৩৫১ সালে তিনি সশালের বিরোদ্ধে সেনা প্রেরন করেন।

রাজা পলায়ন করে আশ্রয় নেন জঙ্গলে। পরবর্তীকালে সশাল রাজা শত্রুর আক্রমন থেকে রক্ষা পাওয়ার পর দীঘির মাঝখানে ছোট্র একটি ঘর তৈরি করে দীঘির চারদিকে পরিখার মতো খাল খনন করেন। রাজা যখন সেখানে অবস্থান করতেন তখন তার বাহিনী বড় বড় ডিঙি নৌকা নিয়ে দীঘির চারদিকে পাহাড়া দিত। কালক্রমে, ঐভুখন্ডটি ধসে দীঘিতে রুপ নিয়েছে। রাজার শেষ বংশধর ছিলেন রাণি বিরহীনি। দীঘিটি রাণি বিরহীনি নামেও পরিচিতি পায়। ১৯৪০ সালে সরকারী ভুমি জরিপে দীঘিটি বিরহীনি নামেই রেকর্ড
হয়েছে। তবে দীঘিটি খননের সত্যিকার দিন,ক্ষন,ইতিহাস জানা যায়নি। ১৯৮৩ সালে এই দীঘিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে“সুতানালি দীঘিরপাড় ভুমিহীন মজাপুকুর সমবায় সমিতি।”বর্তমানে সমিতির সদস্য সংখ্যা
১১৮ জন। সব সদস্যই দীঘির পাড়ে বসবাস করেন।

আগুনরঙা ফাগুন এলো দ্বারে
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : ফাগুনের উদাস হাওয়ায় বাঁধন ছিঁড়েছে প্রাণ। বাঁধনছেঁড়া প্রাণ আজ বুঝি উড়ুউড়ু। ফাগুনের অগ্নিধারায় আপনকেও হারালো মন। হারানো মন ঘুরছে ফাগুনরাঙা বনে।

বছর ঘুরে আবার এলো ফাগুন। ষড়ঋতুর বাংলায় বসন্তের রাজত্ব একেবারে প্রকৃতসিদ্ধ। ঋতুরাজ বসন্তের বর্ণনা কোনো রংতুলির আঁচড়ে শেষ হয় না। কোনো কবি-সাহিত্যিক বসন্তের রূপের বর্ণনায় নিজেকে তৃপ্ত করতে পারেন না। তবু বসন্তবন্দনায় প্রকৃতিপ্রেমীদের চেষ্টার যেন অন্ত থাকে না।

আজ ১ ফাল্গুন (সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি)। শীতের রুক্ষতা বিদায় করে প্রকৃতি সেজেছে নবসাজে। ঝরাপাতার দিনশেষে গাছে গাছে নতুন শাখা-কুঁড়ির গান। মুকুল-শিমুল-পলাশে মিতালী করে বসন্ত এরই মধ্যে মেলে ধরেছে আপন রূপ। ফাগুনের আগুনে মন রাঙিয়ে বাঙালিও মেতেছে বাসন্তী উৎসবে।

বাঙলির ইতিহাস আবেগের। এ আবেগ যেমন মানুষে মানুষে ভালোবাসার, তেমনি মানুষের সঙ্গে প্রকৃতিরও। দিন-ক্ষণ গুণে গুণে বসন্তবরণের অপেক্ষায় থাকে বাঙালি। কালের পরিক্রমায় বসন্তবরণ আজ বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম উৎসব। আবাল-বৃদ্ধা, তরুণ-তরুণী, শিশু-কিশোর সবাই মাতে বসন্ত উন্মাদনায়। শীত চলে যায় রিক্ত হস্তে, আর বসন্ত আসে ফুলের ডালা সাজিয়ে। বাসন্তী ফুলের পরশ আর সৌরভে কেটে যায় শীতের জরাজীর্ণতা।

করোনাকালের আগে বসন্তবরণে গ্রাম বাংলায় মেলা, সার্কাসসহ নানা আয়োজনের সমারোহ থাকতো। চলতো পিঠা উৎসবও। করোনাকালে এমন আয়োজনে কড়াকড়ি থাকলেও একেবারেই পিছিয়ে থাকবে না প্রকৃতিপ্রেমীরা। কোনো প্রেয়সী তার ভালোবাসার মানুষের মন রাঙাবে বাসন্তী শাড়িতে সেজে। উদাস হাওয়ায় তরুণরা নিজেকে প্রকাশ করবে প্রেমে প্রেমে। বসন্ত হয়ে উঠবে মানুষের মন আর প্রকৃতির রূপপ্রকাশের অনিন্দ্য প্রতীক।

বসন্ত উৎসব বা বরণ- যেটাই বলা হোক, এর সঙ্গে মিশে আছে একেবারে আবহমান গ্রামবাংলা, সোঁদা মাটির ঘ্রাণ। বসন্তে গাছগাছালিতে পত্রপল্লবের নতুন কুঁড়ি যেন গ্রামীণ মানুষের অন্তরকে আরও শুভ্র করে, করে পবিত্রও।

যদিও বসন্ত উৎসব এখন গ্রামীণ আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। শহুরে মানুষের কাছেও বসন্তের আবেদন ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে শহরের তরুণ-তরুণীরা বসন্তবরণে দিরভর ব্যস্ত থাকে। ফুলে ফুলে ভরে যায় কিশোরী-তরুণীদের চুলের খোঁপা। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বসে খাবারের মেলা। এ দিন দর্শনীয় স্থানগুলোতে মানুষের পদচারণায় যেন তিল ধরার ঠাঁই থাকে না।

বসন্তের আগমনে নব উদ্যমে জেগে উঠুক বাঙালি, জেগে উঠুক বাঙালির প্রাণ।

বসন্তের সাজ যেমন হবে
                                  

ফিচার ডেস্ক : বসন্ত ষড়ঋতুর শেষ ঋতু। ফাল্গুন ও চৈত্র মাস মিলে হয় বসন্ত ঋতু। দেশবাসী বেশ জাকজমকতার সঙ্গে পালন করে বসন্তের প্রথম দিন।

রাত পোহালেই বাসন্তি রঙের পোশাক পরে বসন্ত বরণ করবে বাঙালিরা। গতবারের মতো এবারও ভালোবাসা দিবসের দিনই পালিত হতে চলেছে বসন্ত।

এদিন কে কোন পোশাক পরবেন কিংবা কীভাবে সাজবেন এ নিয়ে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর সবাই উচ্ছ্বসিত থাকেন। এ যেন এক উৎসব।

বিগত কয়েক বছরে সাজ-ফ্যাশনে বেশ পরিবর্তন এসেছে। আগে হলুদ, কমলা বা বাসন্তি রঙের পোশাকের চাহিদা বেশি ছিল। তবে এখন বাহারি রঙের পোশাকেও বসন্ত বরণ করা হয়।

যার মধ্যে লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, টিয়া, সি গ্রিন থেকে শুরু করে মাল্টি কালার কম্বিনেশনও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এবারের বসন্ত বরণে কেমন হবে আপনার সাজ-পোশাক-

>> বসন্ত বরণের পোশাক হিসেবে শাড়িকেই বেশি প্রাধান্য দেন নারীরা। তবে এবার শাড়ির পাশাপাশি ফ্যাশনে আরও আছে কুর্তি, স্কার্ট, সারারা, এমনকি জিনস-টপসও।

আপনি পছন্দসই পোশাক পরতে পারেন। একরঙা শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ না মিললেও সমস্যা নেই।

>> ফুলের গয়না পরতে চাইলে শাড়ির সঙ্গে ভারী কোনো জুয়েলারি পরবেন না। গলায়, হাতে ও কানে গয়না হিসেবে পছন্দমতো যে কোনো ফুলই ব্যবহার করতে পারেন।

বর্তমানে ফুলের হেডব্যান্ডেরও চল বেড়েছে। এটি পরতে পারেন। হালকা ধাঁচের নকশার পোশাকের সঙ্গে ফুলের গয়না পরলে ফুলের সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।

তবে কেউ কেউ চাইলে একটু ভারী নকশার শাড়ির সঙ্গে ফুল দিয়ে হালকাভাবেও সাজতে পারেন।

>> এদিন শাড়ির সঙ্গে খোঁপা বা বেণী বেশ মানিয়ে যায়। খোঁপায় রাখতে পারেন গাঁদা ফুল। সঙ্গে লাল টিপ দিন কপালে। রঙিন ফুলের সাজে পাবেন বসন্তের আমেজ। চুল খোলা রাখলেও এক পাশে ফুল দিতে পারেন।

চুলের জন্য বড় আকারের ফুল বেছে নিলে একটিই যথেষ্ট। গয়নাও রাখুন হালকা ধাঁচের। আর ছোট আকারের হলে অবশ্য একাধিক ফুল নিতে পারেন।

চুলের বেণীতে ফুল জড়ানো যেতে পারে নানাভাবে। ফুলের মালা কিংবা আটকে নিতে পারেন নানা আকারের ছোট-বড় ফুল। বেণীও সাজাতে পারেন ফুল দিয়ে।

>> মেকআপের ক্ষেত্রে আবহাওয়া দেখে নিন। সাজে ন্যুড রং, বাদামি, লাল, মেরুন, গেরুয়া ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।

চোখের সাজে আনতে পারেন সবুজের ছোঁয়া। আর দিনের মেকআপে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

>> দু’হাত ভর্তি করে বিভিন্ন রঙের কিংবা একরঙা কাচের চুরি পরুন। শুধু শাড়ি নয় বরং সালোয়ার কামিজ, সারারা কিংবা কুর্তির সঙ্গে কাচের চুরি বেশ মানিয়ে যায়।


   Page 1 of 8
     ফিচার
হাঁসের মাংস ভুনা করবেন যেভাবে
.............................................................................................
কমছে পুরুষের শুক্রাণু, হুমকিতে সন্তান জন্মদান!
.............................................................................................
মুখের দুর্গন্ধ দূর করার ৭ উপায়
.............................................................................................
ডাইনোসরদের বিলুপ্তির ১১ কারণ
.............................................................................................
যে নারীরা গোসলের বদলে শরীরে মাখেন লালমাটি
.............................................................................................
স্তন ও জরায়ু মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে করণীয়
.............................................................................................
বাঁধাকপির মচমচে কাবাব তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ
.............................................................................................
বিশ্ব বাবা দিবস আজ
.............................................................................................
খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙলে শরীরের কী উপকার হয়?
.............................................................................................
সিগারেটের থেকেও বেশি ক্ষতিকারক ডিম?
.............................................................................................
গরমে সুস্থ থাকতে পান পাতার শরবত!
.............................................................................................
দৌড়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন ৪০ বছরের নারী
.............................................................................................
ভালবাসার নিদর্শন ঐতিহাসিক সুতানাল দীঘি
.............................................................................................
আগুনরঙা ফাগুন এলো দ্বারে
.............................................................................................
বসন্তের সাজ যেমন হবে
.............................................................................................
আগামীকাল পহেলা ফাল্গুন
.............................................................................................
গাছে গাছে আমের মুকুল
.............................................................................................
পুরান ঢাকায় শুরু হলো সাকরাইন উৎসব
.............................................................................................
গোলাপ পিঠা তৈরির সহজ রেসিপি
.............................................................................................
কমলালেবুর ভাপা দই তৈরি করুন ঘরেই
.............................................................................................
পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলায় যেভাবে যাবেন
.............................................................................................
নলেন গুড়ের ফিরনি রাঁধবেন যেভাবে
.............................................................................................
উটের ভাড়া সাড়ে চার কোটি টাকা!
.............................................................................................
পেয়ারার যত গুণাগুণ
.............................................................................................
বিশ্বের সবচেয়ে বড় লেজ যে বিড়ালের
.............................................................................................
কাঁচা নাকি ভাজা বাদামে উপকারিতা বেশি
.............................................................................................
মচমচে চিড়ার চপ তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
দাঁড়িয়ে পানি পান স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়
.............................................................................................
জবা ফুলের চায়ের যত গুণ !
.............................................................................................
চল্লিশের পর সুস্থ থাকতে যেসব খাবার খাবেন
.............................................................................................
কাজুবাদামের যতো উপকারিতা
.............................................................................................
জেনে নিন যে ৭ কারণে কমে যাচ্ছে আপনার আয়ু
.............................................................................................
আজ রাত ১২ টার পর বিদায়- ১০- ১০ -২০২০ ঈসায়ী
.............................................................................................
চিকেন স্যুপ রেসিপি
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে কামরাঙা
.............................................................................................
ক্যাপসিকামের আচার তৈরি করবেন যেভাবে
.............................................................................................
ঘাড়ব্যথায় কী করবেন?
.............................................................................................
শরতের শুভ্রতা ছড়াচ্ছে কাশফুল
.............................................................................................
যে কারণে বাংলাদেশে পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ নিষিদ্ধ
.............................................................................................
চা আর সিগারেট এক সঙ্গে খাওয়ার ভয়ংকর ফলাফল জানেন কি?
.............................................................................................
ব্রণ দূর করবে অ্যালোভেরা
.............................................................................................
দুই মাথাওয়ালা মহিষশাবক
.............................................................................................
সুইচবোর্ডে পাখির বাসা, ডিম ও বাচ্চা বাঁচাতে ৩৫ দিন অন্ধকারে গ্রামবাসী!
.............................................................................................
করোনাকালেও থেমে নেই কুকর্ম, লাখ লাখ টাকা উড়িয়ে সংঘবদ্ধ যৌনতা!
.............................................................................................
লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার মাস্ক, প্রশ্ন তুলছেন নেটিজেনরা
.............................................................................................
আলোচনায় `নবাবগঞ্জের নবাব`
.............................................................................................
নিজের পছন্দ একজন, পরিবারের আরেকজন; এক আসরে দু`জনকে বিয়ে!
.............................................................................................
চাচির সঙ্গে ভাতিজার প্রেম, বিয়ে করে ভয়ঙ্কর পরিণতি!
.............................................................................................
রিকশাচালক থেকে ৫০০ কোটি টাকার মালিক আমিনুল
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD